, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

পৃথিবীর ৪০০ কোটি নারী তার স্তন ও যৌনি লুকাতে পারেন ?

  • প্রকাশের সময় : ১২:৩৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬
  • ৬৭ পড়া হয়েছে

 
বই বাংলো থার্ড আই 
পৃথিবীর ৪০০ কোটি এর অধিক নারী প্রকৃতি তথা জন্মগতভাবেই স্তন , যৌনি ও নারীর স্বাভাবিক আকৃতি নিয়ে পৃথিবীতে জন্মগ্রহণ করেছেন।
কোন নারী যদি শেষ বয়সে এসে ধর্মীয় ভণ্ডামি শুরু করেন এটা তার নিজস্ব বিষয় তথা স্বাধীনতা। কিন্তু বোরকা পরে একজন নারী তার স্তন ও যৌনি লুকাতে পারেন ?
বোরকা পরা নারীর স্তন দেখে কি পুরুষ সিডিউস হয় না?
বোরকা পরা নারী কি তার কোমর ও পেছনের অংশ লুকাতে পারে?
মানুষ জন্মগতভাবেই বিপরীত বস্তুর দিকে আকর্ষিত হবে । এটাই হচ্ছে মানবশরীরের হিউম্যান সাইন্স। মানুষের শরীর একটি বায়োলজিক্যাল বিষয়। পুরুষ ও নারীর উভয়ের শরীরের হরমোন থেকে যৌন আকাঙ্ক্ষা সৃষ্টি হয়। যৌন আকাঙ্ক্ষা সৃষ্টি হলে পুরুষটি যদি অপরাধী না হয় , নারী কেন অপরাধী হবে ?
মানুষের যৌন আকর্ষণের মূল কেন্দ্র হচ্ছে মানুষের মস্তিষ্ক। পুরুষের মস্তিস্কে যৌন অনুভূতি জাগলে নারীর কি মস্তিষ্ক নাই?
নারী ও পুরুষকে একই মস্তিষ্ক দিয়ে তৈরি করা হয়েছে।সেক্স কারো বেশি , কারো কম ‌।এর মানে এই নয় যে , শুধু পুরুষের শরীর থেকে যৌন হরমোন নিঃসরণ হয়, কিন্তু নারীর ক্ষেত্রে হয় না তাই ধর্মান্ধতা ভুলে গিয়ে বায়োলজিক্যাল সাইন্সকে গ্রহণ করুন।
ডোপামিন , অক্সিটোসিন , সেরোটোনিন , টেস্টোস্টেরন , ইস্ট্রোজেন ও প্রজেস্টেরন হরমোন নারী ও পুরুষ উভয়েই জন্মের সময় নিয়ে আসে।তাই যৌনি ও স্তন নিয়ে জন্ম নেওয়ার জন্য নারীকে একঘরে করে রাখা , তার স্বাভাবিক চাহিদার মূল্য না দেয়া , প্রচন্ড গরমের মধ্যে তাকে বোরকা পরিয়ে রাখা এসব কতটুকু যুক্তিসঙ্গত?
পৃথিবীর প্রতিটি মানুষ তথা নারী ও পুরুষ একটা সেক্সুয়াল ফ্যান্টাসির মধ্যে দিয়ে এই পৃথিবীতে ভ্রমণ করছে। শারীরিক উত্তেজনা পুরুষের যেমন হয় , নারীদেরও হয়।এসব লুকানোর কিছুই নেই। এগুলো হাজার হাজার বছর ধরে মানবজাতির বায়োলজিক্যাল ও সাইকোলজিক্যাল কজ বা মনস্তাত্ত্বিক কারণ। মানুষের জন্মের সময় এই মস্তিষ্ক নিয়ে পৃথিবীতে এসেছে।নারী ও পুরুষ একে অপরের প্রতি আকর্ষণ বোধ করেছে।এসব অন্যায় কিছুই নয়। মনোবিজ্ঞানী সিগমুন্ড ফ্রয়েড এসবকে আনকনশাস মাইন্ড বা অবচেতন মনের ডিজায়ার বা স্বপ্ন বলে উল্লেখ করেছেন। পৃথিবীর ৮০০ কোটি মানুষের মধ্যেই এই যৌন অনুভূতি হয়। এসব লুকানোর কিছু নেই।এই সবকিছু মানুষের শরীরের একটা ক্রিয়া ও প্রতিক্রিয়া।
পৃথিবীতে মানুষ হয়ে জন্ম নিয়ে একজন নারী ও পুরুষ একে অপরের সাথে রিলেশনশিপে জড়িয়ে যেতে পারে। এটা শরীর ও মন উভয় ক্ষেত্রেই হতে পারে।এসব দোষের কিছু নয়। একজন নারী একজন পুরুষের বন্ধু হতে পারে , কলিগ হতে পারে , শুভাকাঙ্ক্ষীও হতে পারে।এসব অপরাধ নয়। অপরাধ হচ্ছে যখন আপনারা একজন মানুষের ইমোশন ও বিশ্বাসের সাথে প্রতারণা করেন। অপরাধ হচ্ছে : একজন নারীকে তার প্রাপ্য সম্মান বঞ্চিত করে সামাজিক ব্লাকমেইল করা। ডিপ ফেক অডিও ও ভিডিও তৈরি করে একজন নারীর মানসিক কষ্টের কারণ হওয়া।
যৌনতা বা সেক্সকে ট্যাবু বানিয়েছেন আপনারা। মসজিদ/ মন্দিরে গিয়ে যদি মানুষ পাপ কাজ থেকে দূরে থাকতো , শয়তান থেকে দূরে থাকতো , তবে ৪ বছরের আছিয়াকে কেন ধর্ষণ করে মসজিদের ইমাম?
