, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

রূপপুর পারমাণবিক প্রকল্পে আগুন ক্ষতিগ্রস্ত সার্ভার রুম

  • প্রকাশের সময় : ০৬:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৫২ পড়া হয়েছে
পাবনার ঈশ্বরদীতে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের পাইওনিয়ার ব্যাজে গভীর রাতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। আগুনে বায়েকের সার্ভার রুমসহ আশপাশের কয়েকটি কক্ষ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে কম্পিউটার, এসি, গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র, বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ও ইন্টারনেট সার্ভারের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সোমবার রাত ৩টার দিকে বায়েকের পাইওনিয়ার ব্যাজের সার্ভার রুমে হঠাৎ আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ও ধোঁয়া দ্রুত আশপাশের কক্ষগুলোয় ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে ঈশ্বরদী ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট গিয়ে দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। অগ্নিকাণ্ডের পর থেকে পাইওনিয়ার ব্যাজসহ আশপাশের দুটি ভবনে বিদ্যুৎ সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। একই সঙ্গে প্রকল্পের নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেড (এনপিসিবিএল) এবং বায়েকের বিভিন্ন কার্যালয়ে ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। এমনকি কাস্টমস ভবন ও ক্যান্টিনেও বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। অগ্নিকাণ্ডের  পর বুধবার সন্ধ্যায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এসব স্থাপনায় ইন্টারনেট সংযোগ স্বাভাবিক হয়নি। ফলে আন্তযোগাযোগে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন প্রকল্পে কর্মরতরা। পাবনা ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক মো. সাদেকুল বারী জানান, প্রাথমিকভাবে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শেষে অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ জানা যাবে। রূপপুর গ্রিনসিটি মডার্ন ফায়ার সার্ভিসের স্টেশনমাস্টার মো. শহিদুল ইসলাম জানান, সার্ভার রুমের প্রযুক্তিগত সরঞ্জাম ও কাগজপত্র পুড়ে যাওয়ায় বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষতির সুনির্দিষ্ট পরিমাণ নিরূপণ করা সম্ভব হয়নি। গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও নথিপত্র নষ্ট হওয়ার আশঙ্কায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন প্রকল্পসংশ্লিষ্টরা। অগ্নিকাণ্ডের বিষয়ে বক্তব্য জানতে চেষ্টা করা হলেও প্রকল্পসংশ্লিষ্টরা কেউ কথা বলেননি। এদিকে, গতকাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পের পাইওনিয়ার ব্যাজের একটি অস্থায়ী ভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাটি মূল স্থাপনার বাইরে। ফলে এ ঘটনায় বিদ্যুৎকেন্দ্রের মূল স্থাপনাগুলোর নির্মাণ কার্যক্রম ও কমিশনিং কার্যক্রম প্রভাবিত হওয়ার সুযোগ নেই।

জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

রূপপুর পারমাণবিক প্রকল্পে আগুন ক্ষতিগ্রস্ত সার্ভার রুম

প্রকাশের সময় : ০৬:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
পাবনার ঈশ্বরদীতে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের পাইওনিয়ার ব্যাজে গভীর রাতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। আগুনে বায়েকের সার্ভার রুমসহ আশপাশের কয়েকটি কক্ষ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে কম্পিউটার, এসি, গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র, বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ও ইন্টারনেট সার্ভারের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সোমবার রাত ৩টার দিকে বায়েকের পাইওনিয়ার ব্যাজের সার্ভার রুমে হঠাৎ আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ও ধোঁয়া দ্রুত আশপাশের কক্ষগুলোয় ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে ঈশ্বরদী ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট গিয়ে দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। অগ্নিকাণ্ডের পর থেকে পাইওনিয়ার ব্যাজসহ আশপাশের দুটি ভবনে বিদ্যুৎ সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। একই সঙ্গে প্রকল্পের নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেড (এনপিসিবিএল) এবং বায়েকের বিভিন্ন কার্যালয়ে ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। এমনকি কাস্টমস ভবন ও ক্যান্টিনেও বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। অগ্নিকাণ্ডের  পর বুধবার সন্ধ্যায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এসব স্থাপনায় ইন্টারনেট সংযোগ স্বাভাবিক হয়নি। ফলে আন্তযোগাযোগে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন প্রকল্পে কর্মরতরা। পাবনা ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক মো. সাদেকুল বারী জানান, প্রাথমিকভাবে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শেষে অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ জানা যাবে। রূপপুর গ্রিনসিটি মডার্ন ফায়ার সার্ভিসের স্টেশনমাস্টার মো. শহিদুল ইসলাম জানান, সার্ভার রুমের প্রযুক্তিগত সরঞ্জাম ও কাগজপত্র পুড়ে যাওয়ায় বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষতির সুনির্দিষ্ট পরিমাণ নিরূপণ করা সম্ভব হয়নি। গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও নথিপত্র নষ্ট হওয়ার আশঙ্কায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন প্রকল্পসংশ্লিষ্টরা। অগ্নিকাণ্ডের বিষয়ে বক্তব্য জানতে চেষ্টা করা হলেও প্রকল্পসংশ্লিষ্টরা কেউ কথা বলেননি। এদিকে, গতকাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পের পাইওনিয়ার ব্যাজের একটি অস্থায়ী ভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাটি মূল স্থাপনার বাইরে। ফলে এ ঘটনায় বিদ্যুৎকেন্দ্রের মূল স্থাপনাগুলোর নির্মাণ কার্যক্রম ও কমিশনিং কার্যক্রম প্রভাবিত হওয়ার সুযোগ নেই।