, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

শেখ হাসিনার ‘সেফটি ডিল> ঢাকা ও ভারতের সমঝোতা ?

  • প্রকাশের সময় : ০৭:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
  • ৯৭ পড়া হয়েছে

অনলাইন মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬

 শেখ হাসিনার নিরাপত্তা ও প্রত্যর্পণ ইস্যু:‘র’প্রধানের গোপন ঢাকা সফর নিয়ে ভারতের সংবাদমাধ্যমে চাঞ্চল্যকর দাবি!

আগস্ট ২০২৬👉:- ভারতের প্রভাবশালী গোয়েন্দা সংস্থা ‘র’ (RAW)-এর প্রধান পরাগ জৈনসহ উচ্চপদস্থ

২০২৬👉:- ভারতের প্রভাবশালী গোয়েন্দা সংস্থা ‘র’ (RAW)-এর প্রধান পরাগ জৈনসহ উচ্চপদস্থ চার কর্মকর্তার হঠাৎ ঢাকা সফর নিয়ে দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনীতিতে তোলপাড় শুরু হয়েছে। ভারতের সংবাদমাধ্যম ‘নর্থইস্ট নিউজ’ ও ‘দ্য ওয়াল’-এর বিস্ফোরক প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই গোপনীয় সফরের মূল উদ্দেশ্য ছিল সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং তার সম্ভাব্য প্রত্যর্পণ বা প্রত্যাবর্তন নিয়ে বাংলাদেশ সরকারের সাথে একটি সমঝোতায় পৌঁছানো।

গোপন মিশন ও রুদ্ধদ্বার বৈঠক-প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ‘র’ প্রধান পরাগ জৈন সরাসরি চীন সফর শেষ করে একটি উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দল নিয়ে রোববার দুপুরে ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন। এই প্রতিনিধি দলে আরও রয়েছেন অশ্বীন মুকুন্দ কোটনিস, রাহুল নেগি এবং শৈবাল রায় চৌধুরী। ভারতের এই শীর্ষ গোয়েন্দা কর্মকর্তারা কোনো আনুষ্ঠানিক প্রটোকল ছাড়াই ঢাকায় এসে সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে অত্যন্ত গোপনীয় বৈঠক করেছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।
একই সময়ে, বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদীর সাথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এক দীর্ঘ রুদ্ধদ্বার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। গোয়েন্দা প্রধানের উপস্থিতি এবং প্রধানমন্ত্রীর সাথে হাই-কমিশনারের বৈঠক একই সূত্রে গাঁথা কি না—তা নিয়ে কূটনৈতিক মহলে ব্যাপক গুঞ্জন চলছে।
আলোচনায় শেখ হাসিনার ভবিষ্যৎ-নর্থইস্ট নিউজের তথ্যমতে, ৫ আগস্টের পর থেকে দিল্লিতে অবস্থানরত শেখ হাসিনাকে ঘিরে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে যে কূটনৈতিক টানাপোড়েন চলছে, তা নিরসনই এই সফরের প্রধান লক্ষ্য। ভারত কি শেখ হাসিনাকে ফেরত দেবে, নাকি তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করে তৃতীয় কোনো দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করবে—এমন প্রশ্নেই ঘুরপাক খাচ্ছে আলোচনা।
বিস্ফোরক এই প্রতিবেদনে আরও ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে যে, শেখ হাসিনার নিরাপত্তা নিয়ে ভারত অত্যন্ত উদ্বিগ্ন এবং বাংলাদেশের বর্তমান নেতৃত্বের সাথে এ বিষয়ে একটি ‘সেফটি ডিল’ বা নিরাপত্তা চুক্তির সম্ভাবনা যাচাই করছেন গোয়েন্দা কর্মকর্তারা।
কূটনৈতিক টানাপোড়েন ও সম্পর্কের সমীকরণ-বিশ্লেষকরা মনে করছেন, পরাগ জৈনের এই ঝটিকা সফর কেবল একটি গোয়েন্দা মিশন নয়, বরং এটি ভারতের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের নতুন সরকারের সাথে আস্থা তৈরির একটি বড় চেষ্টা। ভারতের গোয়েন্দা প্রধানের চীন সফরের ঠিক পরপরই ঢাকায় আসা ইঙ্গিত দেয় যে, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে ভারত সব পক্ষকেই গুরুত্ব দিচ্ছে।
এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ সরকার বা ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এই গোপন সফরের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে পর্দার আড়ালে যে বড় ধরনের কোনো কূটনৈতিক সমঝোতা চলছে, তার জোরালো ইঙ্গিত দিচ্ছে ভারতের সংবাদমাধ্যমগুলোর এই বিস্ফোরক প্রতিবেদন।

MD Baizid Sarkar’s Post

 মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।

জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

শেখ হাসিনার ‘সেফটি ডিল> ঢাকা ও ভারতের সমঝোতা ?