বাংলাদেশের মসজিদ ও মাদ্রাসায় এত এত বোরকা পরার পরও কেন আমাদের কন্যা ও শিশু সন্তানরা ধর্ষণ ও বলোতকার হচ্ছে।
ধর্ষক আপনার মগজে বাস করে। আপনার মতো লিঙ্গ পৃথিবীর আরও ৪০০ কোটি পুরুষের আছে। সবাই আপনাদের মতো ধর্ষক ও বিকৃত রুচির মানুষ নয়। যে মানুষটির নারী দেখলেই লিঙ্গ দাঁড়িয়ে যায় সে তার মা ও বোনের স্তন ও যৌনি দেখেও পশু হয়ে যাবে। তাদের নুনুভুতি নিয়ন্ত্রণ না করে নারীদের পোশাক নিয়ন্ত্রণ করার ফতোয়া দেন হুজুর শেষে। ( থাপড়ায়ে দাঁত ফেলে দিবো।)
আমাদের সমাজকে ধর্ষক , নষ্ট , অসভ্য ও ইতরের সমাজ বানিয়েছে এসব ধর্মব্যবসায়ী ভণ্ডরা।
যৌনতা নারী ও পুরুষের একটি স্বাভাবিক বিষয়। এখানে পোশাক সম্পূর্ণ অপশোনাল বিষয়। সমস্যা পুরুষের মগজে। এদের মগজ ও অন্ডকোষের চিকিৎসার জন্য দেশে কার্যকর আইনের অভাব বলেই আমাদের ছোট ছোট শিশুরা ধর্ষিত হচ্ছে। মানুষের শরীরকে নিয়ন্ত্রণ করে তার মন। মন পবিত্র ও সুন্দর থাকলে পৃথিবীর কোন পুরুষের পক্ষেই কোন নারীকে ধর্ষণ করা সম্ভব নয়। তাই ভণ্ড হুজুরদের পক্ষ নিয়ে কেউ কথা বললেই তাকে জুতায়ে দিবেন। এটাই মানসিক রোগীদের এই দেশে একমাত্র চিকিৎসা।
পোশাক মানুষের শরীরের একটা অংশ। পোশাক মানুষকে কোনদিনও নিয়ন্ত্রণ করে না । মানুষকে নিয়ন্ত্রণ করে তার ব্রেইন।তাই কারো মস্তিষ্ক যৌনরোগী হয়ে গেলে মসজিদ ও মন্দির কিছুই আর তার কাছে নিরাপদ নয়। যেসব ভণ্ড হুজুর পোশাকের দোহাই দিয়ে ধর্ষণ ও সিডিউসের গল্পের ফাঁদ পাতে এই জগতে এরাই হচ্ছে সবচেয়ে বড় লু…..। এদের মতো বদমাশ আর কেউই নেই।
মানুষ আজকাল মোবাইল সেক্সটিং বা ডার্টি টক এর সাথে পরিচয় হয়েছে।লং ডিসটেন্স রিলেশনশিপের কারণে অনেকসময় এমন হয়। নিজের আকাঙ্ক্ষিত মানুষকে শরীর ও মনের কাছে পেতে মানুষ এমন করে। পারস্পরিক সম্মতিতে সেক্সটিং বা ডার্ক ডেটিং কোন সমস্যা নয়। এসব মানুষের মস্তিষ্কের একটা ক্রিয়া ও প্রতিক্রিয়া। কিন্তু কারো ইচ্ছের বিরুদ্ধে এসব করা একটি সামাজিক অপরাধ। এটি মনুষ্যত্ব ও নৈতিক মূল্যবোধের অবক্ষয় ছাড়া আর কিছুই নয়। রাস্তায় একটা মেয়েকে দেখলেই আপনি তাকে বিরক্ত করতে পারেন না। ঠিক অনলাইনে কোন মানুষকে বিরক্ত করা একটা সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় অপরাধ। এদের চিকিৎসা হচ্ছে অন্ডকোষ থেঁতলে দেওয়া অর্থাৎ যেমন কুকুর তেমন মুগুর।
সেক্স ডেটিং বা যৌন মিলনের আকঙ্খায় কেউ কারো শরীরের বোরকা , লেহেঙ্গা ধর্মীয় পোশাক হিন্দু ও মুসলমান দেখেনা। অর্থাৎ মানুষ জন্মগতভাবেই উলঙ্গ। পোশাক মানুষের শরীর ডাকতে পারে , ব্রেইন বা মস্তিষ্ক নয়। এটা কোনদিন সম্ভবও নয়।
