
অনলাইন সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রাজাকারের দালাল কর্নেল অলির ডিগবাজি কে ও হার মানিয়েছে, এই গাদ্দারের নীরব ভূমিকা। হ্যাঁ এই সেই ব্যক্তি।
ফারুক-ই-আজম (বীর প্রতীক)। ইউনূসের শাসনামলে উনি ছিলেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপদেষ্টা।গত ১৮ মাসে ফারুক-ই-আজমের সাফল্য
১.মুক্তিযোদ্ধাদের গলায় জুতার মালা পড়ানো হয়েছে
২.স্যান্ডেল দিয়ে মুক্তিযোদ্ধার গালে জুতা মারা হয়েছে,
৩.মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিস্তম্ভ ভেঙে ফেলা হয়েছে,
৪.প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের গেজেট বাতিল করা হয়েছে,
৫.মুক্তিযোদ্ধার কবরে আগুন দেওয়া হয়েছে,
৬.মিথ্যা মামলায় মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের সন্তানদের জেলে যেতে হয়েছে।
৭.মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃত করা হয়েছে।
৮.মুক্তিযুদ্ধ কে তুচ্ছতাচ্ছিল্য ভাবে জাতির সামনে তুলে ধরা হয়েছে।
৯.মুক্তিযোদ্ধাদের বসতভিটা সম্পত্তি অবৈধভাবে দখল করা হয়েছে।
১০. বীর মুক্তিযোদ্ধারা সবসময় নিরাপত্তাহীনতায় ভুগেছেন।
১১) মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রনালয় ও সরকারী অফিস আদালতে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের লাঞ্চিত আপমানিত করা হয়েছে।
১২) মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রনালয়, মুক্তিযোদ্ধা কল্যান ট্রাষ্ট ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদের তহবিল লুটপাট ও সম্পত্তি দখলের মাধ্যমে সীমাহীন লুটপাট করা হয়েছে।
১৩) মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর, স্বাধীনতা জাদুঘর সহ মুক্তিযুদ্ধের সকল স্মারক ডকুমেন্টস ও দলিল ধংস্ব করা হয়েছে
১৪) মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রনালয়ের থাকা রাজাকার আলবদর স্বাধীনতাবিরোধীদের তালিকা পরিকল্পিতভাবে নষ্ট করে পাকিস্তানি দালালদের দায়মুক্তি দেওয়া হয়েছে।
এই কয়েকমাসে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে স্বাধীনতা বিরোধীরা নগ্ন ভাবে জাতির সামনে তুলে ধরেছেন অথচ এতো গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকার পরেও তিনি ছিলেন নিশ্চুপ বোবা।
আপনি যত বড়ই মুক্তিযোদ্ধা হোন না কেন, জাতি আপনাকে কখনোই ক্ষমা করবেন না।
MD Suman’s Post
মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।





















