
অনলাইন মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মুুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের লক্ষ্যে গঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাত জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে নিপীড়নবিরোধী সাংবাদিক ফ্রন্ট।
মৃত্যুদণ্ড পাওয়া অন্যরা হলেন—বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য কৃষিবিদ আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক ওয়ালি আসিফ ইনান।
আজ মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬) সংগঠনটির আহ্বায়ক আকতার হোসেন ও সদস্য সচিব শেখ জামাল এক বিবৃতিতে বলেন, একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য গঠিত ট্রাইব্যুনালে ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনের বিচার হচ্ছে। সেখানে যথাযথ প্রক্রিয়া অবলম্বন না করে আসামীদের অনুপস্থিতিতে বিচার কার্যক্রম চলছে, যা উদ্বেগজনক।
এর আগে গত বছরের ১৭ নভেম্বর বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ডের রায় দিয়ে ছিলো আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল, যা নিয়ে দেশ-বিদেশে ব্যাপক সমালোচনা হয়েছিলো।
আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল, হিউম্যান রাইটস ওয়াচ এবং জাতিসংঘ ইতিপূর্বেই এই ট্রাইব্যুনালের বিচারিক প্রক্রিয়া নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ মনে করেন, যে কোনো রাজনৈতিক ব্যক্তি কিংবা সাধারণ নাগরিক, ন্যায় বিচার পাওয়া তার সাংবিধানিক অধিকার। সেক্ষেত্রে অবশ্যই স্বচ্ছ, প্রভাবমুক্ত, নিরপেক্ষ ও আসামীদের নিজস্ব আইনজীবী নিয়োগের সুযোগ দিতে হবে। নয়তো তড়িগড়ি করে একতরফাভাবে দেওয়া মৃত্যুদণ্ডের রায় আন্তর্জাতিক মহলে দেশের বিচার ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠবে।
এই রায় বাতিল করে সকল বিচারিক প্রক্রিয়া পুনরায় স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষভাবে পরিচালনার আহ্বান জানিয়েছে নিপীড়নবিরোধী সাংবাদিক ফ্রন্ট।





