মানুষের কান হচ্ছে তার শরীরের সবচেয়ে সংবেদনশীল অংশ। কানটা শুধু গান , আবৃত্তি , সাহিত্য ও ভালোবাসার কথা শোনার জন্য নয়। মাঝে মাঝে সে তার প্রিয় মানুষটিকে এই কানের খুব কাছে পেতে চায় । এটা কোন অপরাধ নয়।তবে অবশ্যই এক্ষেত্রে সবাইকে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। অর্থাৎ ( Dos and don’ts) এই বিষয়গুলো বুঝতে হবে। আপনার সাময়িক শারীরিক আনন্দ যেন কোন মানুষের কষ্টের কারণ না হয়।এতে যাতে কারো প্রাইভেসি লঙ্গিত না হয়।একটি নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে প্রিয় মানুষটিকে আপনি কাছে ডাকতে পারেন। এরজন্য অবশ্যই তার আস্থা ও বিশ্বাস অর্জন করতে হবে আপনাকে।এক্সপ্লিসিট না হয়ে ধীরে ধীরে শুরু করুন।সঙ্গীর মানসিক অবস্থা বুঝার চেষ্টা করুন। তার শারীরিক ক্রিয়াকলাপ দেখে ধীরে সুস্থে মানুষের মত বিশ্বাস দিয়ে তাকে বুকে জড়িয়ে নিন। তখন দেখবেন সেক্স একটি আর্ট । নিজের রং তুলির আঁচড়ে সেই পেইন্টকে যতোটা ফুটিয়ে তুলতে পারবেন আপনি ততোটা স্বার্থক। বনের পশু না হয়ে কারো হৃদয়ের আর্টিস্ট হতে শিখুন। তবে দেখবেন , পৃথিবীর আর কোন নারী ও পুরুষকে আপনার ভালো লাগছে না। পৃথিবীতে নিজেদের এই জগৎটাই সবচেয়ে অদ্ভুত সুন্দর।
পোশাক একজন নারীর ব্যাক্তিত্ব ও রুচিবোধের পরিচয়। কিন্তু আমাদের দেশে শেষ বয়সের নায়িকাদের মতো নারীদের ভিমরতি হয়। পুরুষ যেমন মসজিদের ইমাম হয়েও তার _নু কে কন্ট্রোল করতে শিখেনি , ঠিক তেমনি শেষ বয়সে নিজেদের ঈশ্বরের একনিষ্ঠ ভক্ত বানিয়ে ফেলার এই তরিকা ভণ্ড হুজুরদের মতো ভণ্ড নারীরাও শিখে গেছে। এজন্যই আমার চাচাতো ভাই কামাল এদেরকে দেখে বলতো,
” বোরকার তলে সব হচ্ছে শয়তান” ।
মানুষ মূলত নিজেদের কুকর্ম ঢাকার জন্য বিভিন্ন পোশাক পরিধান করে। পোশাকের আড়ালে এরা কুকর্ম করে। কিন্তু সত্য কি আদৌ কোনদিন চাপা থাকে?
দেশের ১৩ থেকে ১৪ লাখ পতিতাদের কাছে যারা যায় এরা কেউ দরবেশ ও জিন্দা অলী নয়। এরাই আপনার পিতা , স্বামী, ভাই অথবা প্রতিবেশী। এই সমাজ ও রাষ্ট্রে সবাই এক একটা ভণ্ডামির মুখোশ পরে ঘুরে বেড়াচ্ছে। মানুষের এই ভণ্ডামির মুখোশ পুরো খুলে ফেলতে হবে।এই সমাজে বেশীরভাগ মানুষই মানুষের চেহারার আড়ালে এক একটা মুখোশ। এরা সামনে হুজুর , দরবেশ ও সাদা শকুন হয়ে ঘুরে বেড়ায় , ভেতরে সবার সদরঘাট।তাই সমাজ ও রাষ্ট্র ঠিক করতে হলে ভিমরতি ধরা মোল্লা থেকে শুরু করে শেষ বয়সের ববিতা , শাবানা সবার মুখোশ খুলে ফেলতে হবে।তবেই কেবল এই নষ্ট সমাজ ও রাষ্ট্রকে বাঁচানো সম্ভব।
বোরকা না পরলে কেউ পতিতা হয়ে যায় না। হুজুর/ মোল্লার মতো পাঞ্জাবি ও টুপি না পরলেও কোন পুরুষ অসভ্য হয়ে যায় না। প্রতিটি মানুষের মানসিক সুস্থতা ও নোংরামি সব তার মস্তিষ্কে। এই মস্তিস্কের যৌন রোগ সারিয়ে ফেলতে পারলে তবেই আপনি মানুষ। তখন আপনিও নারীদের যৌনি ও স্তনকে সম্মান করতে শিখে যাবেন। নারীর এই যোনি ছাড়া আপনি/ আমি পৃথিবীতে আসিনি। তাই নারীদের যৌনি হচ্ছে মা বা মাতৃত্ব।এটাকে যত সম্মান করবেন ততই মানুষ হতে শিখবেন। নারীর স্তনের দুধ খেয়েই আপনি / আপনারা বড় হয়েছেন। তাই নিজের আদরের কন্যা সন্তান ও বোনদের পরিপূর্ণ মর্যাদা ও সম্মান দিন।এরাই আমাদের আগামীর ভবিষ্যৎ জন্ম দিবে। ওদের সম্মান দেওয়ার রীতি চালু করেন সমাজে।নারীর পোশাক , নারীর শিক্ষা ও নারীর কর্মকে সম্মান করুন। এই নারীরাও কোন পিতার আদরের রাজকন্যা , কোন ভাইয়ের আদরের টুকরো অথবা কোন প্রেমিকের দীর্ঘদিনের বুকে লালন করা স্বপ্ন। মানুষের স্বপ্ন , ইচ্ছা ও স্বাধীনতাকে মূল্যায়ন ও সম্মান দিতে শিখুন। মানুষ হয়ে জন্ম নিয়ে নারী ও পুরুষের ভেদাভেদ না করে মানুষ হতে শিখুন।
