, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

পরকীয়া প্রেমের টানাপোড়েনে প্রেমিকার অনশন

  • প্রকাশের সময় : ০৭:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬
  • ৫৪ পড়া হয়েছে
নন্দীগ্রামে পরকীয়া প্রেমের টানাপোড়েনে ভাঙল সংসার, প্রেমিকের বাড়িতে প্রেমিকার অনশন
নন্দীগ্রাম (বগুড়া) প্রতিনিধিঃঅনলাইন ২৩ জুলাই, ২০২৬: পরকীয়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে স্বামীর সঙ্গে সংসার ভেঙে যাওয়ার পর বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে মা ও বোনকে সঙ্গে নিয়ে অনশন শুরু করেছেন এক সন্তানের জননী রিমা আক্তার (১৯)। তবে অনশনের খবর পেয়ে অভিযুক্ত প্রেমিক তাজ নুর ইসলাম ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা বাড়ি ছেড়ে চলে যাওয়ায় তাঁদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ও আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
ঘটনাটি বুধবার (২৩ জুলাই) সকাল থেকে বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার কাবাষট্টি গ্রামে ঘটে। অনশনরত রিমা আক্তার বগুড়ার নন্দীগ্রাম পৌরসভার ঢাকুইর গ্রামের আব্দুর রশিদের মেয়ে। অভিযুক্ত তাজ নুর ইসলাম কাবাষট্টি গ্রামের আব্দুস ছালামের ছেলে। স্থানীয়দের দাবি, তাজ নুর বিবাহিত এবং দুই সন্তানের জনক।
স্থানীয় সূত্র ও অনশনরত পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য অনুযায়ী, রিমার সাবেক স্বামী মোফাজ্জল হোসেনের বাড়িও কাবাষট্টি গ্রামে, যা তাজ নুর ইসলামের বাড়ির পাশেই। প্রতিবেশী হওয়ার সুবাদে দীর্ঘদিন ধরে রিমা ও তাজ নুরের মধ্যে পরিচয় গড়ে ওঠে। সেই পরিচয় একসময় ঘনিষ্ঠতায় এবং পরে প্রেমের সম্পর্কে রূপ নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
পরিবারের দাবি, গত ২২ জুলাই রাতে রিমার স্বামী মোফাজ্জল হোসেন তাঁদের দুজনকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখতে পান। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে উভয় পরিবারের উপস্থিতিতে ওই রাতেই রিমাকে তালাক দেওয়া হয়। সংসার ভেঙে যাওয়ার পর নিজেকে অসহায় দাবি করে পরদিন বুধবার সকালে মা ও বোনকে সঙ্গে নিয়ে তাজ নুর ইসলামের বাড়িতে গিয়ে বিয়ের দাবি জানান রিমা।
তবে রিমা বাড়িতে পৌঁছানোর আগেই বিষয়টি জানতে পেরে অভিযুক্ত তাজ নুর ইসলামসহ তাঁর পরিবারের সদস্যরা বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র চলে যান বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। এরপরও বাড়ির সামনে অবস্থান নিয়ে অনশন শুরু করেন রিমা এবং তাঁর পরিবারের সদস্যরা।
অনশনরত রিমা আক্তার বলেন, “তাজ নুরের সঙ্গে সম্পর্কের কারণেই আমার সংসার ভেঙে গেছে। স্বামী আমাকে ডিভোর্স দিয়েছেন। এখন তাজ নুর যদি আমাকে স্ত্রী হিসেবে গ্রহণ না করে, তাহলে আমার বেঁচে থাকার কোনো পথ থাকবে না। আত্মহত্যা ছাড়া আর কোনো উপায় দেখছি না।”
ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে উৎসুক মানুষ ঘটনাস্থলে ভিড় করেন। স্থানীয়দের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে চলছে নানা আলোচনা। কেউ তরুণীর দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করছেন, আবার কেউ পুরো ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।
এদিকে অভিযুক্ত তাজ নুর ইসলাম ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা বাড়িতে না থাকায় তাঁদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। অভিযোগের বিষয়ে তাঁদের কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও এলাকাবাসীর দাবি, বিষয়টি অত্যন্ত স্পর্শকাতর। তাই প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনে প্রশাসনের নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর বক্তব্য ও আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিষয়টির সুষ্ঠু সমাধান হওয়া উচিত বলে তারা মনে করছেন।
ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তবে অভিযোগগুলো এখনও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে যাচাই হয়নি এবং অভিযুক্ত পক্ষের বক্তব্যও পাওয়া যায়নি। তাই তদন্তের পরই ঘটনার প্রকৃত সত্যতা নিশ্চিত হওয়া সম্ভব হবে।
জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

