, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ছাগল কবিরদের চলাফেরায় বডিগার্ড লাগে,:Anis Alamgir 

  • প্রকাশের সময় : ০৪:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬
  • ১০ পড়া হয়েছে
আওয়ামী লীগ আমলে লেখক শাহরিয়ার কবিরকে জামাত-শিবিরের লোকেরা ডাকতো ‘মুরগি কবির’ বলে।‌ এই আমলে তাদের প্রিয় ব্যারিস্টার শাহরিয়ার কবিরকে লোকজন মজা করে ডাকে ব্যারিস্টার ‘ছাগল কবির’ নামে।
আজ একটা ভিডিওতে দেখলাম, ব্যারিস্টার ছাগল কবির সরকারকে ১২ তারিখ পর্যন্ত সময় দিচ্ছে- ১৩ তারিখ থেকে নাকি জনতার মঞ্চ স্টাইলে ‘ঝুলাই মঞ্চ’ খুলে সরকার ফেলে দেবে! সময়সীমা বেঁধে দেওয়ার এই আত্মবিশ্বাস সত্যিই প্রশংসনীয়- অডাসিটি অফ হোফ!
ছাগলটার সঙ্গে আমি অনেকদিন ধরেই টকশোতে বসি না। প্রথম দিন সে ছিল অজানা একজন, দ্বিতীয় দিন বসে বুঝেছি- এটা আসলে দুই পায়ের একটা ছাগল। এর সঙ্গে টকশো করা মানেই নিজেকে ওর স্তরে নামিয়ে আনা- সে কোন রাজনৈতিক দল করে সেটা কোন বিষয় না।
আজ দেখলাম, সোমা ইসলামকে নিয়ে তার এক ফেইসবুক স্ট্যাটাসে অনেকের সঙ্গে আমাকেও প্রতিরোধ করতে বলেছে। কারণ, আমরা নাকি মিথ্যাচার করি, আওয়ামী ন্যারেটিভ তৈরি করি। আওয়ামী ন্যারেটিভের অভিযোগটা নতুন না, তবে সব সময় প্রমাণ ছাড়া।
আমি ব্যক্তি জীবনেও কখনো মিথ্যা কথা বলি না- সাংবাদিকতার জীবনে তো প্রশ্নই আসে না। আর দলীয় দাসত্ব? সেটাও আমার চরিত্রে পড়ে না।
মজার বিষয় হচ্ছে, অন্যের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানানো এই ছাগলটা টকশোতে যায় সরকারের দেওয়া বডিগার্ড নিয়ে। এমনকি মসজিদেও বডিগার্ড নিয়ে যায়। গত শুক্রবারেও মসজিদে দেখা হয়েছিল। এত ভয় নিয়ে বিপ্লবের ডাক- এটা সত্যিই “হাইব্রিড সাহস”।
শেখ হাসিনা-মুক্ত বাংলাদেশে সব ‘স্বৈরাচারের দোসর এবং ফ্যাসিস্টদের’ জেলে বন্দী করে যদি ছাগল কবিরদের চলাফেরায় বডিগার্ড লাগে, আর ওদের মুরুব্বী বাটপার ইউনূসের এসএসএফ লাগে- তাহলে জুলাই বিপ্লব দিয়ে এরা দেশবাসীকে কেমন স্বাধীনতা দিলো- প্রশ্নটা থেকেই যায়। ছাগলটার বডিগার্ড তুলে নিলে ওর কী দশা হবে- ভাবতেই কেমন যেন লাগে!
বাই দ্যা ওয়ে, ৫ আগস্টের আগে এই ছাগলটা কোথায় ছিল? কোথা থেকে আমদানি হয়েছে এটি- এটাও জানার কৌতূহল রয়ে গেল। জামাত এসব ‘ভার্সিটির মাল’ কোথায় খুঁজে পায়!
03.07.26
জনপ্রিয়

ছাগল কবিরদের চলাফেরায় বডিগার্ড লাগে,:Anis Alamgir 

প্রকাশের সময় : ০৪:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬
আওয়ামী লীগ আমলে লেখক শাহরিয়ার কবিরকে জামাত-শিবিরের লোকেরা ডাকতো ‘মুরগি কবির’ বলে।‌ এই আমলে তাদের প্রিয় ব্যারিস্টার শাহরিয়ার কবিরকে লোকজন মজা করে ডাকে ব্যারিস্টার ‘ছাগল কবির’ নামে।
আজ একটা ভিডিওতে দেখলাম, ব্যারিস্টার ছাগল কবির সরকারকে ১২ তারিখ পর্যন্ত সময় দিচ্ছে- ১৩ তারিখ থেকে নাকি জনতার মঞ্চ স্টাইলে ‘ঝুলাই মঞ্চ’ খুলে সরকার ফেলে দেবে! সময়সীমা বেঁধে দেওয়ার এই আত্মবিশ্বাস সত্যিই প্রশংসনীয়- অডাসিটি অফ হোফ!
ছাগলটার সঙ্গে আমি অনেকদিন ধরেই টকশোতে বসি না। প্রথম দিন সে ছিল অজানা একজন, দ্বিতীয় দিন বসে বুঝেছি- এটা আসলে দুই পায়ের একটা ছাগল। এর সঙ্গে টকশো করা মানেই নিজেকে ওর স্তরে নামিয়ে আনা- সে কোন রাজনৈতিক দল করে সেটা কোন বিষয় না।
আজ দেখলাম, সোমা ইসলামকে নিয়ে তার এক ফেইসবুক স্ট্যাটাসে অনেকের সঙ্গে আমাকেও প্রতিরোধ করতে বলেছে। কারণ, আমরা নাকি মিথ্যাচার করি, আওয়ামী ন্যারেটিভ তৈরি করি। আওয়ামী ন্যারেটিভের অভিযোগটা নতুন না, তবে সব সময় প্রমাণ ছাড়া।
আমি ব্যক্তি জীবনেও কখনো মিথ্যা কথা বলি না- সাংবাদিকতার জীবনে তো প্রশ্নই আসে না। আর দলীয় দাসত্ব? সেটাও আমার চরিত্রে পড়ে না।
মজার বিষয় হচ্ছে, অন্যের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানানো এই ছাগলটা টকশোতে যায় সরকারের দেওয়া বডিগার্ড নিয়ে। এমনকি মসজিদেও বডিগার্ড নিয়ে যায়। গত শুক্রবারেও মসজিদে দেখা হয়েছিল। এত ভয় নিয়ে বিপ্লবের ডাক- এটা সত্যিই “হাইব্রিড সাহস”।
শেখ হাসিনা-মুক্ত বাংলাদেশে সব ‘স্বৈরাচারের দোসর এবং ফ্যাসিস্টদের’ জেলে বন্দী করে যদি ছাগল কবিরদের চলাফেরায় বডিগার্ড লাগে, আর ওদের মুরুব্বী বাটপার ইউনূসের এসএসএফ লাগে- তাহলে জুলাই বিপ্লব দিয়ে এরা দেশবাসীকে কেমন স্বাধীনতা দিলো- প্রশ্নটা থেকেই যায়। ছাগলটার বডিগার্ড তুলে নিলে ওর কী দশা হবে- ভাবতেই কেমন যেন লাগে!
বাই দ্যা ওয়ে, ৫ আগস্টের আগে এই ছাগলটা কোথায় ছিল? কোথা থেকে আমদানি হয়েছে এটি- এটাও জানার কৌতূহল রয়ে গেল। জামাত এসব ‘ভার্সিটির মাল’ কোথায় খুঁজে পায়!
03.07.26