প্রকাশের সময় : ০৭:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬

অনলাইন মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬

 শেখ হাসিনার নিরাপত্তা ও প্রত্যর্পণ ইস্যু:‘র’প্রধানের গোপন ঢাকা সফর নিয়ে ভারতের সংবাদমাধ্যমে চাঞ্চল্যকর দাবি!

আগস্ট ২০২৬👉:- ভারতের প্রভাবশালী গোয়েন্দা সংস্থা ‘র’ (RAW)-এর প্রধান পরাগ জৈনসহ উচ্চপদস্থ

২০২৬👉:- ভারতের প্রভাবশালী গোয়েন্দা সংস্থা ‘র’ (RAW)-এর প্রধান পরাগ জৈনসহ উচ্চপদস্থ চার কর্মকর্তার হঠাৎ ঢাকা সফর নিয়ে দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনীতিতে তোলপাড় শুরু হয়েছে। ভারতের সংবাদমাধ্যম ‘নর্থইস্ট নিউজ’ ও ‘দ্য ওয়াল’-এর বিস্ফোরক প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই গোপনীয় সফরের মূল উদ্দেশ্য ছিল সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং তার সম্ভাব্য প্রত্যর্পণ বা প্রত্যাবর্তন নিয়ে বাংলাদেশ সরকারের সাথে একটি সমঝোতায় পৌঁছানো।

গোপন মিশন ও রুদ্ধদ্বার বৈঠক-প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ‘র’ প্রধান পরাগ জৈন সরাসরি চীন সফর শেষ করে একটি উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দল নিয়ে রোববার দুপুরে ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন। এই প্রতিনিধি দলে আরও রয়েছেন অশ্বীন মুকুন্দ কোটনিস, রাহুল নেগি এবং শৈবাল রায় চৌধুরী। ভারতের এই শীর্ষ গোয়েন্দা কর্মকর্তারা কোনো আনুষ্ঠানিক প্রটোকল ছাড়াই ঢাকায় এসে সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে অত্যন্ত গোপনীয় বৈঠক করেছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।
একই সময়ে, বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদীর সাথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এক দীর্ঘ রুদ্ধদ্বার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। গোয়েন্দা প্রধানের উপস্থিতি এবং প্রধানমন্ত্রীর সাথে হাই-কমিশনারের বৈঠক একই সূত্রে গাঁথা কি না—তা নিয়ে কূটনৈতিক মহলে ব্যাপক গুঞ্জন চলছে।
আলোচনায় শেখ হাসিনার ভবিষ্যৎ-নর্থইস্ট নিউজের তথ্যমতে, ৫ আগস্টের পর থেকে দিল্লিতে অবস্থানরত শেখ হাসিনাকে ঘিরে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে যে কূটনৈতিক টানাপোড়েন চলছে, তা নিরসনই এই সফরের প্রধান লক্ষ্য। ভারত কি শেখ হাসিনাকে ফেরত দেবে, নাকি তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করে তৃতীয় কোনো দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করবে—এমন প্রশ্নেই ঘুরপাক খাচ্ছে আলোচনা।
বিস্ফোরক এই প্রতিবেদনে আরও ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে যে, শেখ হাসিনার নিরাপত্তা নিয়ে ভারত অত্যন্ত উদ্বিগ্ন এবং বাংলাদেশের বর্তমান নেতৃত্বের সাথে এ বিষয়ে একটি ‘সেফটি ডিল’ বা নিরাপত্তা চুক্তির সম্ভাবনা যাচাই করছেন গোয়েন্দা কর্মকর্তারা।
কূটনৈতিক টানাপোড়েন ও সম্পর্কের সমীকরণ-বিশ্লেষকরা মনে করছেন, পরাগ জৈনের এই ঝটিকা সফর কেবল একটি গোয়েন্দা মিশন নয়, বরং এটি ভারতের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের নতুন সরকারের সাথে আস্থা তৈরির একটি বড় চেষ্টা। ভারতের গোয়েন্দা প্রধানের চীন সফরের ঠিক পরপরই ঢাকায় আসা ইঙ্গিত দেয় যে, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে ভারত সব পক্ষকেই গুরুত্ব দিচ্ছে।
এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ সরকার বা ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এই গোপন সফরের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে পর্দার আড়ালে যে বড় ধরনের কোনো কূটনৈতিক সমঝোতা চলছে, তার জোরালো ইঙ্গিত দিচ্ছে ভারতের সংবাদমাধ্যমগুলোর এই বিস্ফোরক প্রতিবেদন।

MD Baizid Sarkar’s Post

 মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।