
··অনলাইন শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২৬
পঞ্চগড়ের তেতুলিয়ায় জাল দলিলে ১৫০ একর ভূমি নামজারি করে নিলেন কারাগারারে থাকা সালমান এফ রহমান। বিশাল এ জালিয়াতিতে তাদের সহযোগিতা করেন পঞ্চগড়ের সাবেক ডিসি মো: সাবেত আলী, বর্তমান ডিসি শুকরিয়া পারভীন, এডিসি জেনারেল ইমাম রাজী টুটুল, ইউএনও ফজলে রাব্বী ও সদরের এসিল্যান্ড মোহন মিনজি সহ স্থানীয় প্রশাসন।
অনুসন্ধানে জানা যায়, শেখ হাসিনার লুটেরা দরবেশ সালমান এফ রহমানের বেক্সিমকো গ্রুপের সহযোগি প্রতিষ্ঠান করতোয়া সোলার ও পদ্মা সোলার নামে তেতুলিয়ায় দুইটি প্রতিষ্ঠান রেজিস্টার্ড হয়েছে হাসিনার আমলে। দুইটি সোলার স্টেশন স্থাপনের জন্য ২০২১ সাল থেকে কৃষি জমি অকৃষি দেখিয়ে কিছু জমি ক্রয় করে বেক্সিমকো গ্রুপ। পরবর্তীতে জাল ৬৯ টি জাল দলিল করে আশপাশের জমি নিজেদের নামে রেজিস্টার করে নেন দুরন্ধর সালমান এফ রহমান।
শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পর দরবেশ মহারাজ তার সঙ্গী সাথী আনিসুল হকসহ কট খেয়ে এখন হাজতে। সেখানে বসেই তিনি পরিচালনা করছেন বৈধ অবৈধ সব বাণিজ্য।
স্থানীয় সূত্র জানায়, ১৩ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পর স্থানীয় এক এমপির সহযোগিতায় ৬৯ টি ভুয়া দলিলের ১৫০ একর জমি তেতুলিয়া এসিল্যান্ডের মাধ্যমে নামজারি করা হয়। অনুসন্ধানে দেখা যায় বেক্সিমকো গ্রুপের আরো ৩১১টি দলিলের রেকর্ড সাব রেজিস্টার অফিসে থাকলেও উল্লেখিত ৬৯ টি দলিলের কোনো রেকর্ড নেই। কিসের ভিত্তিতে ওই দলিলে ১৫০ একর জমি নামজারি করা হয়েছে সংশ্লিষ্ট কেউ কোনো সন্তোষজনক উত্তর দিতে পারেন নি।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ৩১১ টি রেকর্ড দলিলে প্রায় ২০০ একর ভূমি রয়েছে। ওই দলিলের মধ্যেও কয়েকটি ভুয়া দলিল রয়েছে। ভুয়া মালিক সাজিয়ে জাল ডকুমেন্টে জমি কেনা বেচা হয়েছে বলে প্রকৃত ভূমি মালিকদের দাবি। তাদের ভাষ্যমতে ওই সময় সালমান এফ রহমানের ক্ষমতার দাপটে তারা অসহায় ছিলেন। এখন নির্বাচিত সরকার তাই মুখ খোলার সাহস পাচ্ছেন। তবে স্থানীয় এমপি যেহেতু বেক্সিমকোর পক্ষে তাই ভেতরে ভেতরে ভয় পাচ্ছেন।
পঞ্চগড়ের জেলা প্রশাসক শুকরিয়া পারভীনের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “আমি এ বিষয়ে কিছুই জানি না, তবে খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নিবো। ” অন্যদের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেও পাওয়া যায়নি।
চলবে,,,
Abdur Rab Bhuttow’s Post
মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।





















