, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

আন্দোলনের মুখে ভারতের শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ

  • প্রকাশের সময় : ০৩:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬
  • ৪৯ পড়া হয়েছে

অনলাইন

ককরোচ জনতা পার্টির (সিপেজি) আন্দোলনের মুখে ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন। শনিবার (২৫ জুলাই) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ভারতের শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন।

দিল্লির যন্তর-মন্তরে এক মাসেরও বেশি সময় ধরে আন্দোলনরত বিক্ষোভকারীদের প্রধান দাবি ছিল ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ। শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিকে কেন্দ্র করেই সিজেপি ও কেন্দ্র সরকারের মধ্যে আলোচনা দীর্ঘদিন অচলাবস্থায় ছিল।

শনিবার সকালে সিজেপি স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, সরকার ধর্মেন্দ্র প্রধানকে অপসারণে রাজি না হলে কোনো আলোচনায় তারা অংশ নেবে না।

আন্দোলনকারীদের তিনটি প্রধান দাবি ছিল, এক, শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ। দুই, আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে কোনো আইনি ব্যবস্থা না নেওয়া এবং তিন, নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় আত্মহত্যা করা শিক্ষার্থীদের পরিবারের জন্য ক্ষতিপূরণ।

শুক্রবার কেন্দ্র সরকার দ্বিতীয় ও তৃতীয় দাবির বিষয়ে ককরোচ জনতা পার্টিকে (সিজেপি) আশ্বাস দিলেও, ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের বিষয়ে কোনো অবস্থান জানায়নি। তবে শনিবার ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগের ঘোষণা দেওয়ার পর আন্দোলনকারীদের উত্থাপিত সব দাবিই পূরণ হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের খবর পৌঁছাতেই দিল্লির যন্তর-মন্তরে আন্দোলনস্থলে উল্লাসে ফেটে পড়েন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা। তারা আনন্দ-উৎসব শুরু করেন এবং স্লোগান দেন। পদত্যাগের প্রতিক্রিয়ায় ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) এক্সে (সাবেক টুইটার) পোস্ট করে লিখেছে, ‘শিক্ষার্থীদের শক্তির জয় হোক।’

গত কয়েক দিনে দেশের বিভিন্ন শহরে ছড়িয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলন ভারতের অন্যতম বড় রাজনৈতিক ইস্যুতে পরিণত হয়। বিরোধী দলগুলোও আন্দোলনের প্রতি সমর্থন জানিয়ে সরকারের ওপর চাপ বাড়ায়।

 

জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

আন্দোলনের মুখে ভারতের শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ

প্রকাশের সময় : ০৩:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬

অনলাইন

ককরোচ জনতা পার্টির (সিপেজি) আন্দোলনের মুখে ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন। শনিবার (২৫ জুলাই) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ভারতের শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন।

দিল্লির যন্তর-মন্তরে এক মাসেরও বেশি সময় ধরে আন্দোলনরত বিক্ষোভকারীদের প্রধান দাবি ছিল ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ। শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিকে কেন্দ্র করেই সিজেপি ও কেন্দ্র সরকারের মধ্যে আলোচনা দীর্ঘদিন অচলাবস্থায় ছিল।

শনিবার সকালে সিজেপি স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, সরকার ধর্মেন্দ্র প্রধানকে অপসারণে রাজি না হলে কোনো আলোচনায় তারা অংশ নেবে না।

আন্দোলনকারীদের তিনটি প্রধান দাবি ছিল, এক, শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ। দুই, আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে কোনো আইনি ব্যবস্থা না নেওয়া এবং তিন, নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় আত্মহত্যা করা শিক্ষার্থীদের পরিবারের জন্য ক্ষতিপূরণ।

শুক্রবার কেন্দ্র সরকার দ্বিতীয় ও তৃতীয় দাবির বিষয়ে ককরোচ জনতা পার্টিকে (সিজেপি) আশ্বাস দিলেও, ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের বিষয়ে কোনো অবস্থান জানায়নি। তবে শনিবার ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগের ঘোষণা দেওয়ার পর আন্দোলনকারীদের উত্থাপিত সব দাবিই পূরণ হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের খবর পৌঁছাতেই দিল্লির যন্তর-মন্তরে আন্দোলনস্থলে উল্লাসে ফেটে পড়েন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা। তারা আনন্দ-উৎসব শুরু করেন এবং স্লোগান দেন। পদত্যাগের প্রতিক্রিয়ায় ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) এক্সে (সাবেক টুইটার) পোস্ট করে লিখেছে, ‘শিক্ষার্থীদের শক্তির জয় হোক।’

গত কয়েক দিনে দেশের বিভিন্ন শহরে ছড়িয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলন ভারতের অন্যতম বড় রাজনৈতিক ইস্যুতে পরিণত হয়। বিরোধী দলগুলোও আন্দোলনের প্রতি সমর্থন জানিয়ে সরকারের ওপর চাপ বাড়ায়।