, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

দেহতত্ত্বের গুপ্ত রহস্য ঋতু — অপবিত্রতা নয়, ইবাদত।

  • প্রকাশের সময় : ১২:২৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬
  • ৫৮ পড়া হয়েছে

অনলাইন রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬

দেহতত্ত্বের গুপ্ত রহস্য ঋতু — অপবিত্রতা নয়, ইবাদত।
*মারফতের বানি:*
*_”ওরে নির্বোধ!
যে পথ দিয়া তুই দুনিয়ায় আইলি,
সেই পথরে অপবিত্র কও?
তোর জন্মই তো ওই জোয়ারের ফসল।”__
*১. ঋতু মানে লজ্জা না — ঋতু মানে “সৃষ্টির আজান”*
সমাজ শিখাইছে লুকাও।
ধর্ম শিখায় — *”সম্মান করো”*।
__”ঋতু কোনো নাপাকি না দরদী।
ঋতু হইলো জগৎজননীর নীরব জিকির।
প্রতি মাসে মা তার দেহের কাবা ধুয়ে দেয়।
যাতে নতুন একটা রুহের ঘর বানাইতে পারে।”__
যে পানি দিয়া তুমি গোসল করো, সেই পানিরে কি তুমি ঘৃণা করো?
তেমনি যে স্রোতে সৃষ্টি হয়, সেই স্রোতরে ঘৃণা করা মানে নিজের গোড়ারে অস্বীকার করা।
*২. ত্রিবেণীর ঘাট — দেহের ভিতরের প্রয়াগ*
শুনো দরদী, নারীর দেহে আছে ৩ টা নদী —
*১. ইড়া → গঙ্গা*
বাম পাশে। শীতল, মমতা, চাঁদের ধারা।
*২. পিঙ্গলা → যমুনা*
ডান পাশে। উষ্ণ, শক্তি, সূর্যের ধারা।
*৩. সুষুম্না → সরস্বতী*
মাঝখানে। নীরব, জ্ঞান, অদৃশ্য ধারা।
প্রতি মাসে এই ৩ নদীর মিলন হয়।
এই মিলনস্থলের নাম *”ত্রিবেণী”*।
আর এই জোয়ারের নাম *”রজঃস্রোত”*।
__”এইডা অপবিত্রতা না।
এইডা হইলো সৃষ্টির মহরা।
আল্লাহ প্রতি মাসে মায়ের দেহে একবার কুদরতের রিহার্সাল করান।”__
*৩. এই সময় নারী দুর্বল না — এই সময় সে “মা”*
দুনিয়া কয় বিশ্রাম নাও।
মারফত কয় — *”এই সময় সে সবচেয়ে কাছে”*।
এই সময় নারীর কলবের পর্দা পাতলা হয়ে যায়।
তার চোখে পানি আসে কারণ সে আল্লাহর কষ্ট বোঝে।
তার শরীর ব্যথা করে কারণ সে গোটা সৃষ্টির ব্যথা বয়।
__”এই সময় যে নারীর মাথায় পানি ঢালে,
সে আসলে কাবায় গিলাফ পরায়।
যে নারীরে খাবার বেড়ে দেয়,
সে আসলে মায়ের থালায় প্রসাদ দেয়।
যে নারীরে জড়ায় না ধরে পাশে বসে,
সে আসলে জগৎজননীর কোলে মাথা রাখে।”__
*৪. আমরা কি করছি?*
আমরা শিখাইছি লুকাও।
আমরা শিখাইছি ছুঁইও না।
আমরা শিখাইছি “অপবিত্র”।
__”অথচ যে ঘর দিয়া বাদশা আসে,
সেই ঘরের দরজায় কি তালা দেয় কেউ?”__
যে জায়গা দিয়া তোমার নিঃশ্বাস শুরু,
সেই জায়গারে লজ্জা দিয়া তুমি নিজের অস্তিত্বরেই অস্বীকার করতেছো।
*৫. সাধনার কথা*
নারীর জন্য —
*এই ৫ দিন তোমার ৫ ওয়াক্ত।*
বিশ্রামই ইবাদত। সবুরই জিকির।
নিজেরে ঘৃণা কইরো না মা। তুমি অপবিত্র না।
*তুমি আমানতদার।*
পুরুষের জন্য —
__”যদি সত্যিকারের মানুষ হইতে চাও,
এই ৫ দিন মায়ের খাদেম হও।”__
চা বানাও। পা টিপো। কথা শোনো।
কারণ এই সময় সে শুধু তোমার বউ না,
*সে তোমার ভিতরের মায়ের দরজা।*
*সার কথা*
*ঋতু = অভিশাপ না। ঋতু = আমানত।*
*ঋতু = ঘৃণা না। ঋতু = ইবাদত।*
*ঋতু = লজ্জা না। ঋতু = শ্রদ্ধা।*
যে সমাজ নারীর রক্তরে সম্মান দিতে পারে না,
সে সমাজ কখনো আল্লাহর রহমত বুঝবো না।
কারণ *”জান্নাত মায়ের পায়ের নিচে”* —
আর সেই পা-ই প্রতি মাসে নতুন করে পবিত্র হয়।
নারীকে বুঝো। নারীকে ছুঁইও না শুধু।
নারীকে পড়ো। নারী হইলো কোরআনের জীবন্ত আয়াত।

