, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

“দুর্নীতি করলে রাজনীতি ছাড়ুন, আর রাজনীতি করলে দুর্নীতি ছাড়ুন।

  • প্রকাশের সময় : ১১:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬
  • ৭০ পড়া হয়েছে

অনলাইন : ১৫ জুলাই, ২০২৬

“দুর্নীতি করলে রাজনীতি ছাড়ুন, আর রাজনীতি করলে দুর্নীতি ছাড়ুন।”— এই নীতিবাক্যটি প্রায়ই উচ্চারণ করতেন বাংলাদেশের প্রয়াত সাধারণ সম্পাদক ও বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম।
ব্যক্তিজীবনে তিনি সাদাসিধে জীবনযাপন করতেন। অনেকের মতে, মানুষের জন্য রাজনীতি করতে গিয়ে তিনি নিজের পারিবারিক সম্পদও ব্যয় করেছেন। সততা, সংযম ও দায়িত্বশীল রাজনৈতিক আচরণের কারণে তিনি বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি স্মরণীয় উদাহরণ হয়ে আছেন।
২০০৭ সালের ওয়ান-ইলেভেনের অস্থির সময়ে তিনি আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। সে সময় বহু রাজনৈতিক নেতা গ্রেফতার হলেও তিনি একবার বলেছিলেন— “আমার বাসার সামনে দিয়ে জলপাই রঙের গাড়ি যায়, আমি দেখি; কিন্তু কোনোদিন আমার বাসার সামনে থামেনি।” এই বক্তব্য তাঁর আত্মবিশ্বাস ও ব্যক্তিগত সততার প্রতীক হিসেবে অনেকের কাছে স্মরণীয় হয়ে আছে।
আল্লাহ যেন বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ আশরাফুল ইসলামকে জান্নাতুল ফিরদাউস নসিব করেন। আমিন।

Md Jamal Uddin

মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।

জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

“দুর্নীতি করলে রাজনীতি ছাড়ুন, আর রাজনীতি করলে দুর্নীতি ছাড়ুন।

প্রকাশের সময় : ১১:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬

অনলাইন : ১৫ জুলাই, ২০২৬

“দুর্নীতি করলে রাজনীতি ছাড়ুন, আর রাজনীতি করলে দুর্নীতি ছাড়ুন।”— এই নীতিবাক্যটি প্রায়ই উচ্চারণ করতেন বাংলাদেশের প্রয়াত সাধারণ সম্পাদক ও বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম।
ব্যক্তিজীবনে তিনি সাদাসিধে জীবনযাপন করতেন। অনেকের মতে, মানুষের জন্য রাজনীতি করতে গিয়ে তিনি নিজের পারিবারিক সম্পদও ব্যয় করেছেন। সততা, সংযম ও দায়িত্বশীল রাজনৈতিক আচরণের কারণে তিনি বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি স্মরণীয় উদাহরণ হয়ে আছেন।
২০০৭ সালের ওয়ান-ইলেভেনের অস্থির সময়ে তিনি আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। সে সময় বহু রাজনৈতিক নেতা গ্রেফতার হলেও তিনি একবার বলেছিলেন— “আমার বাসার সামনে দিয়ে জলপাই রঙের গাড়ি যায়, আমি দেখি; কিন্তু কোনোদিন আমার বাসার সামনে থামেনি।” এই বক্তব্য তাঁর আত্মবিশ্বাস ও ব্যক্তিগত সততার প্রতীক হিসেবে অনেকের কাছে স্মরণীয় হয়ে আছে।
আল্লাহ যেন বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ আশরাফুল ইসলামকে জান্নাতুল ফিরদাউস নসিব করেন। আমিন।

Md Jamal Uddin

মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।