, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

শেখ হাসিনা ফেরার পেছনে বহির্বিশ্বের হাত রয়েছে’:আনিস আলমগীর

  • প্রকাশের সময় : ১০:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬
  • ১২৩ পড়া হয়েছে
 রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬,
শেখ হাসিনা ফেরার পেছনে বহির্বিশ্বের প্রভাবশালী মহলের হাত রয়েছে’—আনিস আলমগীরের  মতামত : সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার দেশে ফেরার গুঞ্জন এবং এর পেছনের ভূ-রাজনৈতিক সমীকরণ নিয়ে এক তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য করেছেন বিশিষ্ট সাংবাদিক ও কলামিস্ট আনিস আলমগীর। তিনি মনে করেন, শেখ হাসিনার এই সম্ভাব্য প্রত্যাবর্তনের বিষয়টি কেবল দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি নয়, বরং এর পেছনে বহির্বিশ্বের শক্তিশালী রাষ্ট্র বা মহলের প্রচ্ছন্ন প্রভাব ও পরিকল্পনা রয়েছে।
আন্তর্জাতিক সমীকরণের ইঙ্গিত:-আনিস আলমগীর তাঁর বিশ্লেষণে দাবি করেন, বাংলাদেশের মতো গুরুত্বপূর্ণ ভৌগোলিক অবস্থানে থাকা একটি দেশের ক্ষমতার পালাবদল এবং শীর্ষ নেত্রীর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের মতো বড় ঘটনাগুলো কেবল স্থানীয় ইচ্ছায় ঘটে না। তিনি বলেন, “শেখ হাসিনা আসার ক্ষেত্রে বহির্বিশ্বের হাত আছে।” তাঁর মতে, আন্তর্জাতিক মহলের সবুজ সংকেত বা বিশেষ কোনো কূটনৈতিক সমঝোতা ছাড়া এই প্রক্রিয়া বাস্তবায়ন হওয়া কঠিন।
কেন বহির্বিশ্বের আগ্রহ?-বিশ্লেষকদের মতে, আনিস আলমগীরের এই মন্তব্যের পেছনে কয়েকটি কারণ থাকতে পারে:-১.আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা: দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতির ভারসাম্য রক্ষায় অনেক প্রতিবেশী দেশ ও পরাশক্তি শেখ হাসিনার নেতৃত্বকে গুরুত্ব দিয়ে থাকে। ২. কূটনৈতিক সমঝোতা: ভারতের বর্তমান অবস্থান এবং পশ্চিমা বিশ্বের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্কের টানাপোড়েনের মাঝে শেখ হাসিনার ফেরার বিষয়টি বড় কোনো আন্তর্জাতিক দর কষাকষির অংশ হতে পারে।
৩.দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা:** বহির্বিশ্ব হয়তো মনে করছে, বাংলাদেশে টেকসই স্থিতিশীলতা ফেরাতে আওয়ামী লীগের মতো বড় রাজনৈতিক শক্তির অংশগ্রহণ বা উপস্থিতি প্রয়োজন। বর্তমান প্রেক্ষাপট:-গত ৫ আগস্টের পর থেকে শেখ হাসিনা ভারতে অবস্থান করছেন। দেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার তাঁকে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করার কথা বললেও, আওয়ামী লীগ নেতারা তাঁর রাজকীয় প্রত্যাবর্তনের ঘোষণা দিচ্ছেন। এমন সময় আনিস আলমগীরের এই মন্তব্য দেশের রাজনীতিতে নতুন মাত্রার বিতর্ক ও আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন:-আনিস আলমগীরের এই মন্তব্যটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনার খোরাক জোগাচ্ছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন, কোন রাষ্ট্র বা শক্তি শেখ হাসিনাকে আবার দেশের রাজনীতিতে সক্রিয় করতে চাইছে? নাকি এটি কেবলই রাজনৈতিক চাপ তৈরির একটি কৌশল?
উপসংহার:-আনিস আলমগীর তাঁর বক্তব্যের মাধ্যমে এই বার্তাই দিতে চেয়েছেন যে, বাংলাদেশের রাজনীতির জল এখন অনেক গভীর এবং এর নিয়ন্ত্রণ অনেক ক্ষেত্রে সীমানার বাইরেও বিস্তৃত। শেখ হাসিনা ফিরবেন কি না, আর ফিরলেও সেটি কোন শক্তিবলে—তা এখন সময়ের অপেক্ষা।
 মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।
জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

