, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

এক বছর আগে এই সময় (রাত সাড়ে নয়টা) ঢাকা সেন্ট্রাল জেল

  • প্রকাশের সময় : ০১:১৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৫৩ পড়া হয়েছে
আজ ৮ সেপ্টেম্বর
এক বছর আগে এই সময় (রাত সাড়ে নয়টা) ঢাকা সেন্ট্রাল জেল কেরানীগঞ্জে ঢুকানো হয়েছিল আমাকে। গভীর রাতে দরজা ভেঙে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশের একটি দল। রাতে রাখা হয়েছিল মিন্টুরোড ডিবি অফিসের হাজতে। তিনটি কক্ষের একটি কক্ষে নারীদের, একটি কক্ষে পুরুষদের, কথিত ভিআইপি সেলে আমাকে। সেই রাতে আমি একাই ছিলাম। সারারাত জেগে বসেছিলাম। বুঝতে পারছিলাম না কেন গ্রেপ্তার। ইউনুস শাহী ক্ষমতায় বসে বলেছিল- মন খুলে সমালোচনা করতে। তাই তাদের দু:শাসন, অপশাসন, মবের মুল্লুক তৈরি করা, নির্বাচন নিয়ে টালবাহানা, নিজেদের স্বার্থসিদ্ধি, দেশজুড়ে সন্ত্রাস, মুক্তিযুদ্ধকে মুছে ফেলা ইত্যাদি নিয়ে কথা বলছিলাম।
সকালে নাস্তা দিয়েছিলো দুটো পরাঠা, বুটের ডাল, ডিম ভাজা আর এক কাপ চা। নাস্তা সরবরাহকারী চিনে ফেলায় আর কিছু লাগবে কিনা জিজ্ঞেস করে। তাকে বললাম বাড়তি কিছু লাগবে না সকলের জন্য যা বরাদ্দ সেটাই চলবে।
সেখানে দায়িত্বে থাকা এস আই একজন জানালো ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কেউ আমার সাথে কথা বলবেন সকাল নটার সময়। নটা পেরিয়ে সাড়ে নটা বাজলে জিজ্ঞেস করলাম কখন কথা বলবেন। জানানো হলো দশটার সময় কথা বলবেন। সাড়ে দশটায় জিজ্ঞেস করলাম কখন কথা বলবেন। জানালেন কথা বলবেন ১১ টায়। আবার সাড়ে এগারোটায় জিজ্ঞেস করলাম কখন কথা বলবেন। জানানো হলো বারোটায় বলবেন। সাড়ে বারোটায় বল হলো আপনাকে কোর্টে চালান করা হবে। শাহবাগ থানা থেকে টিম আসবে। তারাই বলবে কোন মামলায় আপনাকে চালান করা হচ্ছে। একটার দিকে টিম এসে ডিবি পুলিশের কাছে বুঝে নিল আমাকে এবং অন্যান্য প্রায় দশ বারো জনকে যাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছিল ঝটিকা মিছিল করার জন্য। সকলের হাতে হাতকড়া পরিয়ে একটা বড় পুলিশ ভ্যান আমাদের নিয়ে ছুটে চললো ঢাকা মেট্রোপলিটন কোর্টের দিকে। পরে শুনেছি আমার ক্যান্সার সারভাইভ করা বোন আর ওপেন হার্ট সার্জারি করা ভাই সকাল থেকেই ডিবি অফিসের গেটেই দাঁড়িয়ে ছিলো। কিন্তু তাদের কিছুই জানানো হয়নি।
কোর্ট হাজতে ঢোকানো হলো আমাকে সহ অন্যান্য বন্দীদের। তিল ধারণের জায়গা নেই হাজত ভর্তি এত মানুষ। বেলা দুইটার দিকে দেয়া হলো একটা বন রুটি, একটা কলা আর এক বোতল পানি। একজন বন্দী ক্ষুধার্ত চোখে তাকিয়ে থাকায় তাকে খাবারটা দিয়ে দিলাম। পানি খেয়ে নিলাম। কিছুক্ষণের মধ্যে আমার নাম ধরে ডাকাডাকি শুরু হলো। সাড়া দেয়ার পর কোর্টপুলিশ বললো ভুল করে আপনাকে এই হাজত কক্ষে ঢোকানো হয়েছে। আপনি বেরিয়ে আসেন। উল্টো দিকের একটি হাজত কক্ষ একেবারেই খালি ছিল। সেখানে হাতল ছাড়া দূটো সাদা প্লাস্টিক চেয়ার ছিল। একটাতে বসে পড়লাম। এই হাজত কক্ষের কোণায় একটা খোলা টয়লেট ছিল। কোনও মতে প্রস্রাব করা সম্ভব হলো।
