, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ব্যারিস্টার জমিরউদ্দীন সরকার

  • প্রকাশের সময় : ৬ ঘন্টা আগে
  • ৩ পড়া হয়েছে
অনলাইন১০ জুলাই, ২০২৬
২০২২ সালের ১০ ডিসেম্বরের বিএনপির সমাবেশকে কেন্দ্র করে নয়াপল্টনে একটা ম্যাচাকার চালিয়ে মির্জা ফখরুল,মির্জা আব্বাস সহ বিএনপির অসংখ্য নেতা-কর্মীদের এরেস্ট করা হয়।
সে-ই গোলাপবাগের সমাবেশের অতিথি তালিকায় অসুস্থ ব্যারিস্টার জমিরউদ্দীন সরকারের নাম ছিলো না।
সেদিনকার ৯৩ বছর বয়সী ব্যারিস্টার জমিরউদ্দীন সরকার যখন শুনেছেন মির্জা ফখরুল,মির্জা আব্বাস এরেস্ট হয়ে গেছেন তখন এই অসুস্থ জমিরউদ্দীন সরকার হাজারো নেতাকর্মী নিয়ে ঐ ঐতিহাসিক গোলাপবাগে ছুটে গেছেন।
সেদিন তীব্র রোদ ছিলো,ব্যারিস্টার জমিরউদ্দীন সরকার এ-ই তীব্র রোদ উপেক্ষা করে সারা দিন মঞ্চে এক চেয়ারে বসে কাটিয়ে দিয়েছেন,জমিরউদ্দীন সরকার সেদিন বক্তব্য পর্যন্ত দেয় নাই।
শুনেছি সে-ই ব্যারিস্টার জমিরউদ্দীন সরকার এখন শয্যাশায়ী।বিএনপির কোথাও কাউকে এ-ই মহাবীরকে স্মরণ করতেও দেখি নাই,কোনো নেতাদের মুখে জমিরউদ্দীন সরকারের নামটাও পর্যন্ত শুনি না।
জমিরউদ্দীন সরকার সম্ভবত এখন ফুরিয়ে গেছে তাই নেতাদের এখন আর তার বাসায়ও যাওয়ার দরকার হয় না অথচ একসময় এ-ই জমিরউদ্দীন সরকারের বাসায় শীর্ষ নেতাদের লাইন লেগে থাকতো।
বাংলাদেশের রাজনীতিতে জমিরউদ্দীন সরকারের চেয়েও বেশি জিয়া পরিবারের আস্থাভাজন কেউ ছিলো কি-না আমি জানি না,সে-ই জমিরউদ্দীন সরকারও নিজের শেষটা দেখে ফেলছেন।
জমিরউদ্দীন সরকার বিএনপির প্রতিষ্ঠাতাদের একজন,বর্তমান বিএনপির ২ নং স্থায়ী কমিটির সদস্য,জিয়া পরিবারের সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ হিসেবে সবাই যাকে চিনতো।
সে-ই জমিরউদ্দীন সরকারও যদি নিজের এ-ই শেষ সময়ে এসে দল থেকে একটু অভয় কিংবা সহানুভূতি না পায় তাহলে বিএনপির একেবারে তৃনমুল নেতাকর্মীদের অবস্থা কেমন,সেটা বুঝতে অতবড় রাজনৈতিক বিশ্লেষক হওয়ার দরকার নাই।
ব্যারিস্টার জমিরউদ্দীন সরকার নামে যে বিএনপিতে এতোবড় একজন বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ আছে,যিনি কি-না প্রধানমন্ত্রী ছাড়া সবকিছুই হয়েছেন সেটা বিএনপির অনেক নেতা-কর্মীও জানে না।
ব্যারিস্টার জমিরউদ্দীন সরকার স্যার আপনি ভালো থাকুন,আল্লাহ আপনাকে ভালো রাখুক।

Ahmed Imtiaj updated his status.

 মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।

 

জনপ্রিয়

ব্যারিস্টার জমিরউদ্দীন সরকার

প্রকাশের সময় : ৬ ঘন্টা আগে
অনলাইন১০ জুলাই, ২০২৬
২০২২ সালের ১০ ডিসেম্বরের বিএনপির সমাবেশকে কেন্দ্র করে নয়াপল্টনে একটা ম্যাচাকার চালিয়ে মির্জা ফখরুল,মির্জা আব্বাস সহ বিএনপির অসংখ্য নেতা-কর্মীদের এরেস্ট করা হয়।
সে-ই গোলাপবাগের সমাবেশের অতিথি তালিকায় অসুস্থ ব্যারিস্টার জমিরউদ্দীন সরকারের নাম ছিলো না।
সেদিনকার ৯৩ বছর বয়সী ব্যারিস্টার জমিরউদ্দীন সরকার যখন শুনেছেন মির্জা ফখরুল,মির্জা আব্বাস এরেস্ট হয়ে গেছেন তখন এই অসুস্থ জমিরউদ্দীন সরকার হাজারো নেতাকর্মী নিয়ে ঐ ঐতিহাসিক গোলাপবাগে ছুটে গেছেন।
সেদিন তীব্র রোদ ছিলো,ব্যারিস্টার জমিরউদ্দীন সরকার এ-ই তীব্র রোদ উপেক্ষা করে সারা দিন মঞ্চে এক চেয়ারে বসে কাটিয়ে দিয়েছেন,জমিরউদ্দীন সরকার সেদিন বক্তব্য পর্যন্ত দেয় নাই।
শুনেছি সে-ই ব্যারিস্টার জমিরউদ্দীন সরকার এখন শয্যাশায়ী।বিএনপির কোথাও কাউকে এ-ই মহাবীরকে স্মরণ করতেও দেখি নাই,কোনো নেতাদের মুখে জমিরউদ্দীন সরকারের নামটাও পর্যন্ত শুনি না।
জমিরউদ্দীন সরকার সম্ভবত এখন ফুরিয়ে গেছে তাই নেতাদের এখন আর তার বাসায়ও যাওয়ার দরকার হয় না অথচ একসময় এ-ই জমিরউদ্দীন সরকারের বাসায় শীর্ষ নেতাদের লাইন লেগে থাকতো।
বাংলাদেশের রাজনীতিতে জমিরউদ্দীন সরকারের চেয়েও বেশি জিয়া পরিবারের আস্থাভাজন কেউ ছিলো কি-না আমি জানি না,সে-ই জমিরউদ্দীন সরকারও নিজের শেষটা দেখে ফেলছেন।
জমিরউদ্দীন সরকার বিএনপির প্রতিষ্ঠাতাদের একজন,বর্তমান বিএনপির ২ নং স্থায়ী কমিটির সদস্য,জিয়া পরিবারের সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ হিসেবে সবাই যাকে চিনতো।
সে-ই জমিরউদ্দীন সরকারও যদি নিজের এ-ই শেষ সময়ে এসে দল থেকে একটু অভয় কিংবা সহানুভূতি না পায় তাহলে বিএনপির একেবারে তৃনমুল নেতাকর্মীদের অবস্থা কেমন,সেটা বুঝতে অতবড় রাজনৈতিক বিশ্লেষক হওয়ার দরকার নাই।
ব্যারিস্টার জমিরউদ্দীন সরকার নামে যে বিএনপিতে এতোবড় একজন বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ আছে,যিনি কি-না প্রধানমন্ত্রী ছাড়া সবকিছুই হয়েছেন সেটা বিএনপির অনেক নেতা-কর্মীও জানে না।
ব্যারিস্টার জমিরউদ্দীন সরকার স্যার আপনি ভালো থাকুন,আল্লাহ আপনাকে ভালো রাখুক।

Ahmed Imtiaj updated his status.

 মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।