, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

কাঁচা মরিচ কেজি ১৬০ টাকা

  • প্রকাশের সময় : ০২:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬
  • ৬০ পড়া হয়েছে
অনলাইন১০ জুলাই, ২০২৬
গত কয়েকদিন ধরে দেশজুড়েই বৃষ্টি ঝরছে। এর প্রভাব পড়েছে রাজধানীর সবজির বাজারে।
সরবরাহ কমে যাওয়ায় সপ্তাহ ব্যবধানে প্রায় সব সবজির দাম বেড়েছে। বিশেষ করে কাঁচামরিচের দাম একলাফে ৪০ টাকা বেড়েছে। এ ছাড়া ডিমের দামেও ঊর্ধ্বগতি দেখা গেছে। তবে আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে মুরগি।
বিক্রেতারা বলছেন, দেশজুড়ে টানা বৃষ্টির ফলে ক্ষেত নষ্ট হয়েছে। সেই সঙ্গে যাতায়াত ব্যবস্থায় বিঘ্ন ঘটায় ঢাকায় সবজি সরবরাহ কমেছে। ফলে বাজার কিছুটা অস্থির। ক্রেতাদের বলছেন, বৃষ্টির অজুহাতে সরবরাহ কমার কথা বলা হলেও বাজারে কোনো সবজির ঘাটতি নেই।

সব দোকানেই ভরপুর সবজি তবু বাড়তি দামে কিনতে হচ্ছে।শুক্রবার (১০ জুলাই) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, করলা ৬০ থেকে ৮০ টাকা, ঢেঁড়স ৫০ থেকে ৬০ টাকা, পটল প্রকারভেদে ৬০ থেকে ৮০ টাকা, কচুরমুখী ৮০ থেকে ১০০ টাকা, বরবটি ৬০ থেকে ৮০ টাকা, বেগুন প্রকারান্তরে কেজিতে ২০ টাকা বেড়ে ৮০ থেকে ১২০ টাকা, কচুর লতি ৮০ থেকে ১০০ টাকা, চিচিঙ্গা ৬০ টাকা, সজনে ১৬০ থেকে ২০০ টাকা এবং ধুন্দল হাইব্রিড ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এ ছাড়া পেঁপে ৫০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৪০ টাকা, দেশি শসা ১০০ টাকা এবং হাইব্রিড ৬০ টাকা, আলু ২৫ থেকে ৩০ টাকা, দেশি পেঁয়াজ ৪০ টাকা দরে বিক্রি করতে দেখা গেছে।এক হালি লেবু ১৫ থেকে ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দেশি ধনে পাতা ২৫০ টাকা এবং হাইব্রিড ধনেপাতা ১৮০ কেজি, কাঁচা কলা হালি বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়, চাল কুমড়া ৬০ টাকা পিস এবং ক্যাপসিকাম ৩৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। লাল শাকের আঁটি প্রতি ১৫ টাকা, লাউ শাক ৪০ টাকা, কলমি শাক দুই আঁটি ২০ টাকা, পুঁই শাক ৪০ টাকা এবং ডাটা শাক দুই আঁটি ৩০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।  

এসব বাজারে এক ডজন মুরগির লাল ডিম বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকায়, হাঁসের ডিম এক ডজন ১৮০ টাকায়, দেশি মুরগির ডিমের হালি ১০০ টাকা এবং সোনালি কক মুরগির ডিমের হালি ৭০ টাকা।

মুরগির বাজার ঘুরে দেখা গেছে, গত সপ্তাহের মতোই সোনালি কক মুরগি ৩৩০ টাকা এবং সোনালি হাইব্রিড মুরগি ৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। লাল লেয়ার ৩৪০ টাকা, ব্রয়লার ১৬৫ টাকা এবং দেশি মুরগি ৭০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। গরুর মাংস ৭৮০ থেকে ৮০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে এবং খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে ১৩০০ টাকা কেজি দরে।

জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

কাঁচা মরিচ কেজি ১৬০ টাকা

প্রকাশের সময় : ০২:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬
অনলাইন১০ জুলাই, ২০২৬
গত কয়েকদিন ধরে দেশজুড়েই বৃষ্টি ঝরছে। এর প্রভাব পড়েছে রাজধানীর সবজির বাজারে।
সরবরাহ কমে যাওয়ায় সপ্তাহ ব্যবধানে প্রায় সব সবজির দাম বেড়েছে। বিশেষ করে কাঁচামরিচের দাম একলাফে ৪০ টাকা বেড়েছে। এ ছাড়া ডিমের দামেও ঊর্ধ্বগতি দেখা গেছে। তবে আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে মুরগি।
বিক্রেতারা বলছেন, দেশজুড়ে টানা বৃষ্টির ফলে ক্ষেত নষ্ট হয়েছে। সেই সঙ্গে যাতায়াত ব্যবস্থায় বিঘ্ন ঘটায় ঢাকায় সবজি সরবরাহ কমেছে। ফলে বাজার কিছুটা অস্থির। ক্রেতাদের বলছেন, বৃষ্টির অজুহাতে সরবরাহ কমার কথা বলা হলেও বাজারে কোনো সবজির ঘাটতি নেই।

সব দোকানেই ভরপুর সবজি তবু বাড়তি দামে কিনতে হচ্ছে।শুক্রবার (১০ জুলাই) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, করলা ৬০ থেকে ৮০ টাকা, ঢেঁড়স ৫০ থেকে ৬০ টাকা, পটল প্রকারভেদে ৬০ থেকে ৮০ টাকা, কচুরমুখী ৮০ থেকে ১০০ টাকা, বরবটি ৬০ থেকে ৮০ টাকা, বেগুন প্রকারান্তরে কেজিতে ২০ টাকা বেড়ে ৮০ থেকে ১২০ টাকা, কচুর লতি ৮০ থেকে ১০০ টাকা, চিচিঙ্গা ৬০ টাকা, সজনে ১৬০ থেকে ২০০ টাকা এবং ধুন্দল হাইব্রিড ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এ ছাড়া পেঁপে ৫০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৪০ টাকা, দেশি শসা ১০০ টাকা এবং হাইব্রিড ৬০ টাকা, আলু ২৫ থেকে ৩০ টাকা, দেশি পেঁয়াজ ৪০ টাকা দরে বিক্রি করতে দেখা গেছে।এক হালি লেবু ১৫ থেকে ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দেশি ধনে পাতা ২৫০ টাকা এবং হাইব্রিড ধনেপাতা ১৮০ কেজি, কাঁচা কলা হালি বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়, চাল কুমড়া ৬০ টাকা পিস এবং ক্যাপসিকাম ৩৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। লাল শাকের আঁটি প্রতি ১৫ টাকা, লাউ শাক ৪০ টাকা, কলমি শাক দুই আঁটি ২০ টাকা, পুঁই শাক ৪০ টাকা এবং ডাটা শাক দুই আঁটি ৩০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।  

এসব বাজারে এক ডজন মুরগির লাল ডিম বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকায়, হাঁসের ডিম এক ডজন ১৮০ টাকায়, দেশি মুরগির ডিমের হালি ১০০ টাকা এবং সোনালি কক মুরগির ডিমের হালি ৭০ টাকা।

মুরগির বাজার ঘুরে দেখা গেছে, গত সপ্তাহের মতোই সোনালি কক মুরগি ৩৩০ টাকা এবং সোনালি হাইব্রিড মুরগি ৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। লাল লেয়ার ৩৪০ টাকা, ব্রয়লার ১৬৫ টাকা এবং দেশি মুরগি ৭০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। গরুর মাংস ৭৮০ থেকে ৮০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে এবং খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে ১৩০০ টাকা কেজি দরে।