, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

শেখ হাসিনাকে ফেরাতে ‘কৈরালা ফর্মুলা’!দিল্লির

  • প্রকাশের সময় : ০৭:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ আগস্ট ২০২৬
  • ৯০ পড়া হয়েছে
 · অনলাইন সোমবার, ১৭ আগস্ট ২০২৬
শেখ হাসিনাকে ফেরাতে ‘কৈরালা ফর্মুলা’! দিল্লিতে নরেন্দ্র মোদির শর্তে কি রাজি হবেন তারেক রহমান?
কূটনৈতিক প্রতিবেদক | ঢাকা ও দিল্লি:-
বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে পটপরিবর্তনের পর সবচেয়ে বড় কূটনৈতিক চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অবস্থান। আগামী ২০ থেকে ২৫ আগস্টের মধ্যে সম্ভাব্য উচ্চপর্যায়ের দিল্লি সফরকে কেন্দ্র করে দুই দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে বইছে জল্পনা-কল্পনার ঝড়। এই সফরে সবচেয়ে বড় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হতে যাচ্ছে শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরানোর পদ্ধতি বা তথাকথিত ‘কৈরালা ফর্মুলা’।
কী এই ‘কৈরালা ফর্মুলা’ বা নেপাল মডেল?-কূটনৈতিক মহলে গুঞ্জন উঠেছে, ভারত সরকার শেখ হাসিনাকে সরাসরি বন্দি বিনিময় চুক্তির আওতায় প্রত্যর্পণ না করে ‘নেপাল মডেল’ বা বি. পি. কৈরালা ফর্মুলা প্রস্তাব করতে পারে। ১৯৭৬ সালে নেপালের তৎকালীন জনপ্রিয় নেতা বি. পি. কৈরালা দীর্ঘ নির্বাসন শেষে স্বেচ্ছায় ভারতে থেকে নেপালে ফিরে গিয়েছিলেন। সেখানে তিনি আইনি প্রক্রিয়ার মুখোমুখি হন এবং এর মাধ্যমে একটি সম্মানজনক রাজনৈতিক প্রত্যাবর্তনের পথ তৈরি হয়েছিল। দিল্লি চায়, শেখ হাসিনাও একইভাবে স্বেচ্ছায় দেশে ফিরে আইনি লড়াইয়ের মাধ্যমে তার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করুন, যা একটি নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ সমাধান হতে পারে।
দিল্লির শর্ত ও ঢাকার অবস্থান:-সূত্রমতে, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই ‘কৈরালা ফর্মুলা’র ভিত্তিতেই আলোচনার পথ প্রশস্ত করতে চান। তবে বাংলাদেশ পক্ষ থেকে শেখ হাসিনাকে বন্দি বিনিময় চুক্তির আওতায় ফেরত পাওয়ার বিষয়ে জোরালো দাবি রয়েছে। এখন প্রশ্ন উঠেছে, তারেক রহমান কি দিল্লির এই বিশেষ প্রস্তাব বা শর্তে রাজি হবেন? নাকি তিনি সরাসরি প্রত্যর্পণের দাবিতেই অনড় থাকবেন?
আলোচনায় অন্যান্য দ্বিপক্ষীয় ইস্যু:-যদিও শেখ হাসিনা ইস্যুটি টক অব দ্য কান্ট্রি, তবে সফরের এজেন্ডায় রয়েছে আরও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে চলমান জ্বালানি সংকট সমাধানে ভারতের সহযোগিতা চাওয়া হবে। এছাড়া দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তির নবায়ন এবং তিস্তা মহাপরিকল্পনা বা তিস্তা প্রকল্পের মতো স্পর্শকাতর ও জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনার প্রত্যাশা করছে ঢাকা।
চ্যালেঞ্জিং সফর:-আগামী ২০-২৫ আগস্টের এই সফরটি দুই দেশের ভবিষ্যৎ সম্পর্কের সেতুবন্ধন হিসেবে দেখা হচ্ছে। একদিকে শেখ হাসিনাকে ফেরানোর আবেগ ও আইনি বাধ্যবাধকতা, অন্যদিকে ভারতের কৌশলগত নিরাপত্তা ও ভূ-রাজনীতি—এই দুইয়ের মাঝে ভারসাম্য রক্ষা করাই হবে এই সফরের মূল চ্যালেঞ্জ।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই সফরেই নির্ধারিত হবে আগামী দিনে দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্কের গতিপ্রকৃতি।#শেখ_হাসিনা #তারেক_রহমান #নরেন্দ্র_মোদি #কৈরালা_ফর্মুলা #ভারত_বাংলাদেশ_সম্পর্ক #দিল্লি_সফর #তিস্তা_চুক্তি #গঙ্গার_পানি #কূটনীতি #ব্রেকিং_নিউজ #Politics #BangladeshIndia #SheikhHasina #TariqueRahman #Geopolitics
 মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।
জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

