, বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এমপি ও সদস্যদের নৈতিকতা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে হবে :জামায়াত আমির

  • প্রকাশের সময় : ১২:১৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৫ আগস্ট ২০২৬
  • ২৪ পড়া হয়েছে

অনলাইন মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২৬

সোমবার (৩ জুলাই) রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়-সংলগ্ন আল ফালাহ মিলনায়তনে তিন ঘণ্টাব্যাপী এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ১০টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত চলা এই বৈঠকে দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পেয়েছে নৈতিক মান বজায় রাখার প্রশ্ন। শফিকুর রহমান স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন, সংগঠনের আদর্শিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ মেনে চলতে হবে এবং দলের গঠনতন্ত্রে বর্ণিত নীতিমালা কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে। সংসদ সদস্য হওয়ার কারণে কেউ বিশেষ ছাড় পাবেন না, নৈতিকতার প্রশ্নে সবাইকে একই মানদণ্ডে মূল্যায়ন করা হবে বলেও তিনি জানান। সেই সঙ্গে আর্থিক ও অন্যান্য প্রলোভন থেকে দূরে থাকতে এবং সংসদ ও সংসদের বাইরে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের নির্দেশ দেন তিনি।

এ ছাড়া সংসদ সদস্যদের ব্যক্তিগত সহকারী, চালক ও পিয়নসহ ঘনিষ্ঠ সহযোগীদের বিস্তারিত পরিচয় কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে পাঠানোর নির্দেশ দেন শফিকুর রহমান। পর্যাপ্ত তথ্য না জেনে সংসদে, গণমাধ্যমে বা দলীয় কর্মসূচিতে বক্তব্য না দেওয়ারও নির্দেশ দেন তিনি। পাশাপাশি সংসদীয় কার্যপ্রণালি, আইন প্রণয়ন ও জনস্বার্থসংক্রান্ত বিষয়ে দক্ষতা বাড়ানোর পরামর্শ দেওয়া হয়। জনগণের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রেখে তাদের সমস্যা সংসদে তুলে ধরারও তাগিদ দেওয়া হয়।

বৈঠকে উপস্থিত জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের একজন সদস্য জানান, বৈঠকে জনগণ ও দলের নেতা-কর্মীদের মধ্যে কার্যকর সংযোগ তৈরি এবং সংসদীয় কার্যক্রমে দক্ষতা বৃদ্ধির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন জামায়াতের আমির।

জনপ্রিয়

এমপি ও সদস্যদের নৈতিকতা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে হবে :জামায়াত আমির

প্রকাশের সময় : ১২:১৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৫ আগস্ট ২০২৬

অনলাইন মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২৬

সোমবার (৩ জুলাই) রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়-সংলগ্ন আল ফালাহ মিলনায়তনে তিন ঘণ্টাব্যাপী এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ১০টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত চলা এই বৈঠকে দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পেয়েছে নৈতিক মান বজায় রাখার প্রশ্ন। শফিকুর রহমান স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন, সংগঠনের আদর্শিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ মেনে চলতে হবে এবং দলের গঠনতন্ত্রে বর্ণিত নীতিমালা কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে। সংসদ সদস্য হওয়ার কারণে কেউ বিশেষ ছাড় পাবেন না, নৈতিকতার প্রশ্নে সবাইকে একই মানদণ্ডে মূল্যায়ন করা হবে বলেও তিনি জানান। সেই সঙ্গে আর্থিক ও অন্যান্য প্রলোভন থেকে দূরে থাকতে এবং সংসদ ও সংসদের বাইরে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের নির্দেশ দেন তিনি।

এ ছাড়া সংসদ সদস্যদের ব্যক্তিগত সহকারী, চালক ও পিয়নসহ ঘনিষ্ঠ সহযোগীদের বিস্তারিত পরিচয় কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে পাঠানোর নির্দেশ দেন শফিকুর রহমান। পর্যাপ্ত তথ্য না জেনে সংসদে, গণমাধ্যমে বা দলীয় কর্মসূচিতে বক্তব্য না দেওয়ারও নির্দেশ দেন তিনি। পাশাপাশি সংসদীয় কার্যপ্রণালি, আইন প্রণয়ন ও জনস্বার্থসংক্রান্ত বিষয়ে দক্ষতা বাড়ানোর পরামর্শ দেওয়া হয়। জনগণের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রেখে তাদের সমস্যা সংসদে তুলে ধরারও তাগিদ দেওয়া হয়।

বৈঠকে উপস্থিত জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের একজন সদস্য জানান, বৈঠকে জনগণ ও দলের নেতা-কর্মীদের মধ্যে কার্যকর সংযোগ তৈরি এবং সংসদীয় কার্যক্রমে দক্ষতা বৃদ্ধির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন জামায়াতের আমির।