, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

শেখ হাসিনা দেশে ফেরা :কূটনৈতিক সমন্বয়ের ওপর নির্ভরশীল

  • প্রকাশের সময় : ০৯:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬
  • ৭৯ পড়া হয়েছে
অনলাইন : ২৪ জুলাই ২০২৬,
ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কেন ভারত ছেড়ে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, সৌদি আরব, বা আরব আমিরাতে যাননি? তিনি কি ভবিষ্যতে দেশে ফেরার সহজ পথ খোলা রাখতে ভারতে অবস্থান করেছেন? ২০২৪ সালের ৭ আগস্ট দ্য হিন্দু, টাইমস অব ইন্ডিয়া জানায়, শেখ হাসিনা যুক্তরাজ্যে না হলে সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব, ফিনল্যান্ডের মতো কোনো দেশে চলে যেতে পারেন ভারত থেকে।
ওই বছরের ৮ আগস্ট প্রেস ট্রাস্ট অব ইন্ডিয়াকে দেয়া সাক্ষাৎকারে সজীব ওয়াজেদ জয় ভারত ছেড়ে তাঁর মা শেখ হাসিনার যুক্তরাজ্যে রাজনৈতিক আশ্রয় চাওয়ার খবরকে ‘গুজব’ বলে উড়িয়ে দেন। তিনি বলেন, ‘আজ হোক, কাল হোক, দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে হবে। তখন শেখ হাসিনা দেশে ফিরে আসবেন।’
দুই বছর পর আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার দেশে ফেরার সাম্প্রতিক ঘোষণার সঙ্গে জয়ের ওই মন্তব্যের মিল খুঁজে পাচ্ছেন বিশ্লেষকেরা। তাঁদের মতে, শুরু থেকেই দীর্ঘমেয়াদি নির্বাসনের বদলে পরিস্থিতি অনুকূলে এলে দেশে ফেরার পরিকল্পনা ছিলো শেখ হাসিনার। সে কারণেই তিনি ভারতে থেকে গেছেন। বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের প্রায় চার হাজার কিলোমিটারের স্থলসীমান্ত থাকায় ভবিষ্যতে রাজনৈতিক বা আইনি পরিস্থিতি অনুকূলে এলে দেশটি থেকে বাংলাদেশে ফেরা তুলনামূলক সহজ।
শেখ হাসিনা যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, মধ্যপ্রাচ্যের কোনো দেশে অবস্থান করলে দেশে ফেরার পুরো প্রক্রিয়া নির্ভর করতো আন্তর্জাতিক বিমান চলাচল, ভিসা নীতি, তৃতীয় দেশের কূটনৈতিক সিদ্ধান্তের ওপর। ২০০৭ সালের অভিজ্ঞতাও হয়তো তাঁর, আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারকদের বিবেচনায় ছিলো ভারতে অবস্থান করার বিষয়ে।
সে সময়ের জরুরি অবস্থার তত্ত্বাবধায়ক সরকার শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরতে বাধা দেয়, বিমান সংস্থাগুলোকেও নির্দেশ দেয় তাঁকে বহন না করতে। আইনি জটিলতার কারণে ভারত থেকে বিমানে ফিরতে বাধাপ্রাপ্ত হলেও শেখ হাসিনা চাইলে এখন স্থলবন্দর দিয়েও দেশে ফিরতে পারবেন।
বিবিসি বাংলার সাবেক সম্পাদক, রাজনৈতিক বিশ্লেষক সাবির মুস্তাফা মনে করেন, রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত থাকলে শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের অন্য নেতাদের দেশে ফেরার ব্যবস্থা করা ভারতের জন্য প্রযুক্তিগতভাবে কঠিন নয়। প্রয়োজনে ভারত সরকার চার্টার্ড বিমানের ব্যবস্থাও করতে পারে। বিষয়টি মূলত রাজনৈতিক সদিচ্ছা, কূটনৈতিক সমন্বয়ের ওপর নির্ভরশীল। শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের নেতাদের পাসপোর্টের মেয়াদ না থাকলেও ভারতের ইমিগ্রেশন তাদের বিমানে চড়তে বাধা দেবে না।

সময় থাকলে বিস্তারিত দেখতে পারেন ভিডিও প্রতিবেদনে। লিংক—

Jebin Shantonu’s Post

 মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।
জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