পরকীয়া প্রেমের টানাপোড়েনে প্রেমিকার অনশন

প্রকাশের সময় : ০৭:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬
নন্দীগ্রামে পরকীয়া প্রেমের টানাপোড়েনে ভাঙল সংসার, প্রেমিকের বাড়িতে প্রেমিকার অনশন
নন্দীগ্রাম (বগুড়া) প্রতিনিধিঃঅনলাইন ২৩ জুলাই, ২০২৬: পরকীয়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে স্বামীর সঙ্গে সংসার ভেঙে যাওয়ার পর বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে মা ও বোনকে সঙ্গে নিয়ে অনশন শুরু করেছেন এক সন্তানের জননী রিমা আক্তার (১৯)। তবে অনশনের খবর পেয়ে অভিযুক্ত প্রেমিক তাজ নুর ইসলাম ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা বাড়ি ছেড়ে চলে যাওয়ায় তাঁদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ও আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
ঘটনাটি বুধবার (২৩ জুলাই) সকাল থেকে বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার কাবাষট্টি গ্রামে ঘটে। অনশনরত রিমা আক্তার বগুড়ার নন্দীগ্রাম পৌরসভার ঢাকুইর গ্রামের আব্দুর রশিদের মেয়ে। অভিযুক্ত তাজ নুর ইসলাম কাবাষট্টি গ্রামের আব্দুস ছালামের ছেলে। স্থানীয়দের দাবি, তাজ নুর বিবাহিত এবং দুই সন্তানের জনক।
স্থানীয় সূত্র ও অনশনরত পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য অনুযায়ী, রিমার সাবেক স্বামী মোফাজ্জল হোসেনের বাড়িও কাবাষট্টি গ্রামে, যা তাজ নুর ইসলামের বাড়ির পাশেই। প্রতিবেশী হওয়ার সুবাদে দীর্ঘদিন ধরে রিমা ও তাজ নুরের মধ্যে পরিচয় গড়ে ওঠে। সেই পরিচয় একসময় ঘনিষ্ঠতায় এবং পরে প্রেমের সম্পর্কে রূপ নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
পরিবারের দাবি, গত ২২ জুলাই রাতে রিমার স্বামী মোফাজ্জল হোসেন তাঁদের দুজনকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখতে পান। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে উভয় পরিবারের উপস্থিতিতে ওই রাতেই রিমাকে তালাক দেওয়া হয়। সংসার ভেঙে যাওয়ার পর নিজেকে অসহায় দাবি করে পরদিন বুধবার সকালে মা ও বোনকে সঙ্গে নিয়ে তাজ নুর ইসলামের বাড়িতে গিয়ে বিয়ের দাবি জানান রিমা।
তবে রিমা বাড়িতে পৌঁছানোর আগেই বিষয়টি জানতে পেরে অভিযুক্ত তাজ নুর ইসলামসহ তাঁর পরিবারের সদস্যরা বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র চলে যান বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। এরপরও বাড়ির সামনে অবস্থান নিয়ে অনশন শুরু করেন রিমা এবং তাঁর পরিবারের সদস্যরা।
অনশনরত রিমা আক্তার বলেন, “তাজ নুরের সঙ্গে সম্পর্কের কারণেই আমার সংসার ভেঙে গেছে। স্বামী আমাকে ডিভোর্স দিয়েছেন। এখন তাজ নুর যদি আমাকে স্ত্রী হিসেবে গ্রহণ না করে, তাহলে আমার বেঁচে থাকার কোনো পথ থাকবে না। আত্মহত্যা ছাড়া আর কোনো উপায় দেখছি না।”
ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে উৎসুক মানুষ ঘটনাস্থলে ভিড় করেন। স্থানীয়দের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে চলছে নানা আলোচনা। কেউ তরুণীর দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করছেন, আবার কেউ পুরো ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।
এদিকে অভিযুক্ত তাজ নুর ইসলাম ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা বাড়িতে না থাকায় তাঁদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। অভিযোগের বিষয়ে তাঁদের কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও এলাকাবাসীর দাবি, বিষয়টি অত্যন্ত স্পর্শকাতর। তাই প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনে প্রশাসনের নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর বক্তব্য ও আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিষয়টির সুষ্ঠু সমাধান হওয়া উচিত বলে তারা মনে করছেন।
ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তবে অভিযোগগুলো এখনও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে যাচাই হয়নি এবং অভিযুক্ত পক্ষের বক্তব্যও পাওয়া যায়নি। তাই তদন্তের পরই ঘটনার প্রকৃত সত্যতা নিশ্চিত হওয়া সম্ভব হবে।