, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

কবি কাজী মাসুদা সালেহ-এর চতুর্থ মৃত্যুবার্ষিকী

  • প্রকাশের সময় : ০৭:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ আগস্ট ২০২৬
  • ১৬৪ পড়া হয়েছে

অনলাইন   সোমবার, ০৩ আগস্ট, ২০২৬

কবি কাজী মাসুদা সালেহ-এর চতুর্থ মৃত্যুবার্ষিকী

আজ (৪ আগস্ট) বিশিষ্ট কবি ও কথাসাহিত্যিক কাজী মাসুদা সালেহ-এর চতুর্থ মৃত্যুবার্ষিকী। ২০২২ সালের ৪ আগস্ট তিনি ঢাকার বারডেম হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন। একজন সুলেখক হিসেবে তিনি জীবদ্দশায় ২টি কবিতার, ২টি শিশুতোষ ও ১টি ছোটগল্পের বইসহ মোট ৫টি গ্রন্থ রচনা করেছেন। তিনি ‘মাসিক বেগম’ পত্রিকার নিয়মিত লেখক ছিলেন এবং দেশের বিভিন্ন জাতীয় সাহিত্য পত্রিকায়ও তাঁর লেখা নিয়মিত প্রকাশিত হতো। , বাংলাদেশ লেখিকা সংঘ, নন্দিনী সাহিত্য সংস্থা এবং জাতীয় কবিতা পরিষদের সাথে সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিলেন। এছাড়াও তিনি ‘প্যারিসের জানালা’-এর উপদেষ্টা এবং পাক্ষিক ‘পদ্মাপাড়’ পত্রিকার প্রকাশক হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। পারিবারিক জীবনে তাঁর পিতা কাজী আহমেদ হোসেন ছিলেন আজাদ হিন্দ ফৌজের একজন সক্রিয় সদস্য এবং পেশায় শিক্ষক ও চিকিৎসক; ছড়াকার ও সাংবাদিক আবু সালেহ কবির স্বামী এবং তাঁর একমাত্র সন্তান আবু জুবায়ের একজন কবি ও গবেষক।

জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

কবি কাজী মাসুদা সালেহ-এর চতুর্থ মৃত্যুবার্ষিকী

প্রকাশের সময় : ০৭:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ আগস্ট ২০২৬

অনলাইন   সোমবার, ০৩ আগস্ট, ২০২৬

কবি কাজী মাসুদা সালেহ-এর চতুর্থ মৃত্যুবার্ষিকী

আজ (৪ আগস্ট) বিশিষ্ট কবি ও কথাসাহিত্যিক কাজী মাসুদা সালেহ-এর চতুর্থ মৃত্যুবার্ষিকী। ২০২২ সালের ৪ আগস্ট তিনি ঢাকার বারডেম হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন। একজন সুলেখক হিসেবে তিনি জীবদ্দশায় ২টি কবিতার, ২টি শিশুতোষ ও ১টি ছোটগল্পের বইসহ মোট ৫টি গ্রন্থ রচনা করেছেন। তিনি ‘মাসিক বেগম’ পত্রিকার নিয়মিত লেখক ছিলেন এবং দেশের বিভিন্ন জাতীয় সাহিত্য পত্রিকায়ও তাঁর লেখা নিয়মিত প্রকাশিত হতো। , বাংলাদেশ লেখিকা সংঘ, নন্দিনী সাহিত্য সংস্থা এবং জাতীয় কবিতা পরিষদের সাথে সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিলেন। এছাড়াও তিনি ‘প্যারিসের জানালা’-এর উপদেষ্টা এবং পাক্ষিক ‘পদ্মাপাড়’ পত্রিকার প্রকাশক হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। পারিবারিক জীবনে তাঁর পিতা কাজী আহমেদ হোসেন ছিলেন আজাদ হিন্দ ফৌজের একজন সক্রিয় সদস্য এবং পেশায় শিক্ষক ও চিকিৎসক; ছড়াকার ও সাংবাদিক আবু সালেহ কবির স্বামী এবং তাঁর একমাত্র সন্তান আবু জুবায়ের একজন কবি ও গবেষক।