, মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্নিগ্ধার পাশে প্রহার, নির্যাতনের অক্সিমোরন!

  • প্রকাশের সময় : ০৩:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬
  • ১৪ পড়া হয়েছে

অনলাইন শুক্রবার, ৩১ জুলা

ড. জোবাইদা রহমান, ড. শামারুহ মির্জা, স্বামী ও বাবার সুবাদে আপনারা এখন বাংলাদেশের সর্বোচ্চ ক্ষমতাবান পরিবারের সদস্য হলেও নিজ গুনে আপনারা পেশাজীবী নারী।
বাংলাদেশে নারীরা দৈনন্দিন কি পরিমাণ সামাজিক নাজেহাল অবস্থার মধ্যে নিজেদের পেশায় শ্রম দিয়ে যাচ্ছেন, আপনারা তা অবগত আছেন।
শিক্ষিকা বিউটি পালের গানের রিল নিয়ে কি হয়েছে আপনারা জানেন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার তদন্তের হুমকির মুখে সারা দেশের বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের একই গান বাজিয়ে বিউটির প্রতি সহমর্মিতা, সলিডারিটিও আপনারা আশা করি জেনেছেন। তথ্য প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ এ ব্যাপারে যে প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন, তা খুবই ইতিবাচক।
“স্নিগ্ধা” শব্দের পাশে “প্রহার, নির্যাতন” শব্দগুলো যতটুকু অক্সিমোরন, স্নিগ্ধা চৌধুরীর দায়ের করা নির্যাতন মামলা নিয়ে, আপনাদের সহকর্মি তথ্য উপদেষ্টা ড. জাহেদ উর রহমান গণমাধ্যমে যা বলছেন, তাও সেরকম অক্সিমোরন অর্থাৎ পরস্পর-বিরোধী।
জনাব জাহেদ উর রহমান বলছেন, ‘‘মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী বা সাধারণ নাগরিক যেই হোন না কেন, প্রমাণ ছাড়া প্রকাশ্যে কারও নাম বলা উচিত নয়। কারণ এতে ওই ব্যক্তিকে সামাজিক ও প্রকাশ্য অপমানের মুখোমুখি হতে হয়।……অভিযোগকারী নিজের সমস্যার কথা সাংবাদিক ও জনগণের সামনে বলতে পারেন। এটি তার অধিকার। তবে নিজের অধিকার প্রয়োগ করতে গিয়ে অন্যের অধিকার ক্ষুণ্ণ হচ্ছে কিনা, সেটিও বিবেচনা করা প্রয়োজন।’’
গণমাধ্যমে এসেছে, বিজ্ঞাপন-চিত্রে চুক্তির কথা বলে ডেকে নিয়ে হত্যা-চেষ্টা, শারীরিক নির্যাতন ও শ্লীলতাহানির অভিযোগ তুলেছেন মডেল ও অভিনেত্রী স্নিগ্ধা চৌধুরী (ইসরাত জাহান)। অভিযোগ আশিয়ান গ্রুপের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় গত রবিবার (২৬ জুলাই) দিবাগত রাত ১২টার দিকে ঢাকার খিলক্ষেত থানায় লিখিত অভিযোগ করেন তিনি।
আজ আশিয়ান গ্রুপের চেয়ারম্যানের নামে নারী নির্যাতন অভিযোগ এসেছে এবং মামলা দায়ের হয়েছে। ২০০৬ সালে বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহানের ছেলে সানভিরের নামে উক্ত গ্রুপের পরিচালক হুমায়ুন কবির সাব্বিরের হত্যাকাণ্ডের অভিযোগ আসে। সাব্বির হত্যাকাণ্ড সংশ্লিষ্ট তদন্ত, বিচারের রায়ের কালানুক্রম নিচে দেয়া হলো :
৫ জুলাই ২০০৬: বসুন্ধরা গ্রুপের পরিচালক হুমায়ুন কবির সাব্বিরের মরদেহ উদ্ধার হয়। অভিযোগ ছিল, এই হত্যা মামলা ধামাচাপা দিতে ও সানভিরকে রক্ষা করতে ২১ কোটি টাকা ঘুষ দেওয়া হয়।
৪ অক্টোবর ২০০৭: দুদক লুৎফুজ্জামান বাবরসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে ঘুষের মামলা করে। পরে তদন্তে তারেক রহমানসহ আরও কয়েকজনকে আসামি করা হয়।
