, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

বিএনপির সকল পেশাজীবীদের মধ্যে বিভক্তি ভয়ংকর ?

  • প্রকাশের সময় : ০৮:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৪৪ পড়া হয়েছে

অনলাইন  মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বিএনপির আইনজীবী, ডাক্তার এবং ইন্জিনিয়ারসহ সকল পেশাজীবীদের বিভক্তি দেখে মনে হচ্ছে এরা নিজেরাই ধ্বংস করে দেবে সরকারকে।
মাত্র ৬ মাস পার করল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বিএনপি সরকার। কিন্তু ইতিমধ্যেই বিএনপির রাজনৈতিক নেতাদের চেয়েও বেশি ভয়ংকর রুপ নিয়েছে পেশাজীবী সংগঠনগুলোর মধ্যে আন্তকোন্দল।আশ্চর্যের সাথে লক্ষ্য করছি প্রধানমন্ত্রীর কোন নির্দেশনা বা নিয়ন্ত্রন কি পেশাজীবী সংগঠনগুলোর উপর নাই! ইন্জিনিয়ারদের সংগঠন AEB বা এব, উকিল দের সংগঠন জাতীয়তাবাদী আইনজীবী সমিতি ও ডাক্তারদের সংগঠন DAB বা ড‍্যাব কত ভাগে যে বিভক্ত হয়ে আছে তার কোন ইয়ত্তা নাই। আমি আশ্চর্য হই উপরে উল্লিখিত তিনটি সংগঠনের সিনিয়র বা জুনিয়র সবাই দেশের সবচেয়ে উচ্চ শিক্ষিত শ্রেনী এবং সমাজের পরিচালনা তারাই করে। কিন্তু তাদের একের প্রতি অন্যের মনোভাব এবং আচরণ দেখলে মনে হবে এরা সবচেয়ে নিকৃষ্ট মানুষ! নিজের স্বার্থ চরিতার্থ করা ছাড়া তারা দল ও সরকারের কোন ভাল কাজে নাই।
ইতিমধ্যেই উকিলদের বিভক্তি প্রকাশ্যে আশা শুরু হয়েছে এবং গত তিনদিন ধরে সুপ্রিম কোর্টের ভিতরে বাহিরে এসব সংসদ সদস্য ও সুপ্রিম কোর্ট বারের সভাপতি ব‍্যারিষ্টার মাহবুব উদ্দিন আহমেদ খোকন আর এটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজলের দু গ্রুপ মুখোমুখি। সহকারী ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নিয়োগ সহ নানা ইস্যুতে একজন আরেকজনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে চলেছে। আবার ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সাথে ও খোকন সাহেবর সম্পর্ক সাপে- নেউলে। সংসদে সেটা কিছুটা হলেও লক্ষ‍্য করা গেছে।দীর্ঘদিন রাজনীতি করলে ও আইনমন্ত্রী এরা কেউ হতে পারেনি।আর এদের এই মারামারির সুযোগে জুনিয়র হয়েও জাসদ থেকে এসে আইনমন্ত্রী পদ নিয়ে নেন এডভোকেট আসাদুজ্জামান।আর সবচেয়ে সিনিয়র আইনজীবী এডভোকেট জয়নুল আবেদীন ও এদের কোন্দলের শিকার হয়ে কোনমতে এমপি হয়ে চুপচাপ বসে থাকা ছাড়া কোনো উপায় নাই।
ডাক্তারদের কোন্দলের অবস্থা আরো খারাপ। দুই গ্রুপের কোন্দল এমন পর্যায়ে গেছে দরকার হলে আওয়ামী লীগ সমর্থিত বা জামায়াত সমর্থিত ডাক্তারদের প্রমোশন দিবে কিন্তু প্রতিপক্ষের ডাক্তাররা নিজ দলের হলেও তাদের প্রমোশন ঠেকিয়ে রাখা হচ্ছে। এত বছর আওয়ামী লীগের দ্বারা নিগৃহীত হতে হয়েছে আর এখন নিজ দলের গ্রুপ প্রতিদ্বন্দ্বীদের দ্বারা নিগৃহীত হচ্ছেন!প্রধানমন্ত্রী মনে হচ্ছে দুই গ্রুপকে খুশি করার জন্য বিএনপির সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারকদের মধ্যে ডাঃ এজেডএম জাহিদ হোসেনের সাথে অন্য গ্রুপের নেতা নেতা ডাঃ ফরহাদ হালিম ডোনারেকে স্হায়ী কমিটিতে রেখেছেন। দলের অনেক সিনিয়র ও পোড় খাওয়া নেতারা বাদ পড়েছেন কিন্তু ডাঃ ডোনারের নাম দেখে অনেকেই অবাক হয়েছেন! কোন্দল এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে দলের শীর্ষ নেতাকেও এসব মেনে নিতে হচ্ছে বলে মনে হয়।যাইহোক, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন বা বিএমএ হলো ডাক্তারদের জাতীয় সংগঠন। নিজেদের জন্য ভালো কিছু করার চেষ্টায় ড‍্যাব করা হয়েছে। কিন্তু রাজনীতির কোন্দলে এরা কি ডাক্তারি করবে নাকি এসব বস্তা পচা স্বার্থ হাসিলের গ্রুপিং করবে?