মনূষ্যত্ববোধ , মানবিকতা , নৈতিক ও পারিবারিক শিক্ষা থাকলে আপনি/ আপনারা কোনদিনও ধর্ষক হবেন না। তাই ধর্ষক ও যৌনরোগী না হয়ে সুপুরুষ হন। নারীদের হৃদয়ের আর্টিস্ট হোন। ভালোবাসার মানুষের পেইন্ট করুন যত্ন ও ভালোবাসায়। ভালোবাসা শ্রদ্ধা ও সম্মানে বাঁচে। একে অপরকে যতটুকু সম্মান দিতে শিখবেন ততটুকুই ফেরত পাবেন।
” নারীদের হাসি , মুখ , চোখ , পোশাক , ইচ্ছা , স্বপ্ন, কর্ম , যৌনতা ও মনের স্বাধীনতাকে ঘৃণা নয় , সম্মান দিতে শিখুন।”
সত্য সবসময় সুন্দর
ক্যাকটাস ফিঞ্চ ডায়েরি
৭-০৭-২০২৬
মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এলেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।
Sohel Khan 

========================
অশ্লীলভাবে এত কিছু যে বললেন নাম প্রকাশ না করে, এতে কি Rape কমাতে পারবেন? আপনার আগেও এসব বা তার চেয়েও নানা খারাপ কথা বা নৈতিক ও মানবিক কথা অনেকেই বলেছে। ফাইন্যালি রেজাল্ট শূণ্য। একবারও তো বললেন না অনলাইন পর্নোগ্রাফি বন্ধ করা হোক (এটা বন্ধ করার সিস্টেম আছে)। আরো বাস্তবসম্মত বহু পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। সুপারিশও তো করতে পারলেন না। আমার এ সংক্রান্ত বহু লেখা ও রীল আছে, যা সরকারকেও ইনফ্লুয়েন্স করেছে। মেয়েরা পশ্চিমাদের মতো হাফ নেকেড ড্রেস পরে ঘুরলে কি Rape কমে যাবে। ওখানে Rape সবচেয়ে বেশি। এসব ড্রেস একমাত্র কারণ নয়, কিন্তু অনেকগুলো কারণের একটি। আরো বহু কারণ আছে। শিশুদের Rape – এর যুক্তি দেখালেন ওয়েস্টার্ন ড্রেস পরছে যারা, তাহলে শিশুরা কেন Rape হচ্ছে? বালখিল্য লজিক। এর অন্যতম কারণ হলো Child pornography আর শিশুরা নিরীহ ও কোন কিছু বলতে পারে না। আপনারা গার্ডিয়ানরা শিশুদের একা ছাড়ছেন কেন? সরকার বা কোন এনজিও Awareness create করছে না কেন? Rapist-দের রাজনৈতিক শেলটার দিচ্ছেন কেন? কঠোর আইন প্রয়োগ করছেন না কেন?
এরকম বহু কিছু আপনারা বলেন নাই। আমার রীলগুলো দেখতে চান, এ সংক্রান্ত। নারী সংস্থা ও নারী আন্দোলনকারীরাও আমার মতো এত খুবই কার্যকর ও বাস্তবসম্মত সাজেশন দিতে পারেনি।
আপনাদের লেখার মূল উদ্দেশ্য Rape বন্দ করা নয়, বরং আমি যা খুশি ড্রেস পরবো, তোমরা পুরো সমাজ আমাকে শ্রদ্ধায় পূজা করবা। বলেন সবাইকে। দেখেন করে কিনা। সমাজের নৈতিক যে বিষয়গুলো শত শত বছর ধরে গড়ে উঠেছে, দেখেন তো এসব বলে সেসব আমূল পরিবর্তন করতে পারেন কিনা? নিজের যা খুশি কাপড় পরাটাকে প্রাকারান্তরে জায়েজ করার চেষ্টা করেছেন।
  1. মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।
জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

পৃথিবীর ৪০০ কোটি নারী তার স্তন ও যৌনি লুকাতে পারেন ?