বেলা তিনটার দিকে বলা হলো কোর্টে তোলা হবে। তার জন্য ব্যাপক প্রস্তুতি। পুলিশের সাজ সাজ রব। দুহাতে হাতকড়া, বুলেটপ্রুফ ভেস্ট, মাথায় হেলমেট সে কি এলাহি কাণ্ড। বলা হলো এই সাজ নাকি আমার রক্ষাকবচ।
কোর্টে তোলার পর জানলাম শাহবাগ থানার মামলা নং: ৩৯(৮)২৬ আমাকে সন্ত্রাস দমন আইনে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। মবের শিকার মঞ্চ ৭১ এর সতের জনের সাথে আমিও অভিযুক্ত। ইউনুস শাহীকে উৎখাতের ষড়যন্ত্র করেছি। আদালত জেলে পাঠানোর নির্দেশ দিলেন। আবার নিয়ে আসা হলো সেই হাজত কক্ষে। পুরো সময়ে কোর্ট পুলিশ সদস্যগণ বেশ সহানুভূতিশীল ব্যবহার করেছেন। চেষ্টা করেছেন ছোট পুলিশ ভ্যান যোগাড় করে কেরানীগঞ্জে পাঠিয়ে দেবার। কিন্তু বিধি বাম সেদিন কেরানীগঞ্জ জেল থাকে কোনও ডিভিশনপ্রাপ্ত আভিযুক্ত বা বন্দীকে কোর্টে আনা হয়নি।
অগত্যা বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে পেট ভর্তি অভিযুক্তদের নিয়ে দুলতে দুলেতে কেরানীগঞ্জের দিকে যাত্রা করলো পুলিশ ভ্যান। ঝটিকা মিছিলকারী অভিযুক্তরা আদালত ত্যাগ করার সময় স্লোগান তুলল জয় বাংলা। সন্ধ্যার পর পৌঁছলাম কেরানীগঞ্জ সেন্ট্রাল জেলে। আমাদের ঢুকানো হলে জেলের ভেতরে। ভেতরে গিজগিজ করছে অভিযুক্ত নতুন আসামি, হাজতে থাকা আসামি যারা কেসে হাজিরা দিতে গিয়েছিলেন আর বিচার চলছে এমন আসামির দল। প্রথম ধাপে মামলা হাজিরা দিতে যাওয়া আসামী এবং বিচার চলছে এমন আসামীদের কাগজপত্র পরীক্ষা করে ভিতরে নেয়া হলো। এরপর শুরু হলো নতুন আসামিদের ভিতরে নেওয়ার কাজ। নতুন করে কাগজপত্র তৈরি করা শুরু হলো তাদের জন্য। আমাকে বলা হলো অপেক্ষা করতে। সকলের শেষে আমার কাগজপত্র তৈরি করা হবে। একটা চেয়ার দিল বসার জন্য। প্রায় ঘন্টা দুয়েক পরে সকলকে ভিতরে ঢোকানোর পর শুরু হলো আমার কাগজপত্র তৈরি। কিছুটা সমীহ পেয়েছি ওখানে কেউ কেউ চিনে ফেলায়। বলা হলো সুপারের অনুমতি পেলেই আমাকে ডিভিশনে পাঠানো হবে। উপরের অনুমতি আসার পর ডিভিশন দিয়ে ভিতরে পাঠানোর কাজ শুরু হলো। হাতের ছাপ, ফর্ম পুরণ ইত্যাদি শেষে সাথের জিনিসপাতি তন্ন তন্ন করে দেখে, কয়েকদফা শরীর তল্লাশি করে, স্ক্যান করে ভেতরে ঢোকানোর আয়োজন শেষ হলো। ঠিকানা চম্পাকলি। রুম নাম্বার এক।
সারাদিন পেটে কিছু পড়েনি। সুবাদার বললেন গরম খিচুড়ি খাবো কিনা! এককথায় রাজী হয়ে গেলাম। মনে হলো কয়েকদিন খাইনি।
https://www.facebook.com/share/v/1FS9jjaPrt/