শেখ হাসিনা ফেরার পেছনে বহির্বিশ্বের হাত রয়েছে’:আনিস আলমগীর

প্রকাশের সময় : ১০:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬
 রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬,
শেখ হাসিনা ফেরার পেছনে বহির্বিশ্বের প্রভাবশালী মহলের হাত রয়েছে’—আনিস আলমগীরের  মতামত : সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার দেশে ফেরার গুঞ্জন এবং এর পেছনের ভূ-রাজনৈতিক সমীকরণ নিয়ে এক তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য করেছেন বিশিষ্ট সাংবাদিক ও কলামিস্ট আনিস আলমগীর। তিনি মনে করেন, শেখ হাসিনার এই সম্ভাব্য প্রত্যাবর্তনের বিষয়টি কেবল দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি নয়, বরং এর পেছনে বহির্বিশ্বের শক্তিশালী রাষ্ট্র বা মহলের প্রচ্ছন্ন প্রভাব ও পরিকল্পনা রয়েছে।
আন্তর্জাতিক সমীকরণের ইঙ্গিত:-আনিস আলমগীর তাঁর বিশ্লেষণে দাবি করেন, বাংলাদেশের মতো গুরুত্বপূর্ণ ভৌগোলিক অবস্থানে থাকা একটি দেশের ক্ষমতার পালাবদল এবং শীর্ষ নেত্রীর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের মতো বড় ঘটনাগুলো কেবল স্থানীয় ইচ্ছায় ঘটে না। তিনি বলেন, “শেখ হাসিনা আসার ক্ষেত্রে বহির্বিশ্বের হাত আছে।” তাঁর মতে, আন্তর্জাতিক মহলের সবুজ সংকেত বা বিশেষ কোনো কূটনৈতিক সমঝোতা ছাড়া এই প্রক্রিয়া বাস্তবায়ন হওয়া কঠিন।
কেন বহির্বিশ্বের আগ্রহ?-বিশ্লেষকদের মতে, আনিস আলমগীরের এই মন্তব্যের পেছনে কয়েকটি কারণ থাকতে পারে:-১.আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা: দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতির ভারসাম্য রক্ষায় অনেক প্রতিবেশী দেশ ও পরাশক্তি শেখ হাসিনার নেতৃত্বকে গুরুত্ব দিয়ে থাকে। ২. কূটনৈতিক সমঝোতা: ভারতের বর্তমান অবস্থান এবং পশ্চিমা বিশ্বের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্কের টানাপোড়েনের মাঝে শেখ হাসিনার ফেরার বিষয়টি বড় কোনো আন্তর্জাতিক দর কষাকষির অংশ হতে পারে।
৩.দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা:** বহির্বিশ্ব হয়তো মনে করছে, বাংলাদেশে টেকসই স্থিতিশীলতা ফেরাতে আওয়ামী লীগের মতো বড় রাজনৈতিক শক্তির অংশগ্রহণ বা উপস্থিতি প্রয়োজন। বর্তমান প্রেক্ষাপট:-গত ৫ আগস্টের পর থেকে শেখ হাসিনা ভারতে অবস্থান করছেন। দেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার তাঁকে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করার কথা বললেও, আওয়ামী লীগ নেতারা তাঁর রাজকীয় প্রত্যাবর্তনের ঘোষণা দিচ্ছেন। এমন সময় আনিস আলমগীরের এই মন্তব্য দেশের রাজনীতিতে নতুন মাত্রার বিতর্ক ও আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন:-আনিস আলমগীরের এই মন্তব্যটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনার খোরাক জোগাচ্ছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন, কোন রাষ্ট্র বা শক্তি শেখ হাসিনাকে আবার দেশের রাজনীতিতে সক্রিয় করতে চাইছে? নাকি এটি কেবলই রাজনৈতিক চাপ তৈরির একটি কৌশল?
উপসংহার:-আনিস আলমগীর তাঁর বক্তব্যের মাধ্যমে এই বার্তাই দিতে চেয়েছেন যে, বাংলাদেশের রাজনীতির জল এখন অনেক গভীর এবং এর নিয়ন্ত্রণ অনেক ক্ষেত্রে সীমানার বাইরেও বিস্তৃত। শেখ হাসিনা ফিরবেন কি না, আর ফিরলেও সেটি কোন শক্তিবলে—তা এখন সময়ের অপেক্ষা।
 মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।