, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

একাধিক মামলায় আত্মসমর্পণ, আওয়ামী লীগের ১৪ নেতা কারাগারে

  • প্রকাশের সময় : ১২:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬
  • ১১৫ পড়া হয়েছে

জয়পুরহাটে জুলাইয়ের ছাত্র-জনতার আন্দোলন চলাকালে সংঘটিত হত্যা ও বিস্ফোরকসহ একাধিক মামলায় পলাতক থাকা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের ১৪ নেতাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

বুধবার (৩ জুন) দুপুরে জয়পুরহাট চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন তারা। শুনানি শেষে অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মিলন চন্দ্র পাল জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাদের জেলা কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

কারাগারে পাঠানো ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মুনিরুল শহীদ মুন্না, জয়পুরহাট সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি গোলাম মোস্তফা, ভাদশা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বায়ক সরোয়ার হোসেন স্বাধীন, পুরানাপৈল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য খোরশেদ আলম সৈকত,পাঁচবিবি পৌরসভার প্যানেল মেয়র নূর হোসেন,পাঁচবিবি পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি এসকে হক, পাঁচবিবি উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আবু বক্কর সিদ্দিক মিন্নুর, ক্ষেতলাল উপজেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক মেহেদী আশিক রাজু, জেলা ছাত্রলীগের সদস্য রতন হোসেন সরদার, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সদস্য নিশাত চৌধুরী, ভাদসা ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক নাশির হোসেন, ইউপি মেম্বার পিন্টু হোসেন, মোহাম্মদাবাদ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা মাহবুব আলম মিলন এবং পুরানাপৈল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা আবু সাঈদ।

আদালত সূত্রে জানা যায়, তারা দীর্ঘদিন ধরে হত্যা, বিস্ফোরক ও অন্যান্য ফৌজদারি মামলায় পলাতক ছিলেন। আত্মসমর্পণের পর জামিনের আবেদন জানানো হলে আদালত তা নাকচ করেন।

জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

একাধিক মামলায় আত্মসমর্পণ, আওয়ামী লীগের ১৪ নেতা কারাগারে

প্রকাশের সময় : ১২:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬

জয়পুরহাটে জুলাইয়ের ছাত্র-জনতার আন্দোলন চলাকালে সংঘটিত হত্যা ও বিস্ফোরকসহ একাধিক মামলায় পলাতক থাকা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের ১৪ নেতাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

বুধবার (৩ জুন) দুপুরে জয়পুরহাট চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন তারা। শুনানি শেষে অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মিলন চন্দ্র পাল জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাদের জেলা কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

কারাগারে পাঠানো ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মুনিরুল শহীদ মুন্না, জয়পুরহাট সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি গোলাম মোস্তফা, ভাদশা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বায়ক সরোয়ার হোসেন স্বাধীন, পুরানাপৈল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য খোরশেদ আলম সৈকত,পাঁচবিবি পৌরসভার প্যানেল মেয়র নূর হোসেন,পাঁচবিবি পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি এসকে হক, পাঁচবিবি উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আবু বক্কর সিদ্দিক মিন্নুর, ক্ষেতলাল উপজেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক মেহেদী আশিক রাজু, জেলা ছাত্রলীগের সদস্য রতন হোসেন সরদার, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সদস্য নিশাত চৌধুরী, ভাদসা ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক নাশির হোসেন, ইউপি মেম্বার পিন্টু হোসেন, মোহাম্মদাবাদ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা মাহবুব আলম মিলন এবং পুরানাপৈল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা আবু সাঈদ।

আদালত সূত্রে জানা যায়, তারা দীর্ঘদিন ধরে হত্যা, বিস্ফোরক ও অন্যান্য ফৌজদারি মামলায় পলাতক ছিলেন। আত্মসমর্পণের পর জামিনের আবেদন জানানো হলে আদালত তা নাকচ করেন।