শেখ হাসিনাকে ফেরাতে ‘কৈরালা ফর্মুলা’!দিল্লির

প্রকাশের সময় : ০৭:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ আগস্ট ২০২৬
 · অনলাইন সোমবার, ১৭ আগস্ট ২০২৬
শেখ হাসিনাকে ফেরাতে ‘কৈরালা ফর্মুলা’! দিল্লিতে নরেন্দ্র মোদির শর্তে কি রাজি হবেন তারেক রহমান?
কূটনৈতিক প্রতিবেদক | ঢাকা ও দিল্লি:-
বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে পটপরিবর্তনের পর সবচেয়ে বড় কূটনৈতিক চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অবস্থান। আগামী ২০ থেকে ২৫ আগস্টের মধ্যে সম্ভাব্য উচ্চপর্যায়ের দিল্লি সফরকে কেন্দ্র করে দুই দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে বইছে জল্পনা-কল্পনার ঝড়। এই সফরে সবচেয়ে বড় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হতে যাচ্ছে শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরানোর পদ্ধতি বা তথাকথিত ‘কৈরালা ফর্মুলা’।
কী এই ‘কৈরালা ফর্মুলা’ বা নেপাল মডেল?-কূটনৈতিক মহলে গুঞ্জন উঠেছে, ভারত সরকার শেখ হাসিনাকে সরাসরি বন্দি বিনিময় চুক্তির আওতায় প্রত্যর্পণ না করে ‘নেপাল মডেল’ বা বি. পি. কৈরালা ফর্মুলা প্রস্তাব করতে পারে। ১৯৭৬ সালে নেপালের তৎকালীন জনপ্রিয় নেতা বি. পি. কৈরালা দীর্ঘ নির্বাসন শেষে স্বেচ্ছায় ভারতে থেকে নেপালে ফিরে গিয়েছিলেন। সেখানে তিনি আইনি প্রক্রিয়ার মুখোমুখি হন এবং এর মাধ্যমে একটি সম্মানজনক রাজনৈতিক প্রত্যাবর্তনের পথ তৈরি হয়েছিল। দিল্লি চায়, শেখ হাসিনাও একইভাবে স্বেচ্ছায় দেশে ফিরে আইনি লড়াইয়ের মাধ্যমে তার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করুন, যা একটি নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ সমাধান হতে পারে।
দিল্লির শর্ত ও ঢাকার অবস্থান:-সূত্রমতে, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই ‘কৈরালা ফর্মুলা’র ভিত্তিতেই আলোচনার পথ প্রশস্ত করতে চান। তবে বাংলাদেশ পক্ষ থেকে শেখ হাসিনাকে বন্দি বিনিময় চুক্তির আওতায় ফেরত পাওয়ার বিষয়ে জোরালো দাবি রয়েছে। এখন প্রশ্ন উঠেছে, তারেক রহমান কি দিল্লির এই বিশেষ প্রস্তাব বা শর্তে রাজি হবেন? নাকি তিনি সরাসরি প্রত্যর্পণের দাবিতেই অনড় থাকবেন?
আলোচনায় অন্যান্য দ্বিপক্ষীয় ইস্যু:-যদিও শেখ হাসিনা ইস্যুটি টক অব দ্য কান্ট্রি, তবে সফরের এজেন্ডায় রয়েছে আরও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে চলমান জ্বালানি সংকট সমাধানে ভারতের সহযোগিতা চাওয়া হবে। এছাড়া দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তির নবায়ন এবং তিস্তা মহাপরিকল্পনা বা তিস্তা প্রকল্পের মতো স্পর্শকাতর ও জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনার প্রত্যাশা করছে ঢাকা।
চ্যালেঞ্জিং সফর:-আগামী ২০-২৫ আগস্টের এই সফরটি দুই দেশের ভবিষ্যৎ সম্পর্কের সেতুবন্ধন হিসেবে দেখা হচ্ছে। একদিকে শেখ হাসিনাকে ফেরানোর আবেগ ও আইনি বাধ্যবাধকতা, অন্যদিকে ভারতের কৌশলগত নিরাপত্তা ও ভূ-রাজনীতি—এই দুইয়ের মাঝে ভারসাম্য রক্ষা করাই হবে এই সফরের মূল চ্যালেঞ্জ।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই সফরেই নির্ধারিত হবে আগামী দিনে দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্কের গতিপ্রকৃতি।#শেখ_হাসিনা #তারেক_রহমান #নরেন্দ্র_মোদি #কৈরালা_ফর্মুলা #ভারত_বাংলাদেশ_সম্পর্ক #দিল্লি_সফর #তিস্তা_চুক্তি #গঙ্গার_পানি #কূটনীতি #ব্রেকিং_নিউজ #Politics #BangladeshIndia #SheikhHasina #TariqueRahman #Geopolitics
 মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।