আর ইনজিনিয়ারদের সংগঠন AEB নিয়ে ও ব‍্যাপক কোন্দল এবং মারামারি রক্তারক্তি ঘটনা ঘটেছে। হাসিনা পালানোর পর ইনষ্টিটিউশন অফ ইন্জিনিয়ার্স(IEB) এর কমিটি নিয়ে নানা ঘটনা ঘটে। এক পর্যায়ে গত বছর মে মাসে আক্রমনের শিকার হন চুয়েটের সাবেক ভিপি ইন্জিনিয়ার ইলিয়াস হোসেন। এই ঘটনায় একজন প্রকৌশলী হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন। হামলার শিকার ইলিয়াস হোসেন জেল ও খাটেন। IEB নামক জাতীয় সংগঠনের নির্বাচন হবে নভেম্বরে। এই নিয়ে দুটি গ্রুপ মুখোমুখি। AEB এর সভাপতি ছিলেন মাহমুদুর রহমান। তিনি একটু জামায়াত ঘেঁষা হওয়ার পর পদত্যাগ করেন। এখন আহবায়ক হয়েছেন শাহরিন ইসলাম তুহিন। তিনি আবার প্রধানমন্ত্রীর আত্মীয়। যদিও প্রধানমন্ত্রী কাছে ঘেঁষতে দিচ্ছেন না বলে জানা গেছে।তার প্রতিদ্বন্দ্বী হলো রাজউকের চেয়ারম্যান রিয়াজুল ইসলাম।তিনি আগে কেন্দ্রীয় ইনস্টিটিউট অফ ইন্জিনিয়ার্স সভাপতি ছিলেন।এখানে আবার দুর্নীতি বেশি। আওয়ামী লীগের আমলে শত শত কোটি টাকা আত্মসাৎকারীরা এখন AEB নেতাদের পিছনে ছুটছে। বিএনপির প্রকৌশলীদের সংগঠনে এখন সবাই যোগ দিচ্ছে।পয়সা ডালছে দেদারসে। মার্চ মাসে এলজিইডি এর প্রধান প্রকৌশলী আব্দুর রশিদকে নিয়োগ নিয়ে ভয়ংরকর দুর্নীতি ফাঁস হলে চুক্তি বাতিল করা হয় পাঁচ দিন পর।এখন একই কায়দায় রেলের ডিজি নিয়োগ নিয়ে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও সচিব মিলে শত কোটি টাকার বানিজ্য করে মাফিয়া হাসিনার পোষা আফজাল হোসেনকে নিয়োগের সকল ব্যবস্থা নিয়েছে বলে জানা গেছে। অথচ আগের সরকারের আমলে ভুক্তভোগী অনেক অফিসারদের এখনো হেনস্থার শিকার হতে হচ্ছে পুনরায়। AEB এর নেতারা পয়সার কাছে সব বেচা বিক্রি হয়ে যাচ্ছে।
আরো নানা পেশাজীবীদের সংস্থায় একই কাজ চলছে বলে অভিযোগ এসেছে আমাদের কাছে। সরকারি আমলা এবং সাংবাদিক সংগঠনের নেতারা ও বিভিন্ন রকম আন্তকোন্দলে জর্জরিত হয়ে নিজেদের ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিল করতে গিয়ে সরকার ও দলের ভাবমূর্তি ধ্বংস করে দিচ্ছে। এনিয়ে আরেকদিন লিখব।
এখন প্রশ্ন হচ্ছে দল হিসাবে বিএনপি এবং সরকার প্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রী এত মারাত্মকভাবে বিবাদেলিপ্ত দলীয় পেশাজীবিদের দল ও সরকার বিরোধী কর্মকাণ্ড সম্পর্কে উদাসীন কেন? মাত্র ছমাসে তারা সরকারের জন্য ভয়াবহ রকমের হুমকি হয়ে দাঁড়াচ্ছে। এটা কি গোয়েন্দা রিপোর্ট থেকে জানেন না প্রিয় প্রধানমন্ত্রী! দয়া করে আপনি কোন রকমের পক্ষপাতিত্ব না করে এদের থামান। নাহয় আম-ছালা দুটিই যখন যাবে তখন আর কিছুই করার থাকবে না।

Abedin Joynal Mohammad’s Post

মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।

জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

বিএনপির সকল পেশাজীবীদের মধ্যে বিভক্তি ভয়ংকর ?

