
জুলাই ষড়যন্ত্রের অন্যতম কুশীলব ইরেশ জাকের৷। বঙ্গবন্ধুর স্নেহধন্য প্রয়াত বরেণ্য অভিনেতা আলী যাকের এর পূত্র। এশিয়াটিক তাদের পারিবারিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। এটিও তারা পেয়েছিলেন বঙ্গবন্ধুর দয়ায়। পাকিস্তানি ব্যবসায়ীর ফেলে যাওয়া এই প্রতিষ্ঠানটি ১৯৭২ সালে আলী জাকের এর হাতে তুলে দেন জাতির জনক।
জুলাই ষড়যন্ত্রের অন্যতম কুশীলব বলা হচ্ছে। কারণ, জুলাই জঙ্গীদের অর্থ সরবারহ ও টেলিভিশন মিডিয়ার নাটক ও বিজ্ঞাপন এর অনেক শিল্পীকেই তিনি জুলাইয়ে মাঠে নামতে অনুপ্রাণিত করছেন। এছাড়া তার প্রতিষ্ঠান এর বিভিন্ন ভবনে জুলাই জঙ্গীদের আশ্রয় ও গোপন মিটিং করার সুযোগ করে দিয়েছিলেন তিনি। এর মধ্যে উত্তরা ও মগবাজারের ২টি ভবন আলোচনায় আছে।
জুলাই ষড়যন্ত্রের প্রমাণিত কুশীলব প্রথম আলো, ফারকী, আশফাক নিপুন ও দৃকের শহীদুল আলম, ইমেল হক ও বান্নাহর সাথে নিবিড় যোগাযোগ রেখেছিলেন। এবং এখনো রাখছেন।
এছাড়া তিনিও জয়া আহসান এর সাথে জুলাই ষড়যন্ত্রকে মহান করে দেখানো একটি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। আশফাক নিপুন পরিচালিত এই চলচ্চিত্রে বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারকে হেয় করা হয়েছে। এবং মৃত্যু নিয়ে কুৎসিত মন্তব্য করা হয়েছে। চলচ্চিত্র প্রযোজনা করেছে। প্রথম আলোর সহযোগী প্রতিষ্ঠান চরকি।
১Seraj Uddin Ahmed
আলী জাকের ও সারা জাকের এর কুপুত্র সুদী ও বিশ্ব বাটপার ইউনুসের আদর্শের পথিক। শিল্প জগতের সঙ্গে জড়িত থাকলেও অর্থ কামাইটাই প্রধান লক্ষ্য, যে কোন নোংরা পথেই হোকনা কেন। বাবা মায়পর সকল অর্জন বিসর্জন দিয়ে হলেও।Rafiqul Islam Bhuiyan
চমৎকার উপলব্ধি। মনে রাখতে হবে, মুক্তিযুদ্ধে অংশ গ্রহণ করলেও যে স্বাধীনতা বিরোধীদের লোকজন হতে পারে এমন নজির কিন্তু আমরা অতীতেও দেখেছি। যাদের নিকট দেশের স্বার্থের চেয়ে ব্যক্তিগত স্বার্থই বড়ো তারা স্বাধীনতা বিরোধীদের দলের লোকজন হতেও পিছপা হয় না। যেমন মীরজাফর সহ ৭৫ ও ২০২৪ এর খুনিদের মধ্যেও এই ধরনের চরিত্রের লোকজন এর অস্তিত্ব পাওয়া যায়।




