Abu Alam’s Post

মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।

জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

এক বছর আগে এই সময় (রাত সাড়ে নয়টা) ঢাকা সেন্ট্রাল জেল

প্রকাশের সময় : ০১:১৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
আজ ৮ সেপ্টেম্বর
এক বছর আগে এই সময় (রাত সাড়ে নয়টা) ঢাকা সেন্ট্রাল জেল কেরানীগঞ্জে ঢুকানো হয়েছিল আমাকে। গভীর রাতে দরজা ভেঙে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশের একটি দল। রাতে রাখা হয়েছিল মিন্টুরোড ডিবি অফিসের হাজতে। তিনটি কক্ষের একটি কক্ষে নারীদের, একটি কক্ষে পুরুষদের, কথিত ভিআইপি সেলে আমাকে। সেই রাতে আমি একাই ছিলাম। সারারাত জেগে বসেছিলাম। বুঝতে পারছিলাম না কেন গ্রেপ্তার। ইউনুস শাহী ক্ষমতায় বসে বলেছিল- মন খুলে সমালোচনা করতে। তাই তাদের দু:শাসন, অপশাসন, মবের মুল্লুক তৈরি করা, নির্বাচন নিয়ে টালবাহানা, নিজেদের স্বার্থসিদ্ধি, দেশজুড়ে সন্ত্রাস, মুক্তিযুদ্ধকে মুছে ফেলা ইত্যাদি নিয়ে কথা বলছিলাম।
সকালে নাস্তা দিয়েছিলো দুটো পরাঠা, বুটের ডাল, ডিম ভাজা আর এক কাপ চা। নাস্তা সরবরাহকারী চিনে ফেলায় আর কিছু লাগবে কিনা জিজ্ঞেস করে। তাকে বললাম বাড়তি কিছু লাগবে না সকলের জন্য যা বরাদ্দ সেটাই চলবে।
সেখানে দায়িত্বে থাকা এস আই একজন জানালো ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কেউ আমার সাথে কথা বলবেন সকাল নটার সময়। নটা পেরিয়ে সাড়ে নটা বাজলে জিজ্ঞেস করলাম কখন কথা বলবেন। জানানো হলো দশটার সময় কথা বলবেন। সাড়ে দশটায় জিজ্ঞেস করলাম কখন কথা বলবেন। জানালেন কথা বলবেন ১১ টায়। আবার সাড়ে এগারোটায় জিজ্ঞেস করলাম কখন কথা বলবেন। জানানো হলো বারোটায় বলবেন। সাড়ে বারোটায় বল হলো আপনাকে কোর্টে চালান করা হবে। শাহবাগ থানা থেকে টিম আসবে। তারাই বলবে কোন মামলায় আপনাকে চালান করা হচ্ছে। একটার দিকে টিম এসে ডিবি পুলিশের কাছে বুঝে নিল আমাকে এবং অন্যান্য প্রায় দশ বারো জনকে যাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছিল ঝটিকা মিছিল করার জন্য। সকলের হাতে হাতকড়া পরিয়ে একটা বড় পুলিশ ভ্যান আমাদের নিয়ে ছুটে চললো ঢাকা মেট্রোপলিটন কোর্টের দিকে। পরে শুনেছি আমার ক্যান্সার সারভাইভ করা বোন আর ওপেন হার্ট সার্জারি করা ভাই সকাল থেকেই ডিবি অফিসের গেটেই দাঁড়িয়ে ছিলো। কিন্তু তাদের কিছুই জানানো হয়নি।
কোর্ট হাজতে ঢোকানো হলো আমাকে সহ অন্যান্য বন্দীদের। তিল ধারণের জায়গা নেই হাজত ভর্তি এত মানুষ। বেলা দুইটার দিকে দেয়া হলো একটা বন রুটি, একটা কলা আর এক বোতল পানি। একজন বন্দী ক্ষুধার্ত চোখে তাকিয়ে থাকায় তাকে খাবারটা দিয়ে দিলাম। পানি খেয়ে নিলাম। কিছুক্ষণের মধ্যে আমার নাম ধরে ডাকাডাকি শুরু হলো। সাড়া দেয়ার পর কোর্টপুলিশ বললো ভুল করে আপনাকে এই হাজত কক্ষে ঢোকানো হয়েছে। আপনি বেরিয়ে আসেন। উল্টো দিকের একটি হাজত কক্ষ একেবারেই খালি ছিল। সেখানে হাতল ছাড়া দূটো সাদা প্লাস্টিক চেয়ার ছিল। একটাতে বসে পড়লাম। এই হাজত কক্ষের কোণায় একটা খোলা টয়লেট ছিল। কোনও মতে প্রস্রাব করা সম্ভব হলো।