প্রকাশের সময় : ০৮:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

অনলাইন  মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বিএনপির আইনজীবী, ডাক্তার এবং ইন্জিনিয়ারসহ সকল পেশাজীবীদের বিভক্তি দেখে মনে হচ্ছে এরা নিজেরাই ধ্বংস করে দেবে সরকারকে।
মাত্র ৬ মাস পার করল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বিএনপি সরকার। কিন্তু ইতিমধ্যেই বিএনপির রাজনৈতিক নেতাদের চেয়েও বেশি ভয়ংকর রুপ নিয়েছে পেশাজীবী সংগঠনগুলোর মধ্যে আন্তকোন্দল।আশ্চর্যের সাথে লক্ষ্য করছি প্রধানমন্ত্রীর কোন নির্দেশনা বা নিয়ন্ত্রন কি পেশাজীবী সংগঠনগুলোর উপর নাই! ইন্জিনিয়ারদের সংগঠন AEB বা এব, উকিল দের সংগঠন জাতীয়তাবাদী আইনজীবী সমিতি ও ডাক্তারদের সংগঠন DAB বা ড‍্যাব কত ভাগে যে বিভক্ত হয়ে আছে তার কোন ইয়ত্তা নাই। আমি আশ্চর্য হই উপরে উল্লিখিত তিনটি সংগঠনের সিনিয়র বা জুনিয়র সবাই দেশের সবচেয়ে উচ্চ শিক্ষিত শ্রেনী এবং সমাজের পরিচালনা তারাই করে। কিন্তু তাদের একের প্রতি অন্যের মনোভাব এবং আচরণ দেখলে মনে হবে এরা সবচেয়ে নিকৃষ্ট মানুষ! নিজের স্বার্থ চরিতার্থ করা ছাড়া তারা দল ও সরকারের কোন ভাল কাজে নাই।
ইতিমধ্যেই উকিলদের বিভক্তি প্রকাশ্যে আশা শুরু হয়েছে এবং গত তিনদিন ধরে সুপ্রিম কোর্টের ভিতরে বাহিরে এসব সংসদ সদস্য ও সুপ্রিম কোর্ট বারের সভাপতি ব‍্যারিষ্টার মাহবুব উদ্দিন আহমেদ খোকন আর এটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজলের দু গ্রুপ মুখোমুখি। সহকারী ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নিয়োগ সহ নানা ইস্যুতে একজন আরেকজনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে চলেছে। আবার ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সাথে ও খোকন সাহেবর সম্পর্ক সাপে- নেউলে। সংসদে সেটা কিছুটা হলেও লক্ষ‍্য করা গেছে।দীর্ঘদিন রাজনীতি করলে ও আইনমন্ত্রী এরা কেউ হতে পারেনি।আর এদের এই মারামারির সুযোগে জুনিয়র হয়েও জাসদ থেকে এসে আইনমন্ত্রী পদ নিয়ে নেন এডভোকেট আসাদুজ্জামান।আর সবচেয়ে সিনিয়র আইনজীবী এডভোকেট জয়নুল আবেদীন ও এদের কোন্দলের শিকার হয়ে কোনমতে এমপি হয়ে চুপচাপ বসে থাকা ছাড়া কোনো উপায় নাই।
ডাক্তারদের কোন্দলের অবস্থা আরো খারাপ। দুই গ্রুপের কোন্দল এমন পর্যায়ে গেছে দরকার হলে আওয়ামী লীগ সমর্থিত বা জামায়াত সমর্থিত ডাক্তারদের প্রমোশন দিবে কিন্তু প্রতিপক্ষের ডাক্তাররা নিজ দলের হলেও তাদের প্রমোশন ঠেকিয়ে রাখা হচ্ছে। এত বছর আওয়ামী লীগের দ্বারা নিগৃহীত হতে হয়েছে আর এখন নিজ দলের গ্রুপ প্রতিদ্বন্দ্বীদের দ্বারা নিগৃহীত হচ্ছেন!প্রধানমন্ত্রী মনে হচ্ছে দুই গ্রুপকে খুশি করার জন্য বিএনপির সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারকদের মধ্যে ডাঃ এজেডএম জাহিদ হোসেনের সাথে অন্য গ্রুপের নেতা নেতা ডাঃ ফরহাদ হালিম ডোনারেকে স্হায়ী কমিটিতে রেখেছেন। দলের অনেক সিনিয়র ও পোড় খাওয়া নেতারা বাদ পড়েছেন কিন্তু ডাঃ ডোনারের নাম দেখে অনেকেই অবাক হয়েছেন! কোন্দল এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে দলের শীর্ষ নেতাকেও এসব মেনে নিতে হচ্ছে বলে মনে হয়।যাইহোক, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন বা বিএমএ হলো ডাক্তারদের জাতীয় সংগঠন। নিজেদের জন্য ভালো কিছু করার চেষ্টায় ড‍্যাব করা হয়েছে। কিন্তু রাজনীতির কোন্দলে এরা কি ডাক্তারি করবে নাকি এসব বস্তা পচা স্বার্থ হাসিলের গ্রুপিং করবে?
