
প্রসঙ্গত, গোলের ঠিক কতক্ষণ আগে বা কত দূরে ফাউল হয়েছে, নিয়মে তার কোনও নির্দিষ্ট সময় বা দূরত্বের সীমা বাঁধা নেই।
মোস্তফা জিকোর একটি কাঙ্ক্ষিত গোল বাতিল করেছিল ভিএআর। সেই প্রসঙ্গ টেনে ফিফার প্রধান রেফারির স্পষ্ট ব্যাখ্যা, ‘মিশরের ১৯ নম্বর জার্সিধারী মারোয়ান আতিয়া পরিষ্কারভাবে আর্জেন্তিনার ৬ নম্বর লিসান্দ্রো মার্তিনেজের পা মাড়িয়ে দেয়। আমাদের মতে ফাউল ফাউলই।’
মাঠে রেফারি যদি সেই ফাউল দেখতে না পান, ভিএআর অনায়াসে হস্তক্ষেপ করতে পারে। ফাউলটি আপাতদৃষ্টিতে খুব সাধারণ মনে হলেও নিয়ম অনুযায়ী তা এড়িয়ে যাওয়ার কোনও সুযোগ নেই। এই যুক্তিতে বাতিল হয় মিশরের গোল। রেফারি একদম নিয়ম মেনে সঠিক বাঁশি বাজান বলে জানান তিনি।
ম্যাচের একেবারে শেষ দিকে পেনাল্টি পাননি মোহাম্মদ সালাহ। এই নিয়ে সবচেয়ে বেশি ক্ষোভ দেখিয়েছে ফারাও শিবির। কিন্তু কোলিনার চোখে এই সিদ্ধান্তটিও একশো শতাংশ নির্ভুল। বিল্ড-আপে ফাউল না হলে ভিএআর রেফারিকে সেই মতোই পরামর্শ দেয় উল্লেখ করে কোলিনা বলেন, ‘বিপক্ষের কারো পায়ে মানে ফাউল। কিন্তু ডিফেন্ডার যদি আগে বল স্পর্শ করেন এবং তারপর ফুটবলের স্বাভাবিক নিয়মে শারীরিক সংস্পর্শ হয়, তবে তা ফাউল নয়।’
সালাহ এবং হুলিয়ান আলভারেজের মধ্যে ঠিক এটাই ঘটেছিল। রেফারি এবং ভিএআর একে ফুটবলের স্বাভাবিক শারীরিক লড়াই হিসেবে বিবেচনা করেছে। সিদ্ধান্তে কিছুটা ‘ব্যক্তিনিষ্ঠতা’ থাকতে পারে। কিন্তু টুর্নামেন্ট জুড়ে নিয়মের এই সমতায় ফিফা পুরোপুরি সন্তুষ্ট বলে যোগ করেন ফিফার এই প্রধান রেফারি।





