পরবর্তীতে: মোট আটজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ-পত্র দাখিল করা হয়।
২০ মার্চ ২০২৫: ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩ রাষ্ট্র-পক্ষ অভিযোগ প্রমাণে ব্যর্থ হওয়ায় তারেক রহমান, লুৎফুজ্জামান বাবর, আহমেদ আকবর সোবহানসহ আটজনকে খালাস দেন।
সাব্বিরকে কেউ হত্যা করেছিল। দুদক, পুলিশ সুনির্দিষ্ট তদন্তের প্রতিবেদন দিয়েছিল। স্নিগ্ধা চৌধুরীও সুনির্দিষ্ট নাম বলেছেন। তথ্য উপদেষ্টা বলছেন, “নিজের(স্নিগ্ধা) অধিকার প্রয়োগ করতে গিয়ে অন্যের অধিকার ক্ষুণ্ণ হচ্ছে কিনা, সেটিও বিবেচনা করা প্রয়োজন।”
আমরা তথ্য উপদেষ্টার এহেন বক্তব্যের প্রতিবাদ, নিন্দা জানাই। স্নিগ্ধাকে রামিসার মত কেটে কয়েক টুকরো করার পর, সেখানে প্রধান মন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যেতেন? দ্রুত ট্রাইব্যুনালে কোনও একজন হত্যাকারীর বিচার শুরু হতো?
ট্রান্সকম গ্রুপ চেয়ারম্যান লতিফুর রহমানের কিশোরী কন্যার ধর্ষণ এবং হত্যা মামলার তদন্ত, বিচার, রায়ের দীর্ঘসূত্রিতা বলে দেয়, এসব বিচার প্রক্রিয়া অনেক রকম গাফিলতি এবং চাপের মুখোমুখি হয়। কুমিল্লা সামরিক নিবাসে তরুণী সোহাগী জাহান তনুর ধর্ষণ, হত্যা মামলায় সেনাবাহিনী বছরের পর বছর বিভিন্ন ভাবে বাধার সৃষ্টি করেছিল।
ড. জোবাইদা রহমান, ড. শামারুহ মির্জা, আপনারা বিভিন্ন মঞ্চে নারীদের নিরাপত্তার বিষয়ে কথা বলেন। আক্রমণকারীর নাম কেন আক্রান্ত নারী প্রকাশ্যে বলতে পারবেন না, সে ব্যাপারে ড. জাহেদ উর রহমানের অধিকার ক্ষুণ্ণ করবার যুক্তি শুধু যে খোঁড়া তাই নয়, এতে এই আশঙ্কা হয় যে আশিয়ান চেয়ারম্যানের নামে আসা এই অভিযোগ, বসুন্ধরা গ্রুপের নামে আসা হত্যা মামলার সাথে মিলে না গেলেও, সরকার আগে থেকে আক্রমণকারীর দিকে চলে যাচ্ছে এবং এটর্নি জেনারেল অফিস সেদিক থেকে মামলাটিকে খারিজের দিকে নিয়ে যেতে পারে।
ড. জোবাইদা রহমান, ড. শামারুহ মির্জা, আপনাদের পরিবারের আওতাধীন সরকারি আমলে বসুন্ধরা, আশিয়ান মালিকেরা বিচারের মুখোমুখি হবে না, আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নিরাও তাদের প্রতি অবিচার-জনিত মৃত্যুদণ্ড থেকে মকুবি পাবে না, তাহলে আপনাদের পরিবার, পার্টি, সরকার কাদের প্রতিনিধিত্ব করছে?
বর্তমান আইন মন্ত্রী মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান, যিনি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের এটর্নি জেনারেল ছিলেন, তার মেয়াদে বাংলাদেশে রেকর্ড পরিমাণ ভুয়া হত্যা মামলা হয়েছে।
ড. জোবাইদা রহমান, ড. শামারুহ মির্জা, আমরা আশা করবো, আপনারা আক্রান্তের পাশে দাঁড়াবেন। না হলে আপনাদের কথাগুলো “স্নিগ্ধা” শব্দের পাশে “প্রহার, নির্যাতন” শব্দের মত অক্সিমোরন অর্থাৎ পরস্পর-বিরোধী
হয়ে যাবে।

লুবনা ইয়াসমিন

Lubna Yasmin’s Post

মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।

জনপ্রিয়

স্নিগ্ধার পাশে প্রহার, নির্যাতনের অক্সিমোরন!