Shamim Sarkar’s Post

মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।

জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

দেহতত্ত্বের গুপ্ত রহস্য ঋতু — অপবিত্রতা নয়, ইবাদত।

প্রকাশের সময় : ১২:২৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬

অনলাইন রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬

দেহতত্ত্বের গুপ্ত রহস্য ঋতু — অপবিত্রতা নয়, ইবাদত।
*মারফতের বানি:*
*_”ওরে নির্বোধ!
যে পথ দিয়া তুই দুনিয়ায় আইলি,
সেই পথরে অপবিত্র কও?
তোর জন্মই তো ওই জোয়ারের ফসল।”__
*১. ঋতু মানে লজ্জা না — ঋতু মানে “সৃষ্টির আজান”*
সমাজ শিখাইছে লুকাও।
ধর্ম শিখায় — *”সম্মান করো”*।
__”ঋতু কোনো নাপাকি না দরদী।
ঋতু হইলো জগৎজননীর নীরব জিকির।
প্রতি মাসে মা তার দেহের কাবা ধুয়ে দেয়।
যাতে নতুন একটা রুহের ঘর বানাইতে পারে।”__
যে পানি দিয়া তুমি গোসল করো, সেই পানিরে কি তুমি ঘৃণা করো?
তেমনি যে স্রোতে সৃষ্টি হয়, সেই স্রোতরে ঘৃণা করা মানে নিজের গোড়ারে অস্বীকার করা।
*২. ত্রিবেণীর ঘাট — দেহের ভিতরের প্রয়াগ*
শুনো দরদী, নারীর দেহে আছে ৩ টা নদী —
*১. ইড়া → গঙ্গা*
বাম পাশে। শীতল, মমতা, চাঁদের ধারা।
*২. পিঙ্গলা → যমুনা*
ডান পাশে। উষ্ণ, শক্তি, সূর্যের ধারা।
*৩. সুষুম্না → সরস্বতী*
মাঝখানে। নীরব, জ্ঞান, অদৃশ্য ধারা।
প্রতি মাসে এই ৩ নদীর মিলন হয়।
এই মিলনস্থলের নাম *”ত্রিবেণী”*।
আর এই জোয়ারের নাম *”রজঃস্রোত”*।
__”এইডা অপবিত্রতা না।
এইডা হইলো সৃষ্টির মহরা।
আল্লাহ প্রতি মাসে মায়ের দেহে একবার কুদরতের রিহার্সাল করান।”__
*৩. এই সময় নারী দুর্বল না — এই সময় সে “মা”*
দুনিয়া কয় বিশ্রাম নাও।
মারফত কয় — *”এই সময় সে সবচেয়ে কাছে”*।
এই সময় নারীর কলবের পর্দা পাতলা হয়ে যায়।
তার চোখে পানি আসে কারণ সে আল্লাহর কষ্ট বোঝে।
তার শরীর ব্যথা করে কারণ সে গোটা সৃষ্টির ব্যথা বয়।
__”এই সময় যে নারীর মাথায় পানি ঢালে,
সে আসলে কাবায় গিলাফ পরায়।
যে নারীরে খাবার বেড়ে দেয়,
সে আসলে মায়ের থালায় প্রসাদ দেয়।
যে নারীরে জড়ায় না ধরে পাশে বসে,
সে আসলে জগৎজননীর কোলে মাথা রাখে।”__
*৪. আমরা কি করছি?*
আমরা শিখাইছি লুকাও।
আমরা শিখাইছি ছুঁইও না।
আমরা শিখাইছি “অপবিত্র”।
__”অথচ যে ঘর দিয়া বাদশা আসে,
সেই ঘরের দরজায় কি তালা দেয় কেউ?”__
যে জায়গা দিয়া তোমার নিঃশ্বাস শুরু,
সেই জায়গারে লজ্জা দিয়া তুমি নিজের অস্তিত্বরেই অস্বীকার করতেছো।
*৫. সাধনার কথা*
নারীর জন্য —
*এই ৫ দিন তোমার ৫ ওয়াক্ত।*
বিশ্রামই ইবাদত। সবুরই জিকির।
নিজেরে ঘৃণা কইরো না মা। তুমি অপবিত্র না।
*তুমি আমানতদার।*
পুরুষের জন্য —
__”যদি সত্যিকারের মানুষ হইতে চাও,
এই ৫ দিন মায়ের খাদেম হও।”__
চা বানাও। পা টিপো। কথা শোনো।
কারণ এই সময় সে শুধু তোমার বউ না,
*সে তোমার ভিতরের মায়ের দরজা।*
*সার কথা*
*ঋতু = অভিশাপ না। ঋতু = আমানত।*
*ঋতু = ঘৃণা না। ঋতু = ইবাদত।*
*ঋতু = লজ্জা না। ঋতু = শ্রদ্ধা।*
যে সমাজ নারীর রক্তরে সম্মান দিতে পারে না,
সে সমাজ কখনো আল্লাহর রহমত বুঝবো না।
কারণ *”জান্নাত মায়ের পায়ের নিচে”* —
আর সেই পা-ই প্রতি মাসে নতুন করে পবিত্র হয়।
নারীকে বুঝো। নারীকে ছুঁইও না শুধু।
নারীকে পড়ো। নারী হইলো কোরআনের জীবন্ত আয়াত।

Shamim Sarkar’s Post

মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।