আর ইনজিনিয়ারদের সংগঠন AEB নিয়ে ও ব‍্যাপক কোন্দল এবং মারামারি রক্তারক্তি ঘটনা ঘটেছে। হাসিনা পালানোর পর ইনষ্টিটিউশন অফ ইন্জিনিয়ার্স(IEB) এর কমিটি নিয়ে নানা ঘটনা ঘটে। এক পর্যায়ে গত বছর মে মাসে আক্রমনের শিকার হন চুয়েটের সাবেক ভিপি ইন্জিনিয়ার ইলিয়াস হোসেন। এই ঘটনায় একজন প্রকৌশলী হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন। হামলার শিকার ইলিয়াস হোসেন জেল ও খাটেন। IEB নামক জাতীয় সংগঠনের নির্বাচন হবে নভেম্বরে। এই নিয়ে দুটি গ্রুপ মুখোমুখি। AEB এর সভাপতি ছিলেন মাহমুদুর রহমান। তিনি একটু জামায়াত ঘেঁষা হওয়ার পর পদত্যাগ করেন। এখন আহবায়ক হয়েছেন শাহরিন ইসলাম তুহিন। তিনি আবার প্রধানমন্ত্রীর আত্মীয়। যদিও প্রধানমন্ত্রী কাছে ঘেঁষতে দিচ্ছেন না বলে জানা গেছে।তার প্রতিদ্বন্দ্বী হলো রাজউকের চেয়ারম্যান রিয়াজুল ইসলাম।তিনি আগে কেন্দ্রীয় ইনস্টিটিউট অফ ইন্জিনিয়ার্স সভাপতি ছিলেন।এখানে আবার দুর্নীতি বেশি। আওয়ামী লীগের আমলে শত শত কোটি টাকা আত্মসাৎকারীরা এখন AEB নেতাদের পিছনে ছুটছে। বিএনপির প্রকৌশলীদের সংগঠনে এখন সবাই যোগ দিচ্ছে।পয়সা ডালছে দেদারসে। মার্চ মাসে এলজিইডি এর প্রধান প্রকৌশলী আব্দুর রশিদকে নিয়োগ নিয়ে ভয়ংরকর দুর্নীতি ফাঁস হলে চুক্তি বাতিল করা হয় পাঁচ দিন পর।এখন একই কায়দায় রেলের ডিজি নিয়োগ নিয়ে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও সচিব মিলে শত কোটি টাকার বানিজ্য করে মাফিয়া হাসিনার পোষা আফজাল হোসেনকে নিয়োগের সকল ব্যবস্থা নিয়েছে বলে জানা গেছে। অথচ আগের সরকারের আমলে ভুক্তভোগী অনেক অফিসারদের এখনো হেনস্থার শিকার হতে হচ্ছে পুনরায়। AEB এর নেতারা পয়সার কাছে সব বেচা বিক্রি হয়ে যাচ্ছে।
আরো নানা পেশাজীবীদের সংস্থায় একই কাজ চলছে বলে অভিযোগ এসেছে আমাদের কাছে। সরকারি আমলা এবং সাংবাদিক সংগঠনের নেতারা ও বিভিন্ন রকম আন্তকোন্দলে জর্জরিত হয়ে নিজেদের ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিল করতে গিয়ে সরকার ও দলের ভাবমূর্তি ধ্বংস করে দিচ্ছে। এনিয়ে আরেকদিন লিখব।
এখন প্রশ্ন হচ্ছে দল হিসাবে বিএনপি এবং সরকার প্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রী এত মারাত্মকভাবে বিবাদেলিপ্ত দলীয় পেশাজীবিদের দল ও সরকার বিরোধী কর্মকাণ্ড সম্পর্কে উদাসীন কেন? মাত্র ছমাসে তারা সরকারের জন্য ভয়াবহ রকমের হুমকি হয়ে দাঁড়াচ্ছে। এটা কি গোয়েন্দা রিপোর্ট থেকে জানেন না প্রিয় প্রধানমন্ত্রী! দয়া করে আপনি কোন রকমের পক্ষপাতিত্ব না করে এদের থামান। নাহয় আম-ছালা দুটিই যখন যাবে তখন আর কিছুই করার থাকবে না।

Abedin Joynal Mohammad’s Post

মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।