, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

বাংলাদেশে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব তুরস্ককে: যৌথ সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী

  • প্রকাশের সময় : ০৪:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ জুন ২০২৬
  • ১৩০ পড়া হয়েছে

বাংলাদেশে ব্যাপক বিনিয়োগ করার পাশাপাশি একটি নিজস্ব ‘বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল’ প্রতিষ্ঠার জন্য তুরস্ককে আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ। শুক্রবার (৫ জুন) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে সফররত তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদানের সঙ্গে এক দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শেষে আয়োজিত যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।

​পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, বৈঠকে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য বিদ্যমান বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা ও প্রণোদনার বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। তিনি বলেন, “আমরা সম্ভাব্য তুর্কি বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশের বিভিন্ন অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছি। বিশেষ করে, বাংলাদেশে তাদের জন্য একটি একক বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

​ড. খলিলুর রহমান উল্লেখ করেন যে, দুই দেশের বর্তমান বাণিজ্য এখনো কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে পৌঁছায়নি, তবে তা দ্রুত বাড়ানোর বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। এ লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনা অনুযায়ী তুরস্কের সঙ্গে একটি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (FTA) এবং অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদে একটি অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি (PTA) স্বাক্ষরের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

​সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “হাকান ফিদান ভাইয়ের এই সফর বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এটি আগামী দিনে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় অংশীদারিত্বকে নতুন উচ্চতায় এবং কৌশলগত পর্যায়ে উন্নীত করার যৌথ অঙ্গীকার প্রদর্শন করে।

​জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি পদে বাংলাদেশের প্রার্থিতার প্রতি তুরস্কের অমূল্য সমর্থনের জন্য দেশটির সরকারের প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, “আমি গতকাল নির্বাচনের ঠিক পরেই দেশে ফিরেছি এবং বাংলাদেশে আপনাকে (হাকান ফিদান) অভ্যর্থনা জানানোর সৌভাগ্য আমার হয়েছে। ব্যক্তিগতভাবে আপনার কাছ থেকে যে সমর্থন ও উৎসাহ আমি পেয়েছি, তা কখনোই ভুলব না।

​উল্লেখ্য, পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর ড. খলিলুর রহমানের প্রথম দ্বিপক্ষীয় সফর ছিল তুরস্কে। সেই ধারাবাহিকতায় তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই ফিরতি সফরকে দুই ভ্রাতৃপ্রতিম দেশের পারস্পরিক সহযোগিতা, সমন্বয় ও বোঝাপড়াকে আরও গভীর করতে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে বাংলাদেশ সরকার। উভয় দেশই শান্তি, স্থিতিশীলতা, অর্থনৈতিক অগ্রগতি ও টেকসই উন্নয়ন এগিয়ে নিতে একসঙ্গে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে।

জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

বাংলাদেশে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব তুরস্ককে: যৌথ সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশের সময় : ০৪:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ জুন ২০২৬

বাংলাদেশে ব্যাপক বিনিয়োগ করার পাশাপাশি একটি নিজস্ব ‘বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল’ প্রতিষ্ঠার জন্য তুরস্ককে আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ। শুক্রবার (৫ জুন) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে সফররত তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদানের সঙ্গে এক দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শেষে আয়োজিত যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।

​পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, বৈঠকে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য বিদ্যমান বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা ও প্রণোদনার বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। তিনি বলেন, “আমরা সম্ভাব্য তুর্কি বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশের বিভিন্ন অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছি। বিশেষ করে, বাংলাদেশে তাদের জন্য একটি একক বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

​ড. খলিলুর রহমান উল্লেখ করেন যে, দুই দেশের বর্তমান বাণিজ্য এখনো কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে পৌঁছায়নি, তবে তা দ্রুত বাড়ানোর বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। এ লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনা অনুযায়ী তুরস্কের সঙ্গে একটি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (FTA) এবং অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদে একটি অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি (PTA) স্বাক্ষরের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

​সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “হাকান ফিদান ভাইয়ের এই সফর বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এটি আগামী দিনে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় অংশীদারিত্বকে নতুন উচ্চতায় এবং কৌশলগত পর্যায়ে উন্নীত করার যৌথ অঙ্গীকার প্রদর্শন করে।

​জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি পদে বাংলাদেশের প্রার্থিতার প্রতি তুরস্কের অমূল্য সমর্থনের জন্য দেশটির সরকারের প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, “আমি গতকাল নির্বাচনের ঠিক পরেই দেশে ফিরেছি এবং বাংলাদেশে আপনাকে (হাকান ফিদান) অভ্যর্থনা জানানোর সৌভাগ্য আমার হয়েছে। ব্যক্তিগতভাবে আপনার কাছ থেকে যে সমর্থন ও উৎসাহ আমি পেয়েছি, তা কখনোই ভুলব না।

​উল্লেখ্য, পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর ড. খলিলুর রহমানের প্রথম দ্বিপক্ষীয় সফর ছিল তুরস্কে। সেই ধারাবাহিকতায় তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই ফিরতি সফরকে দুই ভ্রাতৃপ্রতিম দেশের পারস্পরিক সহযোগিতা, সমন্বয় ও বোঝাপড়াকে আরও গভীর করতে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে বাংলাদেশ সরকার। উভয় দেশই শান্তি, স্থিতিশীলতা, অর্থনৈতিক অগ্রগতি ও টেকসই উন্নয়ন এগিয়ে নিতে একসঙ্গে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে।