
অনলাইন শনিবার, ০৫সেপ্টেম্বর২০২৬
এর মূল কারণ লুকিয়ে আছে সেই চুক্তিরই কয়েকটি আইনি ধারায়। ২০১৩ সালের চুক্তির ৬ নম্বর অনুচ্ছেদে পরিষ্কার বলা আছে, কোনো মামলা যদি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয় বা অভিযুক্তের অপরাধ ‘রাজনৈতিক প্রকৃতির’ বলে মনে হয়, তবে অন্য দেশ তাকে ফেরত দিতে বাধ্য নয়।
ভারত চাইলে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে হওয়া এই বিচারকে রাজনৈতিক প্রতিশোধ হিসেবে দেখিয়ে তাকে ফেরত দিতে অস্বীকার করতেই পারে।
আইনের এই ফাঁকফোকরের পাশাপাশি দিল্লির রাজনৈতিক হিসেবও বেশ বড় এক বিষয়। শেখ হাসিনা বহু বছর ধরে দিল্লির সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য মিত্র ছিলেন। সংকটকালে আশ্রয় দেওয়া এমন একজন সাবেক রাষ্ট্রপ্রধানকে বিচারিক সাজা খাটার জন্য ঢাকা কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দিলে তা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ভারতের কূটনৈতিক ভাবমূর্তিকে নষ্ট করতে পারে। তাই আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের চিঠি পাওয়ার পরও, চুক্তির আইনি অজুহাত দেখিয়েই ভারতকে এই প্রক্রিয়া ঝুলিয়ে রাখতে বা শেখ হাসিনাকে হস্তান্তরে না বলতে দেখা যাবে।





