শেখ হাসিনা দেশে ফেরা :কূটনৈতিক সমন্বয়ের ওপর নির্ভরশীল

প্রকাশের সময় : ০৯:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬
অনলাইন : ২৪ জুলাই ২০২৬,
ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কেন ভারত ছেড়ে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, সৌদি আরব, বা আরব আমিরাতে যাননি? তিনি কি ভবিষ্যতে দেশে ফেরার সহজ পথ খোলা রাখতে ভারতে অবস্থান করেছেন? ২০২৪ সালের ৭ আগস্ট দ্য হিন্দু, টাইমস অব ইন্ডিয়া জানায়, শেখ হাসিনা যুক্তরাজ্যে না হলে সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব, ফিনল্যান্ডের মতো কোনো দেশে চলে যেতে পারেন ভারত থেকে।
ওই বছরের ৮ আগস্ট প্রেস ট্রাস্ট অব ইন্ডিয়াকে দেয়া সাক্ষাৎকারে সজীব ওয়াজেদ জয় ভারত ছেড়ে তাঁর মা শেখ হাসিনার যুক্তরাজ্যে রাজনৈতিক আশ্রয় চাওয়ার খবরকে ‘গুজব’ বলে উড়িয়ে দেন। তিনি বলেন, ‘আজ হোক, কাল হোক, দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে হবে। তখন শেখ হাসিনা দেশে ফিরে আসবেন।’
দুই বছর পর আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার দেশে ফেরার সাম্প্রতিক ঘোষণার সঙ্গে জয়ের ওই মন্তব্যের মিল খুঁজে পাচ্ছেন বিশ্লেষকেরা। তাঁদের মতে, শুরু থেকেই দীর্ঘমেয়াদি নির্বাসনের বদলে পরিস্থিতি অনুকূলে এলে দেশে ফেরার পরিকল্পনা ছিলো শেখ হাসিনার। সে কারণেই তিনি ভারতে থেকে গেছেন। বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের প্রায় চার হাজার কিলোমিটারের স্থলসীমান্ত থাকায় ভবিষ্যতে রাজনৈতিক বা আইনি পরিস্থিতি অনুকূলে এলে দেশটি থেকে বাংলাদেশে ফেরা তুলনামূলক সহজ।
শেখ হাসিনা যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, মধ্যপ্রাচ্যের কোনো দেশে অবস্থান করলে দেশে ফেরার পুরো প্রক্রিয়া নির্ভর করতো আন্তর্জাতিক বিমান চলাচল, ভিসা নীতি, তৃতীয় দেশের কূটনৈতিক সিদ্ধান্তের ওপর। ২০০৭ সালের অভিজ্ঞতাও হয়তো তাঁর, আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারকদের বিবেচনায় ছিলো ভারতে অবস্থান করার বিষয়ে।
সে সময়ের জরুরি অবস্থার তত্ত্বাবধায়ক সরকার শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরতে বাধা দেয়, বিমান সংস্থাগুলোকেও নির্দেশ দেয় তাঁকে বহন না করতে। আইনি জটিলতার কারণে ভারত থেকে বিমানে ফিরতে বাধাপ্রাপ্ত হলেও শেখ হাসিনা চাইলে এখন স্থলবন্দর দিয়েও দেশে ফিরতে পারবেন।
বিবিসি বাংলার সাবেক সম্পাদক, রাজনৈতিক বিশ্লেষক সাবির মুস্তাফা মনে করেন, রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত থাকলে শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের অন্য নেতাদের দেশে ফেরার ব্যবস্থা করা ভারতের জন্য প্রযুক্তিগতভাবে কঠিন নয়। প্রয়োজনে ভারত সরকার চার্টার্ড বিমানের ব্যবস্থাও করতে পারে। বিষয়টি মূলত রাজনৈতিক সদিচ্ছা, কূটনৈতিক সমন্বয়ের ওপর নির্ভরশীল। শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের নেতাদের পাসপোর্টের মেয়াদ না থাকলেও ভারতের ইমিগ্রেশন তাদের বিমানে চড়তে বাধা দেবে না।

সময় থাকলে বিস্তারিত দেখতে পারেন ভিডিও প্রতিবেদনে। লিংক—

Jebin Shantonu’s Post

 মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।