প্রকাশের সময় : ১২:৩৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬

 
বই বাংলো থার্ড আই 
পৃথিবীর ৪০০ কোটি এর অধিক নারী প্রকৃতি তথা জন্মগতভাবেই স্তন , যৌনি ও নারীর স্বাভাবিক আকৃতি নিয়ে পৃথিবীতে জন্মগ্রহণ করেছেন।
কোন নারী যদি শেষ বয়সে এসে ধর্মীয় ভণ্ডামি শুরু করেন এটা তার নিজস্ব বিষয় তথা স্বাধীনতা। কিন্তু বোরকা পরে একজন নারী তার স্তন ও যৌনি লুকাতে পারেন ?
বোরকা পরা নারীর স্তন দেখে কি পুরুষ সিডিউস হয় না?
বোরকা পরা নারী কি তার কোমর ও পেছনের অংশ লুকাতে পারে?
মানুষ জন্মগতভাবেই বিপরীত বস্তুর দিকে আকর্ষিত হবে । এটাই হচ্ছে মানবশরীরের হিউম্যান সাইন্স। মানুষের শরীর একটি বায়োলজিক্যাল বিষয়। পুরুষ ও নারীর উভয়ের শরীরের হরমোন থেকে যৌন আকাঙ্ক্ষা সৃষ্টি হয়। যৌন আকাঙ্ক্ষা সৃষ্টি হলে পুরুষটি যদি অপরাধী না হয় , নারী কেন অপরাধী হবে ?
মানুষের যৌন আকর্ষণের মূল কেন্দ্র হচ্ছে মানুষের মস্তিষ্ক। পুরুষের মস্তিস্কে যৌন অনুভূতি জাগলে নারীর কি মস্তিষ্ক নাই?
নারী ও পুরুষকে একই মস্তিষ্ক দিয়ে তৈরি করা হয়েছে।সেক্স কারো বেশি , কারো কম ‌।এর মানে এই নয় যে , শুধু পুরুষের শরীর থেকে যৌন হরমোন নিঃসরণ হয়, কিন্তু নারীর ক্ষেত্রে হয় না তাই ধর্মান্ধতা ভুলে গিয়ে বায়োলজিক্যাল সাইন্সকে গ্রহণ করুন।
ডোপামিন , অক্সিটোসিন , সেরোটোনিন , টেস্টোস্টেরন , ইস্ট্রোজেন ও প্রজেস্টেরন হরমোন নারী ও পুরুষ উভয়েই জন্মের সময় নিয়ে আসে।তাই যৌনি ও স্তন নিয়ে জন্ম নেওয়ার জন্য নারীকে একঘরে করে রাখা , তার স্বাভাবিক চাহিদার মূল্য না দেয়া , প্রচন্ড গরমের মধ্যে তাকে বোরকা পরিয়ে রাখা এসব কতটুকু যুক্তিসঙ্গত?
পৃথিবীর প্রতিটি মানুষ তথা নারী ও পুরুষ একটা সেক্সুয়াল ফ্যান্টাসির মধ্যে দিয়ে এই পৃথিবীতে ভ্রমণ করছে। শারীরিক উত্তেজনা পুরুষের যেমন হয় , নারীদেরও হয়।এসব লুকানোর কিছুই নেই। এগুলো হাজার হাজার বছর ধরে মানবজাতির বায়োলজিক্যাল ও সাইকোলজিক্যাল কজ বা মনস্তাত্ত্বিক কারণ। মানুষের জন্মের সময় এই মস্তিষ্ক নিয়ে পৃথিবীতে এসেছে।নারী ও পুরুষ একে অপরের প্রতি আকর্ষণ বোধ করেছে।এসব অন্যায় কিছুই নয়। মনোবিজ্ঞানী সিগমুন্ড ফ্রয়েড এসবকে আনকনশাস মাইন্ড বা অবচেতন মনের ডিজায়ার বা স্বপ্ন বলে উল্লেখ করেছেন। পৃথিবীর ৮০০ কোটি মানুষের মধ্যেই এই যৌন অনুভূতি হয়। এসব লুকানোর কিছু নেই।এই সবকিছু মানুষের শরীরের একটা ক্রিয়া ও প্রতিক্রিয়া।
পৃথিবীতে মানুষ হয়ে জন্ম নিয়ে একজন নারী ও পুরুষ একে অপরের সাথে রিলেশনশিপে জড়িয়ে যেতে পারে। এটা শরীর ও মন উভয় ক্ষেত্রেই হতে পারে।এসব দোষের কিছু নয়। একজন নারী একজন পুরুষের বন্ধু হতে পারে , কলিগ হতে পারে , শুভাকাঙ্ক্ষীও হতে পারে।এসব অপরাধ নয়। অপরাধ হচ্ছে যখন আপনারা একজন মানুষের ইমোশন ও বিশ্বাসের সাথে প্রতারণা করেন। অপরাধ হচ্ছে : একজন নারীকে তার প্রাপ্য সম্মান বঞ্চিত করে সামাজিক ব্লাকমেইল করা। ডিপ ফেক অডিও ও ভিডিও তৈরি করে একজন নারীর মানসিক কষ্টের কারণ হওয়া।
যৌনতা বা সেক্সকে ট্যাবু বানিয়েছেন আপনারা। মসজিদ/ মন্দিরে গিয়ে যদি মানুষ পাপ কাজ থেকে দূরে থাকতো , শয়তান থেকে দূরে থাকতো , তবে ৪ বছরের আছিয়াকে কেন ধর্ষণ করে মসজিদের ইমাম?
