, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

ভিত্তিহীন ও কল্পিত সংবাদ প্রকাশের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ: পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ

  • প্রকাশের সময় : ০৬:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট ২০২৬
  • ১২৫ পড়া হয়েছে

 

অনলাইন বৃহস্পতিবার, ০৬ আগস্ট ২০২৬
বাংলাদেশ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ
ভিত্তিহীন ও কল্পিত সংবাদ প্রকাশের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ
সকল গণমাধ্যম ও প্রিন্ট মিডিয়ার কর্তৃপক্ষের প্রতি অনুরোধ জানানো হচ্ছে যে, নিম্নোক্ত প্রতিবাদলিপিটি যথাযথ গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করার জন্য অনুরোধ করা হলো।
এশিয়া পোস্টসহ বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদনগুলো সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। এতে প্রকাশিত তালিকাটি অত্যন্ত এলোমেলো, অপরিকল্পিত, ভুলে পরিপূর্ণ এবং সম্পূর্ণ মনগড়া। প্রতিবেদনটি বিভিন্ন উৎস থেকে যাচাই-বাছাই ছাড়াই তথ্য জোড়াতালি দিয়ে এবং পূর্বনির্ধারিত উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রস্তুত করা হয়েছে বলে প্রতীয়মান হয়। ইচ্ছাকৃতভাবে ও ত্রুটিপূর্ণভাবে প্রস্তুত করার কারণে এতে অসংখ্য গুরুতর তথ্যগত ভুল পরিলক্ষিত হয়েছে।
উদাহরণস্বরূপ, একটি কলেজের অধ্যক্ষ কীভাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক হিসেবে তালিকাভুক্ত হতে পারেন? প্রকাশিত স্ক্রিনশটগুলোই স্পষ্টভাবে প্রমাণ করে যে তালিকাটি অত্যন্ত অসতর্কতা ও ভুল তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। ফলে এই প্রতিবেদনের বিশ্বাসযোগ্যতা এবং এর অন্তর্নিহিত উদ্দেশ্য নিয়ে গুরুতর প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।
প্রকৃতপক্ষে, এই প্রতিবেদনের উদ্দেশ্য হলো শিক্ষক সমাজকে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করা এবং তাদের মধ্যে ব্যাপক ভীতি ও আতঙ্কের পরিবেশ সৃষ্টি করা। আরও উদ্বেগজনক বিষয় হলো, প্রতিবেদনের তথ্যের সত্যতা যাচাই বা নিরপেক্ষভাবে পর্যালোচনা না করেই বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে তদন্ত কমিটি গঠন করছে।
বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ ও যথাযথ যাচাই-বাছাই ছাড়া এ ধরনের তদন্ত কমিটি গঠনের কোনো নৈতিক বা আইনগত অধিকার বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের নেই। একটি মনগড়া, অবিশ্বস্ত ও ভিত্তিহীন প্রতিবেদনের ওপর নির্ভর করে শিক্ষকদের বিরুদ্ধে তদন্ত বা শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা তাদের মৌলিক অধিকার, ন্যায়বিচারের নীতি এবং আইনি সুরক্ষার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

ভিত্তিহীন ও কল্পিত সংবাদ প্রকাশের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ: পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ

প্রকাশের সময় : ০৬:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট ২০২৬

 

অনলাইন বৃহস্পতিবার, ০৬ আগস্ট ২০২৬
বাংলাদেশ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ
ভিত্তিহীন ও কল্পিত সংবাদ প্রকাশের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ
সকল গণমাধ্যম ও প্রিন্ট মিডিয়ার কর্তৃপক্ষের প্রতি অনুরোধ জানানো হচ্ছে যে, নিম্নোক্ত প্রতিবাদলিপিটি যথাযথ গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করার জন্য অনুরোধ করা হলো।
এশিয়া পোস্টসহ বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদনগুলো সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। এতে প্রকাশিত তালিকাটি অত্যন্ত এলোমেলো, অপরিকল্পিত, ভুলে পরিপূর্ণ এবং সম্পূর্ণ মনগড়া। প্রতিবেদনটি বিভিন্ন উৎস থেকে যাচাই-বাছাই ছাড়াই তথ্য জোড়াতালি দিয়ে এবং পূর্বনির্ধারিত উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রস্তুত করা হয়েছে বলে প্রতীয়মান হয়। ইচ্ছাকৃতভাবে ও ত্রুটিপূর্ণভাবে প্রস্তুত করার কারণে এতে অসংখ্য গুরুতর তথ্যগত ভুল পরিলক্ষিত হয়েছে।
উদাহরণস্বরূপ, একটি কলেজের অধ্যক্ষ কীভাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক হিসেবে তালিকাভুক্ত হতে পারেন? প্রকাশিত স্ক্রিনশটগুলোই স্পষ্টভাবে প্রমাণ করে যে তালিকাটি অত্যন্ত অসতর্কতা ও ভুল তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। ফলে এই প্রতিবেদনের বিশ্বাসযোগ্যতা এবং এর অন্তর্নিহিত উদ্দেশ্য নিয়ে গুরুতর প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।
প্রকৃতপক্ষে, এই প্রতিবেদনের উদ্দেশ্য হলো শিক্ষক সমাজকে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করা এবং তাদের মধ্যে ব্যাপক ভীতি ও আতঙ্কের পরিবেশ সৃষ্টি করা। আরও উদ্বেগজনক বিষয় হলো, প্রতিবেদনের তথ্যের সত্যতা যাচাই বা নিরপেক্ষভাবে পর্যালোচনা না করেই বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে তদন্ত কমিটি গঠন করছে।
বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ ও যথাযথ যাচাই-বাছাই ছাড়া এ ধরনের তদন্ত কমিটি গঠনের কোনো নৈতিক বা আইনগত অধিকার বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের নেই। একটি মনগড়া, অবিশ্বস্ত ও ভিত্তিহীন প্রতিবেদনের ওপর নির্ভর করে শিক্ষকদের বিরুদ্ধে তদন্ত বা শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা তাদের মৌলিক অধিকার, ন্যায়বিচারের নীতি এবং আইনি সুরক্ষার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।