, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

আওয়ামী লীগের রাস্তার কর্মীরা লড়ে যায়, মরে যায়, জেলে যায়.তোমরা কলকাতায়

  • প্রকাশের সময় : ০৭:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ আগস্ট ২০২৬
  • ১০৩ পড়া হয়েছে

অনলাইন  শনিবার, ০১ আগস্ট, ২০২৬ 

আওয়ামী লীগের রাস্তার কর্মীরা আগুনঝরানো শ্লোগান দেয়। জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু চিৎকার তাদের হৃদয়ের গহীন থেকে আসে। সেই শ্লোগানে থমকে যায় সময়, কেঁপে উঠে মসনদ। এই শ্লোগান দিতে দিতেই তারা মরে যায় গোপালগঞ্জের শহীদ দীপ্ত সাহার মতো, রমজান আলীর মতো! এই শ্লোগান দিতে দিতেই পুলিশের গাড়ীতে ওঠে মার খেয়ে বিধ্বস্ত জান্নাতুল ফেরদৌস পিয়া! এই শ্লোগান তসবীর মতো জপে কারাগারে জীবিত থাকে তাকিম আর আমার হাজারো ভাই। এরা সব রাস্তার কর্মী।
তোমরা যখন কলকাতায় উড়ে গিয়ে বুড়োভামদের ব্লোজ*ব দিয়ে একটা পদ কনফার্ম করো, নিশ্চিত করো যৌনসুখের মাধ‍্যমে সংরক্ষিত আসন-এই রাস্তার কর্মীরা তেড়িয়া লড়ে যায়, মরে যায়, জেলে যায়। তোমরা আজ বড় নেতার সঙ্গে শুয়ে রাস্তার কর্মীদের চাকর ভাবছো? ফাইভস্টার হোটেলের লাল পানির ফটোশুটে কি বোঝাচ্ছো? চু*তমারানি থেকে মহারাণী হয়ে গেছো? ভুলে যেও না তোমাদের ওই সুখস্বপ্ন টিকে আছে ওই রাস্তার কর্মীদের দয়ায়। তারা তোমাদের মতো কিছু পাওয়ার আশায় রাস্তায় নামে না।
দলে

Omi Pial’s Post

মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।

অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে দলকে ভালোবেসেই তারা লড়ে যায়, মরে যায়, জেলে যায়…

জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

আওয়ামী লীগের রাস্তার কর্মীরা লড়ে যায়, মরে যায়, জেলে যায়.তোমরা কলকাতায়

প্রকাশের সময় : ০৭:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ আগস্ট ২০২৬

অনলাইন  শনিবার, ০১ আগস্ট, ২০২৬ 

আওয়ামী লীগের রাস্তার কর্মীরা আগুনঝরানো শ্লোগান দেয়। জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু চিৎকার তাদের হৃদয়ের গহীন থেকে আসে। সেই শ্লোগানে থমকে যায় সময়, কেঁপে উঠে মসনদ। এই শ্লোগান দিতে দিতেই তারা মরে যায় গোপালগঞ্জের শহীদ দীপ্ত সাহার মতো, রমজান আলীর মতো! এই শ্লোগান দিতে দিতেই পুলিশের গাড়ীতে ওঠে মার খেয়ে বিধ্বস্ত জান্নাতুল ফেরদৌস পিয়া! এই শ্লোগান তসবীর মতো জপে কারাগারে জীবিত থাকে তাকিম আর আমার হাজারো ভাই। এরা সব রাস্তার কর্মী।
তোমরা যখন কলকাতায় উড়ে গিয়ে বুড়োভামদের ব্লোজ*ব দিয়ে একটা পদ কনফার্ম করো, নিশ্চিত করো যৌনসুখের মাধ‍্যমে সংরক্ষিত আসন-এই রাস্তার কর্মীরা তেড়িয়া লড়ে যায়, মরে যায়, জেলে যায়। তোমরা আজ বড় নেতার সঙ্গে শুয়ে রাস্তার কর্মীদের চাকর ভাবছো? ফাইভস্টার হোটেলের লাল পানির ফটোশুটে কি বোঝাচ্ছো? চু*তমারানি থেকে মহারাণী হয়ে গেছো? ভুলে যেও না তোমাদের ওই সুখস্বপ্ন টিকে আছে ওই রাস্তার কর্মীদের দয়ায়। তারা তোমাদের মতো কিছু পাওয়ার আশায় রাস্তায় নামে না।
দলে

Omi Pial’s Post

মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।

অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে দলকে ভালোবেসেই তারা লড়ে যায়, মরে যায়, জেলে যায়…