বাংলাদেশের মসজিদ ও মাদ্রাসায় এত এত বোরকা পরার পরও কেন আমাদের কন্যা ও শিশু সন্তানরা ধর্ষণ ও বলোতকার হচ্ছে।
ধর্ষক আপনার মগজে বাস করে। আপনার মতো লিঙ্গ পৃথিবীর আরও ৪০০ কোটি পুরুষের আছে। সবাই আপনাদের মতো ধর্ষক ও বিকৃত রুচির মানুষ নয়। যে মানুষটির নারী দেখলেই লিঙ্গ দাঁড়িয়ে যায় সে তার মা ও বোনের স্তন ও যৌনি দেখেও পশু হয়ে যাবে। তাদের নুনুভুতি নিয়ন্ত্রণ না করে নারীদের পোশাক নিয়ন্ত্রণ করার ফতোয়া দেন হুজুর শেষে। ( থাপড়ায়ে দাঁত ফেলে দিবো।)
আমাদের সমাজকে ধর্ষক , নষ্ট , অসভ্য ও ইতরের সমাজ বানিয়েছে এসব ধর্মব্যবসায়ী ভণ্ডরা।
যৌনতা নারী ও পুরুষের একটি স্বাভাবিক বিষয়। এখানে পোশাক সম্পূর্ণ অপশোনাল বিষয়। সমস্যা পুরুষের মগজে। এদের মগজ ও অন্ডকোষের চিকিৎসার জন্য দেশে কার্যকর আইনের অভাব বলেই আমাদের ছোট ছোট শিশুরা ধর্ষিত হচ্ছে। মানুষের শরীরকে নিয়ন্ত্রণ করে তার মন। মন পবিত্র ও সুন্দর থাকলে পৃথিবীর কোন পুরুষের পক্ষেই কোন নারীকে ধর্ষণ করা সম্ভব নয়। তাই ভণ্ড হুজুরদের পক্ষ নিয়ে কেউ কথা বললেই তাকে জুতায়ে দিবেন। এটাই মানসিক রোগীদের এই দেশে একমাত্র চিকিৎসা।
পোশাক মানুষের শরীরের একটা অংশ। পোশাক মানুষকে কোনদিনও নিয়ন্ত্রণ করে না । মানুষকে নিয়ন্ত্রণ করে তার ব্রেইন।তাই কারো মস্তিষ্ক যৌনরোগী হয়ে গেলে মসজিদ ও মন্দির কিছুই আর তার কাছে নিরাপদ নয়। যেসব ভণ্ড হুজুর পোশাকের দোহাই দিয়ে ধর্ষণ ও সিডিউসের গল্পের ফাঁদ পাতে এই জগতে এরাই হচ্ছে সবচেয়ে বড় লু…..। এদের মতো বদমাশ আর কেউই নেই।
মানুষ আজকাল মোবাইল সেক্সটিং বা ডার্টি টক এর সাথে পরিচয় হয়েছে।লং ডিসটেন্স রিলেশনশিপের কারণে অনেকসময় এমন হয়। নিজের আকাঙ্ক্ষিত মানুষকে শরীর ও মনের কাছে পেতে মানুষ এমন করে। পারস্পরিক সম্মতিতে সেক্সটিং বা ডার্ক ডেটিং কোন সমস্যা নয়। এসব মানুষের মস্তিষ্কের একটা ক্রিয়া ও প্রতিক্রিয়া। কিন্তু কারো ইচ্ছের বিরুদ্ধে এসব করা একটি সামাজিক অপরাধ। এটি মনুষ্যত্ব ও নৈতিক মূল্যবোধের অবক্ষয় ছাড়া আর কিছুই নয়। রাস্তায় একটা মেয়েকে দেখলেই আপনি তাকে বিরক্ত করতে পারেন না। ঠিক অনলাইনে কোন মানুষকে বিরক্ত করা একটা সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় অপরাধ। এদের চিকিৎসা হচ্ছে অন্ডকোষ থেঁতলে দেওয়া অর্থাৎ যেমন কুকুর তেমন মুগুর।
সেক্স ডেটিং বা যৌন মিলনের আকঙ্খায় কেউ কারো শরীরের বোরকা , লেহেঙ্গা ধর্মীয় পোশাক হিন্দু ও মুসলমান দেখেনা। অর্থাৎ মানুষ জন্মগতভাবেই উলঙ্গ। পোশাক মানুষের শরীর ডাকতে পারে , ব্রেইন বা মস্তিষ্ক নয়। এটা কোনদিন সম্ভবও নয়।