বেলা তিনটার দিকে বলা হলো কোর্টে তোলা হবে। তার জন্য ব্যাপক প্রস্তুতি। পুলিশের সাজ সাজ রব। দুহাতে হাতকড়া, বুলেটপ্রুফ ভেস্ট, মাথায় হেলমেট সে কি এলাহি কাণ্ড। বলা হলো এই সাজ নাকি আমার রক্ষাকবচ।
কোর্টে তোলার পর জানলাম শাহবাগ থানার মামলা নং: ৩৯(৮)২৬ আমাকে সন্ত্রাস দমন আইনে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। মবের শিকার মঞ্চ ৭১ এর সতের জনের সাথে আমিও অভিযুক্ত। ইউনুস শাহীকে উৎখাতের ষড়যন্ত্র করেছি। আদালত জেলে পাঠানোর নির্দেশ দিলেন। আবার নিয়ে আসা হলো সেই হাজত কক্ষে। পুরো সময়ে কোর্ট পুলিশ সদস্যগণ বেশ সহানুভূতিশীল ব্যবহার করেছেন। চেষ্টা করেছেন ছোট পুলিশ ভ্যান যোগাড় করে কেরানীগঞ্জে পাঠিয়ে দেবার। কিন্তু বিধি বাম সেদিন কেরানীগঞ্জ জেল থাকে কোনও ডিভিশনপ্রাপ্ত আভিযুক্ত বা বন্দীকে কোর্টে আনা হয়নি।
অগত্যা বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে পেট ভর্তি অভিযুক্তদের নিয়ে দুলতে দুলেতে কেরানীগঞ্জের দিকে যাত্রা করলো পুলিশ ভ্যান। ঝটিকা মিছিলকারী অভিযুক্তরা আদালত ত্যাগ করার সময় স্লোগান তুলল জয় বাংলা। সন্ধ্যার পর পৌঁছলাম কেরানীগঞ্জ সেন্ট্রাল জেলে। আমাদের ঢুকানো হলে জেলের ভেতরে। ভেতরে গিজগিজ করছে অভিযুক্ত নতুন আসামি, হাজতে থাকা আসামি যারা কেসে হাজিরা দিতে গিয়েছিলেন আর বিচার চলছে এমন আসামির দল। প্রথম ধাপে মামলা হাজিরা দিতে যাওয়া আসামী এবং বিচার চলছে এমন আসামীদের কাগজপত্র পরীক্ষা করে ভিতরে নেয়া হলো। এরপর শুরু হলো নতুন আসামিদের ভিতরে নেওয়ার কাজ। নতুন করে কাগজপত্র তৈরি করা শুরু হলো তাদের জন্য। আমাকে বলা হলো অপেক্ষা করতে। সকলের শেষে আমার কাগজপত্র তৈরি করা হবে। একটা চেয়ার দিল বসার জন্য। প্রায় ঘন্টা দুয়েক পরে সকলকে ভিতরে ঢোকানোর পর শুরু হলো আমার কাগজপত্র তৈরি। কিছুটা সমীহ পেয়েছি ওখানে কেউ কেউ চিনে ফেলায়। বলা হলো সুপারের অনুমতি পেলেই আমাকে ডিভিশনে পাঠানো হবে। উপরের অনুমতি আসার পর ডিভিশন দিয়ে ভিতরে পাঠানোর কাজ শুরু হলো। হাতের ছাপ, ফর্ম পুরণ ইত্যাদি শেষে সাথের জিনিসপাতি তন্ন তন্ন করে দেখে, কয়েকদফা শরীর তল্লাশি করে, স্ক্যান করে ভেতরে ঢোকানোর আয়োজন শেষ হলো। ঠিকানা চম্পাকলি। রুম নাম্বার এক।
সারাদিন পেটে কিছু পড়েনি। সুবাদার বললেন গরম খিচুড়ি খাবো কিনা! এককথায় রাজী হয়ে গেলাম। মনে হলো কয়েকদিন খাইনি।
https://www.facebook.com/share/v/1FS9jjaPrt/

Abu Alam’s Post

মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।