
অনলাইন সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ড. ইউনূসের দেড় বছরের শাসনকালের নানা অকথিত অধ্যায় ধীরে ধীরে প্রকাশ হতে শুরু করেছে। ২৪ এর পাঁচ আগস্ট এক অভূতপূর্ব গনঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে আওয়ামীলীগ সরকারের পতনের পর বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা ড. ইউনূসকে ক্ষমতায় বসায়। দেশের মানুষ আশা করেছিল, ড. ইউনূসের নেতৃত্বে সুশীল সমাজের সরকার দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করবে, বৈষম্য দূর করবে, দুর্নীতি মুক্ত দেশ গড়বে। কিন্তু ইউনূসের দেড় বছরের শাসনকাল ছিল বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে খারাপ শাসন।
সুশাসনের বদলে ইউনূস সরকার স্বেচ্ছাচারিতা আর অনিয়মের রাজত্ব কায়েম করেছিলেন, বৈষম্য বিলোপের বদলে নতুন করে বৈষম্য সৃষ্টি করেছিলেন ইউনূস। তবে ইউনূসের শাসনকালের সবচেয়ে ভয়াবহ দিক হলো দুর্নীতি আর লুটপাট। মাত্র দেড় বছরে ইউনূস এবং তার উপদেষ্টা আর সহকারীরা যে পরিমাণ লুটপাট করেছে তা অতীতের দুর্নীতির সব রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে। সম্প্রতি দুর্নীতি দমন কমিশন নতুন করে গঠিত হয়েছে।
নতুন কমিশন গঠিত হওয়ার পর, দুর্নীতির বিভিন্ন অভিযোগগুলো আমলে নেয়া হচ্ছে। প্রাথমিক তদন্ত করা হচ্ছে। এতে দেখা যাচ্ছে, সবচেয়ে বেশি দুর্নীতির অভিযোগ জমা হয়েছে ইউনূস সরকারের মন্ত্রী, উপদেষ্টা এবং ইউনূস ঘনিষ্ঠ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে। জানা গেছে ইউনূস সরকারের আমলে সংগঠিত দুর্নীতির অন্তত দুই হাজার অভিযোগ এসেছে দুর্নীতি দমন কমিশনের কাছে।
দুদক এসব অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য প্রাথমিক তদন্ত করছে। ইতোমধ্যে ড. ইউনূসের ঘনিষ্ঠ ছাত্র উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়ার বিরুদ্ধে ১৩ হাজার কোটি টাকার দুর্নীতির তদন্ত শুরু করেছে দুদক।দুদকের নথিতে বলা হয়েছে, দুর্নীতির অর্থ দিয়ে পর্তুগালে জমি কেনা, দুবাইয়ের ‘গ্রিন গ্রুপে’ বিনিয়োগ এবং সুইস ব্যাংকে অর্থ জমা রাখার অভিযোগ রয়েছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, দুবাইয়ে ৪ হাজার ৫০০ কোটি, সিঙ্গাপুরে ৩ হাজার কোটি, অস্ট্রেলিয়ায় ২ হাজার কোটি এবং সুইজারল্যান্ডে ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা পাচার করা হয়েছে। চার দেশের হিসাবে মোট অর্থের পরিমাণ দাঁড়ায় ১১ হাজার কোটি টাকা।
আসিফ মাহমুদের দুই বোন জামাই ও এক ভাগ্নের মাধ্যমে বিদেশে বিপুল অর্থ পাচারের অভিযোগও রয়েছে। তবে দুদকের ঘনিষ্ঠ সূত্র গুলো জানিয়েছে, শুধু আসিফ মাহমুদ একা নয়, বেশিরভাগ উপদেষ্টাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির লিখিত অভিযোগ আছে। জানা গেছে, এসব অভিযোগে প্রধান উপদেষ্টাসহ অধিকাংশ উপদেষ্টা এবং বিশেষ সহকারীর বিরুদ্ধে বিদেশে অর্থ পাচারের অভিযোগ রয়েছে। ড. ইউনূস প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালনকালীন সময়ে অন্তত চারটি দেশ পাঁচ হাজার কোটি টাকার বেশি পাচার করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এই দেশ গুলোর মধ্যে রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, সুইজারল্যান্ড এবং নরওয়ে।
অভিযোগে বলা হয়েছে, এসব দেশে ইউনূসের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানে অবৈধভাবে বিপুল অর্থ বিনিয়োগ করা হয়েছে। তবে নরওয়েতে ইউনূসের নিজস্ব একাউন্টে বাংলাদেশি মুদ্রায় ৩৭৪ কোটি টাকা জমা হওয়ার একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে বলা হয়েছে, গ্রামীণ ফোনের বহুজাতিক কোম্পানি টেলিনর থেকে এই অর্থ ইউনূসের অ্যাকাউন্টে জমা হয়েছে। উল্লেখ্য ইউনূস আমলে টেলিনর পরিচালিত গ্রামীণ
Audite Karim’s Post
মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।





