মানুষের কান হচ্ছে তার শরীরের সবচেয়ে সংবেদনশীল অংশ। কানটা শুধু গান , আবৃত্তি , সাহিত্য ও ভালোবাসার কথা শোনার জন্য নয়। মাঝে মাঝে সে তার প্রিয় মানুষটিকে এই কানের খুব কাছে পেতে চায় । এটা কোন অপরাধ নয়।তবে অবশ্যই এক্ষেত্রে সবাইকে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। অর্থাৎ ( Dos and don’ts) এই বিষয়গুলো বুঝতে হবে। আপনার সাময়িক শারীরিক আনন্দ যেন কোন মানুষের কষ্টের কারণ না হয়।এতে যাতে কারো প্রাইভেসি লঙ্গিত না হয়।একটি নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে প্রিয় মানুষটিকে আপনি কাছে ডাকতে পারেন। এরজন্য অবশ্যই তার আস্থা ও বিশ্বাস অর্জন করতে হবে আপনাকে।এক্সপ্লিসিট না হয়ে ধীরে ধীরে শুরু করুন।সঙ্গীর মানসিক অবস্থা বুঝার চেষ্টা করুন। তার শারীরিক ক্রিয়াকলাপ দেখে ধীরে সুস্থে মানুষের মত বিশ্বাস দিয়ে তাকে বুকে জড়িয়ে নিন। তখন দেখবেন সেক্স একটি আর্ট । নিজের রং তুলির আঁচড়ে সেই পেইন্টকে যতোটা ফুটিয়ে তুলতে পারবেন আপনি ততোটা স্বার্থক। বনের পশু না হয়ে কারো হৃদয়ের আর্টিস্ট হতে শিখুন। তবে দেখবেন , পৃথিবীর আর কোন নারী ও পুরুষকে আপনার ভালো লাগছে না। পৃথিবীতে নিজেদের এই জগৎটাই সবচেয়ে অদ্ভুত সুন্দর।
পোশাক একজন নারীর ব্যাক্তিত্ব ও রুচিবোধের পরিচয়। কিন্তু আমাদের দেশে শেষ বয়সের নায়িকাদের মতো নারীদের ভিমরতি হয়। পুরুষ যেমন মসজিদের ইমাম হয়েও তার _নু কে কন্ট্রোল করতে শিখেনি , ঠিক তেমনি শেষ বয়সে নিজেদের ঈশ্বরের একনিষ্ঠ ভক্ত বানিয়ে ফেলার এই তরিকা ভণ্ড হুজুরদের মতো ভণ্ড নারীরাও শিখে গেছে। এজন্যই আমার চাচাতো ভাই কামাল এদেরকে দেখে বলতো,
” বোরকার তলে সব হচ্ছে শয়তান” ।
মানুষ মূলত নিজেদের কুকর্ম ঢাকার জন্য বিভিন্ন পোশাক পরিধান করে। পোশাকের আড়ালে এরা কুকর্ম করে। কিন্তু সত্য কি আদৌ কোনদিন চাপা থাকে?
দেশের ১৩ থেকে ১৪ লাখ পতিতাদের কাছে যারা যায় এরা কেউ দরবেশ ও জিন্দা অলী নয়। এরাই আপনার পিতা , স্বামী, ভাই অথবা প্রতিবেশী। এই সমাজ ও রাষ্ট্রে সবাই এক একটা ভণ্ডামির মুখোশ পরে ঘুরে বেড়াচ্ছে। মানুষের এই ভণ্ডামির মুখোশ পুরো খুলে ফেলতে হবে।এই সমাজে বেশীরভাগ মানুষই মানুষের চেহারার আড়ালে এক একটা মুখোশ। এরা সামনে হুজুর , দরবেশ ও সাদা শকুন হয়ে ঘুরে বেড়ায় , ভেতরে সবার সদরঘাট।তাই সমাজ ও রাষ্ট্র ঠিক করতে হলে ভিমরতি ধরা মোল্লা থেকে শুরু করে শেষ বয়সের ববিতা , শাবানা সবার মুখোশ খুলে ফেলতে হবে।তবেই কেবল এই নষ্ট সমাজ ও রাষ্ট্রকে বাঁচানো সম্ভব।
বোরকা না পরলে কেউ পতিতা হয়ে যায় না। হুজুর/ মোল্লার মতো পাঞ্জাবি ও টুপি না পরলেও কোন পুরুষ অসভ্য হয়ে যায় না। প্রতিটি মানুষের মানসিক সুস্থতা ও নোংরামি সব তার মস্তিষ্কে। এই মস্তিস্কের যৌন রোগ সারিয়ে ফেলতে পারলে তবেই আপনি মানুষ। তখন আপনিও নারীদের যৌনি ও স্তনকে সম্মান করতে শিখে যাবেন। নারীর এই যোনি ছাড়া আপনি/ আমি পৃথিবীতে আসিনি। তাই নারীদের যৌনি হচ্ছে মা বা মাতৃত্ব।এটাকে যত সম্মান করবেন ততই মানুষ হতে শিখবেন। নারীর স্তনের দুধ খেয়েই আপনি / আপনারা বড় হয়েছেন। তাই নিজের আদরের কন্যা সন্তান ও বোনদের পরিপূর্ণ মর্যাদা ও সম্মান দিন।এরাই আমাদের আগামীর ভবিষ্যৎ জন্ম দিবে। ওদের সম্মান দেওয়ার রীতি চালু করেন সমাজে।নারীর পোশাক , নারীর শিক্ষা ও নারীর কর্মকে সম্মান করুন। এই নারীরাও কোন পিতার আদরের রাজকন্যা , কোন ভাইয়ের আদরের টুকরো অথবা কোন প্রেমিকের দীর্ঘদিনের বুকে লালন করা স্বপ্ন। মানুষের স্বপ্ন , ইচ্ছা ও স্বাধীনতাকে মূল্যায়ন ও সম্মান দিতে শিখুন। মানুষ হয়ে জন্ম নিয়ে নারী ও পুরুষের ভেদাভেদ না করে মানুষ হতে শিখুন।
