, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

ঢাকার চিঠিতে২০১৩ সালের চুক্তির আওতায় শেখ হাসিনাকে ফেরত দিবে না ভারত

  • প্রকাশের সময় : ০৭:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৫৯ পড়া হয়েছে

অনলাইন শনিবার, ০৫সেপ্টেম্বর২০২৬

বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরাতে ভারতকে চিঠি পাঠিয়েছে ঢাকা। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা ও রায় ঘোষণার পর, ২০১৩ সালের ভারত-বাংলাদেশ বন্দি বিনিময় চুক্তির আওতায় তাকে ফেরত পাওয়ার চেষ্টা করছে বাংলাদেশ সরকার।

এর মূল কারণ লুকিয়ে আছে সেই চুক্তিরই কয়েকটি আইনি ধারায়। ২০১৩ সালের চুক্তির ৬ নম্বর অনুচ্ছেদে পরিষ্কার বলা আছে, কোনো মামলা যদি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয় বা অভিযুক্তের অপরাধ ‘রাজনৈতিক প্রকৃতির’ বলে মনে হয়, তবে অন্য দেশ তাকে ফেরত দিতে বাধ্য নয়।

ভারত চাইলে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে হওয়া এই বিচারকে রাজনৈতিক প্রতিশোধ হিসেবে দেখিয়ে তাকে ফেরত দিতে অস্বীকার করতেই পারে।

এ ছাড়া চুক্তির ৮ নম্বর অনুচ্ছেদে বলা আছে, বিচারে যদি শতভাগ নিরপেক্ষতা ও ন্যায়বিচার বজায় না থাকে, তবে বন্দি ফেরত পাঠানোর আবেদন নাকচ করা যায়। শেখ হাসিনার অনুপস্থিতিতে মামলা চালানো এবং তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার যে সিদ্ধান্ত ট্রাইব্যুনাল থেকে এসেছে, আন্তর্জাতিক মহলেও তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ভারতেও নিজস্ব ১৯৬২ সালের প্রত্যর্পণ আইন রয়েছে, যা অনুযায়ী যেকোনো সাজানো বা রাজনৈতিক বিচারে কাউকে ফেরত দেওয়া আটকানো যায়।

আইনের এই ফাঁকফোকরের পাশাপাশি দিল্লির রাজনৈতিক হিসেবও বেশ বড় এক বিষয়। শেখ হাসিনা বহু বছর ধরে দিল্লির সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য মিত্র ছিলেন। সংকটকালে আশ্রয় দেওয়া এমন একজন সাবেক রাষ্ট্রপ্রধানকে বিচারিক সাজা খাটার জন্য ঢাকা কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দিলে তা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ভারতের কূটনৈতিক ভাবমূর্তিকে নষ্ট করতে পারে। তাই আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের চিঠি পাওয়ার পরও, চুক্তির আইনি অজুহাত দেখিয়েই ভারতকে এই প্রক্রিয়া ঝুলিয়ে রাখতে বা শেখ হাসিনাকে হস্তান্তরে না বলতে দেখা যাবে।

জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

ঢাকার চিঠিতে২০১৩ সালের চুক্তির আওতায় শেখ হাসিনাকে ফেরত দিবে না ভারত

প্রকাশের সময় : ০৭:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

অনলাইন শনিবার, ০৫সেপ্টেম্বর২০২৬

বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরাতে ভারতকে চিঠি পাঠিয়েছে ঢাকা। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা ও রায় ঘোষণার পর, ২০১৩ সালের ভারত-বাংলাদেশ বন্দি বিনিময় চুক্তির আওতায় তাকে ফেরত পাওয়ার চেষ্টা করছে বাংলাদেশ সরকার।

এর মূল কারণ লুকিয়ে আছে সেই চুক্তিরই কয়েকটি আইনি ধারায়। ২০১৩ সালের চুক্তির ৬ নম্বর অনুচ্ছেদে পরিষ্কার বলা আছে, কোনো মামলা যদি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয় বা অভিযুক্তের অপরাধ ‘রাজনৈতিক প্রকৃতির’ বলে মনে হয়, তবে অন্য দেশ তাকে ফেরত দিতে বাধ্য নয়।

ভারত চাইলে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে হওয়া এই বিচারকে রাজনৈতিক প্রতিশোধ হিসেবে দেখিয়ে তাকে ফেরত দিতে অস্বীকার করতেই পারে।

এ ছাড়া চুক্তির ৮ নম্বর অনুচ্ছেদে বলা আছে, বিচারে যদি শতভাগ নিরপেক্ষতা ও ন্যায়বিচার বজায় না থাকে, তবে বন্দি ফেরত পাঠানোর আবেদন নাকচ করা যায়। শেখ হাসিনার অনুপস্থিতিতে মামলা চালানো এবং তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার যে সিদ্ধান্ত ট্রাইব্যুনাল থেকে এসেছে, আন্তর্জাতিক মহলেও তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ভারতেও নিজস্ব ১৯৬২ সালের প্রত্যর্পণ আইন রয়েছে, যা অনুযায়ী যেকোনো সাজানো বা রাজনৈতিক বিচারে কাউকে ফেরত দেওয়া আটকানো যায়।

আইনের এই ফাঁকফোকরের পাশাপাশি দিল্লির রাজনৈতিক হিসেবও বেশ বড় এক বিষয়। শেখ হাসিনা বহু বছর ধরে দিল্লির সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য মিত্র ছিলেন। সংকটকালে আশ্রয় দেওয়া এমন একজন সাবেক রাষ্ট্রপ্রধানকে বিচারিক সাজা খাটার জন্য ঢাকা কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দিলে তা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ভারতের কূটনৈতিক ভাবমূর্তিকে নষ্ট করতে পারে। তাই আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের চিঠি পাওয়ার পরও, চুক্তির আইনি অজুহাত দেখিয়েই ভারতকে এই প্রক্রিয়া ঝুলিয়ে রাখতে বা শেখ হাসিনাকে হস্তান্তরে না বলতে দেখা যাবে।