, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

মিসকা শয়তান থেকে পাক্কা বেঈমান ভালো।

  • প্রকাশের সময় : ০৬:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ আগস্ট ২০২৬
  • ১৩৩ পড়া হয়েছে

অনলাইন  শনিবার, ০১ আগস্ট, ২০২৬

মিসকা শয়তান থেকে পাক্কা বেঈমান ভালো।
এই আফজাল হোসেন ৮০ দশকের টিভি অভিনেতা। তখন হুমায়ূন ফরীদি ও তুখোড় ছিলেন।
আফজাল হোসেনের যোগ্যতাটা পাবলিক সেন্টিমেন্টাল। কিছু নাটক ফাটকে একটু গাইগুই অভিনয় করছেন এই যাহ।তার লেখা সোশাল মিডিয়ায় অনেকেই পড়েন।আমিও পড়ি।মন্তব্যও করি।
কেনো জানি তখন থেকে মনে হতো আকু বুকি লেখে লোকটা। যেনো একজন মহা জ্ঞানী পন্ডিত।ভাষায় একটা গুরপ্যাচ রাখার চেষ্টা করেন।উদ্দেশ্য সে একজন মধ্যপন্থী নাবিক।দেশ সমাজ নিয়ে ভাবুক একজন পান্ডিত্য মহাযুগি তিনি।
কিন্তু একটা জিনিস তখন খেয়াল করতাম যে সে মানে এই আঁতেল জ্ঞানী আফজাল যার কিনা একক পরিচয় হলো একজন নাট্যশিল্পী।গাইগুই জ্ঞানী কথা লিখে।অথচ নাট্যাভিনেতা সিদ্দিক, মিশা সওদাগর, মমতাজসহ আরো অনেকে যখন লাঞ্চিত হন।তখন এই আঁতেল আফজাল কোন কথা কয় না।কিছু লিখে না।
এমন একটা ভাব যেনো সে একজন জুলাই cdi আবার না ও।মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি আবার না ও।মানে ধরি মাছ না ছুঁই পানি।কেমন একটা মিসকা শয়তান ভাব। মধ্যপন্থী মহাজন।
তা সে কে এমন হরিদাশ পাল যে তার জন্য শিল্পীরা একেবারেই পানিতে পড়ে যাবে। সে পক্ষ নিলেই কি আর না নিলেই কি? তবে তার অবস্থান ছিলো আলো ছায়ার খেলার মতো। এখন পরিষ্কার হয়েছে সবার সামনে।
কিন্ত সে মালটা সুবিধের নয় ।
ধরিবাজ।
ধান্ধাবাজ লোকেরা যেমন উভয় মাথায় লবন রেখে বড়ই খায় তেমন।কিন্তু এরকম শাক চুন্নির মতো ভেজা বেড়াল পাবলিক ঠিকই চিনে ফেলে।যতই সাধু সেজে তলে তলে ভাজা মাছ খেয়ে চলো তা কিন্তু প্রকাশ হয়ে যায়।
যখন আসাদুজ্জামান নূরের মত লোকেরা বিনা কারনে জেল খাটেন,ঢাবির শিক্ষকরা জেল খাটেন। মুক্তিযোদ্ধারা লাঞ্ছিত অপমানিত হন।শতশত শিক্ষক লাঞ্ছিত হন তখন এই সব আঁতেলরা কথা কয়না তখন বুঝতে বাকি থাকেনা এই সব হরিপদ কেরানিরা বহুত বড় বজ্জাত এবং মিসকা শয়তান।

Ruhel Ahmed Chowdhury Ruhel’s Post

মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।

জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

মিসকা শয়তান থেকে পাক্কা বেঈমান ভালো।

প্রকাশের সময় : ০৬:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ আগস্ট ২০২৬

অনলাইন  শনিবার, ০১ আগস্ট, ২০২৬

মিসকা শয়তান থেকে পাক্কা বেঈমান ভালো।
এই আফজাল হোসেন ৮০ দশকের টিভি অভিনেতা। তখন হুমায়ূন ফরীদি ও তুখোড় ছিলেন।
আফজাল হোসেনের যোগ্যতাটা পাবলিক সেন্টিমেন্টাল। কিছু নাটক ফাটকে একটু গাইগুই অভিনয় করছেন এই যাহ।তার লেখা সোশাল মিডিয়ায় অনেকেই পড়েন।আমিও পড়ি।মন্তব্যও করি।
কেনো জানি তখন থেকে মনে হতো আকু বুকি লেখে লোকটা। যেনো একজন মহা জ্ঞানী পন্ডিত।ভাষায় একটা গুরপ্যাচ রাখার চেষ্টা করেন।উদ্দেশ্য সে একজন মধ্যপন্থী নাবিক।দেশ সমাজ নিয়ে ভাবুক একজন পান্ডিত্য মহাযুগি তিনি।
কিন্তু একটা জিনিস তখন খেয়াল করতাম যে সে মানে এই আঁতেল জ্ঞানী আফজাল যার কিনা একক পরিচয় হলো একজন নাট্যশিল্পী।গাইগুই জ্ঞানী কথা লিখে।অথচ নাট্যাভিনেতা সিদ্দিক, মিশা সওদাগর, মমতাজসহ আরো অনেকে যখন লাঞ্চিত হন।তখন এই আঁতেল আফজাল কোন কথা কয় না।কিছু লিখে না।
এমন একটা ভাব যেনো সে একজন জুলাই cdi আবার না ও।মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি আবার না ও।মানে ধরি মাছ না ছুঁই পানি।কেমন একটা মিসকা শয়তান ভাব। মধ্যপন্থী মহাজন।
তা সে কে এমন হরিদাশ পাল যে তার জন্য শিল্পীরা একেবারেই পানিতে পড়ে যাবে। সে পক্ষ নিলেই কি আর না নিলেই কি? তবে তার অবস্থান ছিলো আলো ছায়ার খেলার মতো। এখন পরিষ্কার হয়েছে সবার সামনে।
কিন্ত সে মালটা সুবিধের নয় ।
ধরিবাজ।
ধান্ধাবাজ লোকেরা যেমন উভয় মাথায় লবন রেখে বড়ই খায় তেমন।কিন্তু এরকম শাক চুন্নির মতো ভেজা বেড়াল পাবলিক ঠিকই চিনে ফেলে।যতই সাধু সেজে তলে তলে ভাজা মাছ খেয়ে চলো তা কিন্তু প্রকাশ হয়ে যায়।
যখন আসাদুজ্জামান নূরের মত লোকেরা বিনা কারনে জেল খাটেন,ঢাবির শিক্ষকরা জেল খাটেন। মুক্তিযোদ্ধারা লাঞ্ছিত অপমানিত হন।শতশত শিক্ষক লাঞ্ছিত হন তখন এই সব আঁতেলরা কথা কয়না তখন বুঝতে বাকি থাকেনা এই সব হরিপদ কেরানিরা বহুত বড় বজ্জাত এবং মিসকা শয়তান।

Ruhel Ahmed Chowdhury Ruhel’s Post

মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।