প্রকাশের সময় : ০৩:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬

অনলাইন শুক্রবার, ৩১ জুলা

ড. জোবাইদা রহমান, ড. শামারুহ মির্জা, স্বামী ও বাবার সুবাদে আপনারা এখন বাংলাদেশের সর্বোচ্চ ক্ষমতাবান পরিবারের সদস্য হলেও নিজ গুনে আপনারা পেশাজীবী নারী।
বাংলাদেশে নারীরা দৈনন্দিন কি পরিমাণ সামাজিক নাজেহাল অবস্থার মধ্যে নিজেদের পেশায় শ্রম দিয়ে যাচ্ছেন, আপনারা তা অবগত আছেন।
শিক্ষিকা বিউটি পালের গানের রিল নিয়ে কি হয়েছে আপনারা জানেন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার তদন্তের হুমকির মুখে সারা দেশের বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের একই গান বাজিয়ে বিউটির প্রতি সহমর্মিতা, সলিডারিটিও আপনারা আশা করি জেনেছেন। তথ্য প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ এ ব্যাপারে যে প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন, তা খুবই ইতিবাচক।
“স্নিগ্ধা” শব্দের পাশে “প্রহার, নির্যাতন” শব্দগুলো যতটুকু অক্সিমোরন, স্নিগ্ধা চৌধুরীর দায়ের করা নির্যাতন মামলা নিয়ে, আপনাদের সহকর্মি তথ্য উপদেষ্টা ড. জাহেদ উর রহমান গণমাধ্যমে যা বলছেন, তাও সেরকম অক্সিমোরন অর্থাৎ পরস্পর-বিরোধী।
জনাব জাহেদ উর রহমান বলছেন, ‘‘মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী বা সাধারণ নাগরিক যেই হোন না কেন, প্রমাণ ছাড়া প্রকাশ্যে কারও নাম বলা উচিত নয়। কারণ এতে ওই ব্যক্তিকে সামাজিক ও প্রকাশ্য অপমানের মুখোমুখি হতে হয়।……অভিযোগকারী নিজের সমস্যার কথা সাংবাদিক ও জনগণের সামনে বলতে পারেন। এটি তার অধিকার। তবে নিজের অধিকার প্রয়োগ করতে গিয়ে অন্যের অধিকার ক্ষুণ্ণ হচ্ছে কিনা, সেটিও বিবেচনা করা প্রয়োজন।’’
গণমাধ্যমে এসেছে, বিজ্ঞাপন-চিত্রে চুক্তির কথা বলে ডেকে নিয়ে হত্যা-চেষ্টা, শারীরিক নির্যাতন ও শ্লীলতাহানির অভিযোগ তুলেছেন মডেল ও অভিনেত্রী স্নিগ্ধা চৌধুরী (ইসরাত জাহান)। অভিযোগ আশিয়ান গ্রুপের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় গত রবিবার (২৬ জুলাই) দিবাগত রাত ১২টার দিকে ঢাকার খিলক্ষেত থানায় লিখিত অভিযোগ করেন তিনি।
আজ আশিয়ান গ্রুপের চেয়ারম্যানের নামে নারী নির্যাতন অভিযোগ এসেছে এবং মামলা দায়ের হয়েছে। ২০০৬ সালে বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহানের ছেলে সানভিরের নামে উক্ত গ্রুপের পরিচালক হুমায়ুন কবির সাব্বিরের হত্যাকাণ্ডের অভিযোগ আসে। সাব্বির হত্যাকাণ্ড সংশ্লিষ্ট তদন্ত, বিচারের রায়ের কালানুক্রম নিচে দেয়া হলো :
৫ জুলাই ২০০৬: বসুন্ধরা গ্রুপের পরিচালক হুমায়ুন কবির সাব্বিরের মরদেহ উদ্ধার হয়। অভিযোগ ছিল, এই হত্যা মামলা ধামাচাপা দিতে ও সানভিরকে রক্ষা করতে ২১ কোটি টাকা ঘুষ দেওয়া হয়।
৪ অক্টোবর ২০০৭: দুদক লুৎফুজ্জামান বাবরসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে ঘুষের মামলা করে। পরে তদন্তে তারেক রহমানসহ আরও কয়েকজনকে আসামি করা হয়।