মনূষ্যত্ববোধ , মানবিকতা , নৈতিক ও পারিবারিক শিক্ষা থাকলে আপনি/ আপনারা কোনদিনও ধর্ষক হবেন না। তাই ধর্ষক ও যৌনরোগী না হয়ে সুপুরুষ হন। নারীদের হৃদয়ের আর্টিস্ট হোন। ভালোবাসার মানুষের পেইন্ট করুন যত্ন ও ভালোবাসায়। ভালোবাসা শ্রদ্ধা ও সম্মানে বাঁচে। একে অপরকে যতটুকু সম্মান দিতে শিখবেন ততটুকুই ফেরত পাবেন।
” নারীদের হাসি , মুখ , চোখ , পোশাক , ইচ্ছা , স্বপ্ন, কর্ম , যৌনতা ও মনের স্বাধীনতাকে ঘৃণা নয় , সম্মান দিতে শিখুন।”
সত্য সবসময় সুন্দর
ক্যাকটাস ফিঞ্চ ডায়েরি
৭-০৭-২০২৬
মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এলেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।
Sohel Khan 

========================
অশ্লীলভাবে এত কিছু যে বললেন নাম প্রকাশ না করে, এতে কি Rape কমাতে পারবেন? আপনার আগেও এসব বা তার চেয়েও নানা খারাপ কথা বা নৈতিক ও মানবিক কথা অনেকেই বলেছে। ফাইন্যালি রেজাল্ট শূণ্য। একবারও তো বললেন না অনলাইন পর্নোগ্রাফি বন্ধ করা হোক (এটা বন্ধ করার সিস্টেম আছে)। আরো বাস্তবসম্মত বহু পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। সুপারিশও তো করতে পারলেন না। আমার এ সংক্রান্ত বহু লেখা ও রীল আছে, যা সরকারকেও ইনফ্লুয়েন্স করেছে। মেয়েরা পশ্চিমাদের মতো হাফ নেকেড ড্রেস পরে ঘুরলে কি Rape কমে যাবে। ওখানে Rape সবচেয়ে বেশি। এসব ড্রেস একমাত্র কারণ নয়, কিন্তু অনেকগুলো কারণের একটি। আরো বহু কারণ আছে। শিশুদের Rape – এর যুক্তি দেখালেন ওয়েস্টার্ন ড্রেস পরছে যারা, তাহলে শিশুরা কেন Rape হচ্ছে? বালখিল্য লজিক। এর অন্যতম কারণ হলো Child pornography আর শিশুরা নিরীহ ও কোন কিছু বলতে পারে না। আপনারা গার্ডিয়ানরা শিশুদের একা ছাড়ছেন কেন? সরকার বা কোন এনজিও Awareness create করছে না কেন? Rapist-দের রাজনৈতিক শেলটার দিচ্ছেন কেন? কঠোর আইন প্রয়োগ করছেন না কেন?
এরকম বহু কিছু আপনারা বলেন নাই। আমার রীলগুলো দেখতে চান, এ সংক্রান্ত। নারী সংস্থা ও নারী আন্দোলনকারীরাও আমার মতো এত খুবই কার্যকর ও বাস্তবসম্মত সাজেশন দিতে পারেনি।
আপনাদের লেখার মূল উদ্দেশ্য Rape বন্দ করা নয়, বরং আমি যা খুশি ড্রেস পরবো, তোমরা পুরো সমাজ আমাকে শ্রদ্ধায় পূজা করবা। বলেন সবাইকে। দেখেন করে কিনা। সমাজের নৈতিক যে বিষয়গুলো শত শত বছর ধরে গড়ে উঠেছে, দেখেন তো এসব বলে সেসব আমূল পরিবর্তন করতে পারেন কিনা? নিজের যা খুশি কাপড় পরাটাকে প্রাকারান্তরে জায়েজ করার চেষ্টা করেছেন।
  1. মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।