, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

এস আলমের বিদ্যুৎকেন্দ্রের ঋণ ছাড়ের অনুমতি

  • প্রকাশের সময় : ০৮:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬
  • ৪৭ পড়া হয়েছে
অনলাইন বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬
 এসএস পাওয়ার-১ লিমিটেডের জন্য ঋণপত্র (এলসি) খোলার

বিতর্কিত এস আলম গ্রুপের মালিকানাধীবুধবার বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ-২ থেকে এ নির্দেশনা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

এ নির্দেশনা দেশের সব ব্যাংকে পাঠানো হয়েছে। এর আগে গত রোববার প্রতিষ্ঠানটিকে এলসি খোলার অনুমতি দেওয়া হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, এসএস পাওয়ার-১ লিমিটেডের অনুকূলে রূপালী ব্যাংকের অনুমোদিত বৈদেশিক মুদ্রা সিন্ডিকেটেড ঋণের অবশিষ্ট ৩১ লাখ ৯৭ হাজার ৫৬১ ডলার ছাড় এবং নতুন ঋণপত্র (এলসি) খোলার অনুমোদন দেওয়া হলো।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর মো. কবির আহাম্মদ স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ১২১ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এসএস পাওয়ার-১ লিমিটেডের অনুকূলে রূপালী ব্যাংকের এই ঋণ ছাড় ও ঋণপত্র খোলার ক্ষেত্রে ব্যাংক কোম্পানি আইনের ২৭ কক(৩) ধারার বিধান কার্যকর হবে না।

তবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রজ্ঞাপনে একটি বিশেষ শর্ত আরোপ করেছে। এতে বলা হয়, এই ঋণসুবিধার বিপরীতে বাংলাদেশ ব্যাংকের কোনো দায় সৃষ্টি হবে না এবং ভবিষ্যতে রূপালী ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে এ বাবদ কোনো ধরনের আর্থিক সহায়তা দাবি করতে পারবে না।

বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রকল্পটি চালু আছে এবং সেখান থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে। কাঁচামালের সংকট হলে বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ হয়ে যেতে পারে। বিদ্যুৎ উৎপাদন চলমান রাখার স্বার্থে ঋণখেলাপি হলেও এসএস পাওয়ার-১ লিমিটেডকে ঋণপত্র খোলার সুযোগ দেওয়া হয়েছে।

এর আগেও কর্মসংস্থান ও উৎপাদনের স্বার্থে অনেক কোম্পানিকে এমন সুযোগ দেওয়া হয়েছে। একইভাবে এই কোম্পানিকেও সুযোগ দেওয়া হয়েছে।

এস আলম গ্রুপ ও চীনের দুটি প্রতিষ্ঠানের যৌথ উদ্যোগে চট্টগ্রামের বাঁশখালীর গণ্ডামারা এলাকায় ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট সক্ষমতার কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটি নির্মাণ করা হয়েছে। কেন্দ্রটির দুটি ইউনিটের প্রতিটির উৎপাদনক্ষমতা ৬৬০ মেগাওয়াট। ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর থেকে কেন্দ্রটি বাণিজ্যিকভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করছে।

জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

এস আলমের বিদ্যুৎকেন্দ্রের ঋণ ছাড়ের অনুমতি

প্রকাশের সময় : ০৮:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬
অনলাইন বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬
 এসএস পাওয়ার-১ লিমিটেডের জন্য ঋণপত্র (এলসি) খোলার

বিতর্কিত এস আলম গ্রুপের মালিকানাধীবুধবার বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ-২ থেকে এ নির্দেশনা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

এ নির্দেশনা দেশের সব ব্যাংকে পাঠানো হয়েছে। এর আগে গত রোববার প্রতিষ্ঠানটিকে এলসি খোলার অনুমতি দেওয়া হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, এসএস পাওয়ার-১ লিমিটেডের অনুকূলে রূপালী ব্যাংকের অনুমোদিত বৈদেশিক মুদ্রা সিন্ডিকেটেড ঋণের অবশিষ্ট ৩১ লাখ ৯৭ হাজার ৫৬১ ডলার ছাড় এবং নতুন ঋণপত্র (এলসি) খোলার অনুমোদন দেওয়া হলো।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর মো. কবির আহাম্মদ স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ১২১ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এসএস পাওয়ার-১ লিমিটেডের অনুকূলে রূপালী ব্যাংকের এই ঋণ ছাড় ও ঋণপত্র খোলার ক্ষেত্রে ব্যাংক কোম্পানি আইনের ২৭ কক(৩) ধারার বিধান কার্যকর হবে না।

তবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রজ্ঞাপনে একটি বিশেষ শর্ত আরোপ করেছে। এতে বলা হয়, এই ঋণসুবিধার বিপরীতে বাংলাদেশ ব্যাংকের কোনো দায় সৃষ্টি হবে না এবং ভবিষ্যতে রূপালী ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে এ বাবদ কোনো ধরনের আর্থিক সহায়তা দাবি করতে পারবে না।

বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রকল্পটি চালু আছে এবং সেখান থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে। কাঁচামালের সংকট হলে বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ হয়ে যেতে পারে। বিদ্যুৎ উৎপাদন চলমান রাখার স্বার্থে ঋণখেলাপি হলেও এসএস পাওয়ার-১ লিমিটেডকে ঋণপত্র খোলার সুযোগ দেওয়া হয়েছে।

এর আগেও কর্মসংস্থান ও উৎপাদনের স্বার্থে অনেক কোম্পানিকে এমন সুযোগ দেওয়া হয়েছে। একইভাবে এই কোম্পানিকেও সুযোগ দেওয়া হয়েছে।

এস আলম গ্রুপ ও চীনের দুটি প্রতিষ্ঠানের যৌথ উদ্যোগে চট্টগ্রামের বাঁশখালীর গণ্ডামারা এলাকায় ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট সক্ষমতার কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটি নির্মাণ করা হয়েছে। কেন্দ্রটির দুটি ইউনিটের প্রতিটির উৎপাদনক্ষমতা ৬৬০ মেগাওয়াট। ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর থেকে কেন্দ্রটি বাণিজ্যিকভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করছে।