পরবর্তীতে: মোট আটজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ-পত্র দাখিল করা হয়।
২০ মার্চ ২০২৫: ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩ রাষ্ট্র-পক্ষ অভিযোগ প্রমাণে ব্যর্থ হওয়ায় তারেক রহমান, লুৎফুজ্জামান বাবর, আহমেদ আকবর সোবহানসহ আটজনকে খালাস দেন।
সাব্বিরকে কেউ হত্যা করেছিল। দুদক, পুলিশ সুনির্দিষ্ট তদন্তের প্রতিবেদন দিয়েছিল। স্নিগ্ধা চৌধুরীও সুনির্দিষ্ট নাম বলেছেন। তথ্য উপদেষ্টা বলছেন, “নিজের(স্নিগ্ধা) অধিকার প্রয়োগ করতে গিয়ে অন্যের অধিকার ক্ষুণ্ণ হচ্ছে কিনা, সেটিও বিবেচনা করা প্রয়োজন।”
আমরা তথ্য উপদেষ্টার এহেন বক্তব্যের প্রতিবাদ, নিন্দা জানাই। স্নিগ্ধাকে রামিসার মত কেটে কয়েক টুকরো করার পর, সেখানে প্রধান মন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যেতেন? দ্রুত ট্রাইব্যুনালে কোনও একজন হত্যাকারীর বিচার শুরু হতো?
ট্রান্সকম গ্রুপ চেয়ারম্যান লতিফুর রহমানের কিশোরী কন্যার ধর্ষণ এবং হত্যা মামলার তদন্ত, বিচার, রায়ের দীর্ঘসূত্রিতা বলে দেয়, এসব বিচার প্রক্রিয়া অনেক রকম গাফিলতি এবং চাপের মুখোমুখি হয়। কুমিল্লা সামরিক নিবাসে তরুণী সোহাগী জাহান তনুর ধর্ষণ, হত্যা মামলায় সেনাবাহিনী বছরের পর বছর বিভিন্ন ভাবে বাধার সৃষ্টি করেছিল।
ড. জোবাইদা রহমান, ড. শামারুহ মির্জা, আপনারা বিভিন্ন মঞ্চে নারীদের নিরাপত্তার বিষয়ে কথা বলেন। আক্রমণকারীর নাম কেন আক্রান্ত নারী প্রকাশ্যে বলতে পারবেন না, সে ব্যাপারে ড. জাহেদ উর রহমানের অধিকার ক্ষুণ্ণ করবার যুক্তি শুধু যে খোঁড়া তাই নয়, এতে এই আশঙ্কা হয় যে আশিয়ান চেয়ারম্যানের নামে আসা এই অভিযোগ, বসুন্ধরা গ্রুপের নামে আসা হত্যা মামলার সাথে মিলে না গেলেও, সরকার আগে থেকে আক্রমণকারীর দিকে চলে যাচ্ছে এবং এটর্নি জেনারেল অফিস সেদিক থেকে মামলাটিকে খারিজের দিকে নিয়ে যেতে পারে।
ড. জোবাইদা রহমান, ড. শামারুহ মির্জা, আপনাদের পরিবারের আওতাধীন সরকারি আমলে বসুন্ধরা, আশিয়ান মালিকেরা বিচারের মুখোমুখি হবে না, আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নিরাও তাদের প্রতি অবিচার-জনিত মৃত্যুদণ্ড থেকে মকুবি পাবে না, তাহলে আপনাদের পরিবার, পার্টি, সরকার কাদের প্রতিনিধিত্ব করছে?
বর্তমান আইন মন্ত্রী মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান, যিনি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের এটর্নি জেনারেল ছিলেন, তার মেয়াদে বাংলাদেশে রেকর্ড পরিমাণ ভুয়া হত্যা মামলা হয়েছে।
ড. জোবাইদা রহমান, ড. শামারুহ মির্জা, আমরা আশা করবো, আপনারা আক্রান্তের পাশে দাঁড়াবেন। না হলে আপনাদের কথাগুলো “স্নিগ্ধা” শব্দের পাশে “প্রহার, নির্যাতন” শব্দের মত অক্সিমোরন অর্থাৎ পরস্পর-বিরোধী
হয়ে যাবে।

লুবনা ইয়াসমিন

Lubna Yasmin’s Post

মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।