, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

গাইবান্ধায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে জেলা প্রশাসনের বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও সচেতনতামূলক কর্মসূচি

  • প্রকাশের সময় : ০১:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ জুন ২০২৬
  • ৫০ পড়া হয়েছে
দেশজুড়ে ডেঙ্গুর প্রকোপ মোকাবিলা এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে গাইবান্ধায় বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ‘ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসম্পৃক্ততা বৃদ্ধি এবং ব্যাপক জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে’ এই কর্মসূচির আয়োজন করে গাইবান্ধা জেলা প্রশাসন।
​শনিবার (০৬ জুন) সকাল ১০টায় স্থানীয় শহীদ মিনার সংলগ্ন চত্বর থেকে র‍্যালিটি শুরু হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
​বর্ণাঢ্য এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন গাইবান্ধার জেলা প্রশাসক মাসুদুর রহমান মোল্লা। উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি বলেন, “ডেঙ্গু প্রতিরোধে কেবল সরকারি উদ্যোগই যথেষ্ট নয়, এর জন্য প্রয়োজন ব্যাপক জনসচেতনতা। প্রত্যেকে নিজ নিজ বাড়ি ও আঙিনা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখলে ডেঙ্গুর প্রকোপ অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব।”
​র‍্যালি ও সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- সিভিল সার্জন ডা. রফিকুজ্জামান, পুলিশ সুপার মো. জসীম উদ্দিন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) যাদব সরকার এবং গাইবান্ধা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুন্নবী টিটু।
​এছাড়াও জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, স্বাস্থ্য বিভাগের প্রতিনিধি, পুলিশ সদস্য, স্থানীয় সামাজিক-রাজনৈতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ব্যানার ও ফেস্টুন হাতে এই সচেতনতামূলক র‍্যালিতে অংশ নেন।
​সমাবেশে বক্তারা ডেঙ্গু রোগ ছড়ানোর বাহক এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করার ওপর বিশেষ জোর দেন। তিন দিনের বেশি জমে থাকা পরিষ্কার পানি ফেলে দেওয়া, ফুলের টব, ডাবের খোসা ও টায়ার নিয়মিত পরিষ্কার রাখার জন্য নাগরিকদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়। একই সাথে ডেঙ্গুর লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত নিকটস্থ সরকারি হাসপাতালে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেন সিভিল সার্জন ডা. রফিকুজ্জামান।
​জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল। তারা আশা প্রকাশ করেন, এই ধরনের কর্মসূচির মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধি পাবে এবং জেলা শহরকে ডেঙ্গুমুক্ত রাখা সম্ভব হবে।
জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

গাইবান্ধায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে জেলা প্রশাসনের বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও সচেতনতামূলক কর্মসূচি

প্রকাশের সময় : ০১:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ জুন ২০২৬
দেশজুড়ে ডেঙ্গুর প্রকোপ মোকাবিলা এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে গাইবান্ধায় বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ‘ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসম্পৃক্ততা বৃদ্ধি এবং ব্যাপক জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে’ এই কর্মসূচির আয়োজন করে গাইবান্ধা জেলা প্রশাসন।
​শনিবার (০৬ জুন) সকাল ১০টায় স্থানীয় শহীদ মিনার সংলগ্ন চত্বর থেকে র‍্যালিটি শুরু হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
​বর্ণাঢ্য এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন গাইবান্ধার জেলা প্রশাসক মাসুদুর রহমান মোল্লা। উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি বলেন, “ডেঙ্গু প্রতিরোধে কেবল সরকারি উদ্যোগই যথেষ্ট নয়, এর জন্য প্রয়োজন ব্যাপক জনসচেতনতা। প্রত্যেকে নিজ নিজ বাড়ি ও আঙিনা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখলে ডেঙ্গুর প্রকোপ অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব।”
​র‍্যালি ও সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- সিভিল সার্জন ডা. রফিকুজ্জামান, পুলিশ সুপার মো. জসীম উদ্দিন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) যাদব সরকার এবং গাইবান্ধা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুন্নবী টিটু।
​এছাড়াও জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, স্বাস্থ্য বিভাগের প্রতিনিধি, পুলিশ সদস্য, স্থানীয় সামাজিক-রাজনৈতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ব্যানার ও ফেস্টুন হাতে এই সচেতনতামূলক র‍্যালিতে অংশ নেন।
​সমাবেশে বক্তারা ডেঙ্গু রোগ ছড়ানোর বাহক এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করার ওপর বিশেষ জোর দেন। তিন দিনের বেশি জমে থাকা পরিষ্কার পানি ফেলে দেওয়া, ফুলের টব, ডাবের খোসা ও টায়ার নিয়মিত পরিষ্কার রাখার জন্য নাগরিকদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়। একই সাথে ডেঙ্গুর লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত নিকটস্থ সরকারি হাসপাতালে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেন সিভিল সার্জন ডা. রফিকুজ্জামান।
​জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল। তারা আশা প্রকাশ করেন, এই ধরনের কর্মসূচির মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধি পাবে এবং জেলা শহরকে ডেঙ্গুমুক্ত রাখা সম্ভব হবে।