, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

আমি মেঘনা পাড়ের ছেলে আমি মেঘনা নদীর নেয়ে –

  • প্রকাশের সময় : ০৪:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬
  • ৩৮ পড়া হয়েছে

অনলাইন ১২ জুলাই, ২০২
আমি মেঘনা পাড়ের ছেলে আমি মেঘনা নদীর নেয়ে –
স্মরণ –
কবি আহসান হাবীব
—————————————————-
কবি আহসান হাবীবের জন্ম ১৯১৭ সালের ২ জানুয়ারি পিরোজপুর জেলার শংকরপাশা গ্রামে।
বাংলা সাহিত্যে অবিস্মরণীয় অবদান রাখায় তাঁকে স্বাধীনতা পুরস্কার এবং একুশে পদকে ভূষিত করা হয়।
‘দৈনিক বাংলা’ পত্রিকার সাহিত্য সম্পাদক পদে দায়িত্ব পালন সূত্রে তিনি স্বাধীনতা উত্তর বাংলাদেশের সাহিত্য অঙ্গনে অভিভাবকের ভূমিকা রেখেছেন।
পারিবারিকভাবে আহসান হাবীব সাহিত্য সংস্কৃতির আবহে বড় হয়েছেন। সেই সূত্রে বাল্যকাল থেকেই লেখালেখির সঙ্গে যুক্ত হন তিনি।
পিরোজপুর গভর্নমেন্ট স্কুল থেকে ১৯৩৫ সালে প্রবেশিকা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে তিনি বরিশালের বিএম কলেজে ভর্তি হন।
দেড় বছর পড়াশোনার পর আর্থিক সংকটের কারণে ১৯৩৬ সালের শেষার্ধে তিনি জীবনের খোঁজে কলকাতায় পাড়ি জমান। লড়াই করে সেখানে টিকে থাকতে গিয়ে তাঁকে অনাহারে ফুটপাতে রাত কাটানো, ক্ষুধা সহ্য করতে না পেরে রেস্তোরাঁয় ঢুকে পড়া, বিল পরিশোধের সময় গলার মাফলার জমা রাখতে চাওয়ার মতো বৈচিত্র্যময় অনেক কিছুই
তাঁকে হয়েছিলো। তবু হার মানেন নি।
অবশেষে আহসান হাবীবের সংগ্রামমুখর জীবনের পথচলার অবসান ঘটে মাত্র ১৭ টাকা বেতনে ১৯৩৭ সালে ‘দৈনিক তকবির’ পত্রিকায় সহসম্পাদক পদে যোগদানের মাধ্যমে।
এরপর তিনি কলকাতার ‘বুলবুল’, ‘মাসিক সওগাত’ পত্রিকা ও ‘আকাশবাণী’র কলকাতা কেন্দ্রের স্টাফ আর্টিস্ট হিসেবেও কাজ করেন।
কাব্যগ্রন্থ, বড়দের উপন্যাস, গল্প, প্রবন্ধ-নিবন্ধ, ছোটদের ছড়া ও কবিতার বই মিলিয়ে তাঁর বইয়ের সংখ্যা পঁচিশ।
তাঁর পুত্র মঈনুল আহসান সাবের একজন প্রকাশক এবং স্বনামখ্যাত ঔপন্যাসিক। মেয়ে অভিনেত্রি ও উপস্থাপিকা কেয়া চৌধুরী।
১৯৮৫ সালের ১০ জুলাই কবি আহসান হাবীব মৃত্যুবরণ করেন। শ্রদ্ধাঞ্জলি।
— মেসবা খান
ছবি সৌজন্যেঃ কবিপুত্র Mesba Khan’s Post
মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।
জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

আমি মেঘনা পাড়ের ছেলে আমি মেঘনা নদীর নেয়ে –

প্রকাশের সময় : ০৪:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬

অনলাইন ১২ জুলাই, ২০২
আমি মেঘনা পাড়ের ছেলে আমি মেঘনা নদীর নেয়ে –
স্মরণ –
কবি আহসান হাবীব
—————————————————-
কবি আহসান হাবীবের জন্ম ১৯১৭ সালের ২ জানুয়ারি পিরোজপুর জেলার শংকরপাশা গ্রামে।
বাংলা সাহিত্যে অবিস্মরণীয় অবদান রাখায় তাঁকে স্বাধীনতা পুরস্কার এবং একুশে পদকে ভূষিত করা হয়।
‘দৈনিক বাংলা’ পত্রিকার সাহিত্য সম্পাদক পদে দায়িত্ব পালন সূত্রে তিনি স্বাধীনতা উত্তর বাংলাদেশের সাহিত্য অঙ্গনে অভিভাবকের ভূমিকা রেখেছেন।
পারিবারিকভাবে আহসান হাবীব সাহিত্য সংস্কৃতির আবহে বড় হয়েছেন। সেই সূত্রে বাল্যকাল থেকেই লেখালেখির সঙ্গে যুক্ত হন তিনি।
পিরোজপুর গভর্নমেন্ট স্কুল থেকে ১৯৩৫ সালে প্রবেশিকা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে তিনি বরিশালের বিএম কলেজে ভর্তি হন।
দেড় বছর পড়াশোনার পর আর্থিক সংকটের কারণে ১৯৩৬ সালের শেষার্ধে তিনি জীবনের খোঁজে কলকাতায় পাড়ি জমান। লড়াই করে সেখানে টিকে থাকতে গিয়ে তাঁকে অনাহারে ফুটপাতে রাত কাটানো, ক্ষুধা সহ্য করতে না পেরে রেস্তোরাঁয় ঢুকে পড়া, বিল পরিশোধের সময় গলার মাফলার জমা রাখতে চাওয়ার মতো বৈচিত্র্যময় অনেক কিছুই
তাঁকে হয়েছিলো। তবু হার মানেন নি।
অবশেষে আহসান হাবীবের সংগ্রামমুখর জীবনের পথচলার অবসান ঘটে মাত্র ১৭ টাকা বেতনে ১৯৩৭ সালে ‘দৈনিক তকবির’ পত্রিকায় সহসম্পাদক পদে যোগদানের মাধ্যমে।
এরপর তিনি কলকাতার ‘বুলবুল’, ‘মাসিক সওগাত’ পত্রিকা ও ‘আকাশবাণী’র কলকাতা কেন্দ্রের স্টাফ আর্টিস্ট হিসেবেও কাজ করেন।
কাব্যগ্রন্থ, বড়দের উপন্যাস, গল্প, প্রবন্ধ-নিবন্ধ, ছোটদের ছড়া ও কবিতার বই মিলিয়ে তাঁর বইয়ের সংখ্যা পঁচিশ।
তাঁর পুত্র মঈনুল আহসান সাবের একজন প্রকাশক এবং স্বনামখ্যাত ঔপন্যাসিক। মেয়ে অভিনেত্রি ও উপস্থাপিকা কেয়া চৌধুরী।
১৯৮৫ সালের ১০ জুলাই কবি আহসান হাবীব মৃত্যুবরণ করেন। শ্রদ্ধাঞ্জলি।
— মেসবা খান
ছবি সৌজন্যেঃ কবিপুত্র Mesba Khan’s Post
মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।