, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

গুয়াংজো, ফ্রাঙ্কফুর্ট ও সাও পাওলোতে কনস্যুলেট খুলবে বাংলাদেশ

  • প্রকাশের সময় : ০৩:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২৩ পড়া হয়েছে

অনলাইন সোমবার, ২১ ২০২৬

গত ৩১ আগস্ট পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নীতি ও সংগঠন শাখা থেকে দেওয়া এক চিঠিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। নতুন কনস্যুলেটগুলোর জন্য প্রয়োজনীয় জনবল, যানবাহন ও অফিস সরঞ্জাম সাংগঠনিক কাঠামোয় অন্তর্ভুক্ত করতে অর্থ মন্ত্রণালয়ের কাছে প্রস্তাব পাঠিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এ বিষয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রয়োজনীয় অনুমোদনও পাওয়া গেছে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের চিঠিতে বলা হয়েছে, গুয়াংজো, ফ্রাঙ্কফুর্ট ও সাও পাওলো—তিন শহরই বাংলাদেশের কূটনৈতিক, বাণিজ্যিক ও কনস্যুলার স্বার্থের দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমান ভূরাজনৈতিক বাস্তবতায় এসব অঞ্চলে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব বাড়িয়ে জাতীয় স্বার্থ সংরক্ষণ, দেশের ভাবমূর্তি সমুন্নত রাখা এবং অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও জোরদার করাই এ উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য।

দক্ষিণ চীনের অন্যতম প্রধান বন্দর ও বাণিজ্যিক কেন্দ্র গুয়াংজোতে বাংলাদেশি ব্যবসায়ী, শিক্ষার্থী ও প্রবাসীদের উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি রয়েছে। বাংলাদেশের তৈরি পোশাকসহ বিভিন্ন পণ্যের সঙ্গেও এ অঞ্চলের বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে।

নতুন কনস্যুলেট চালু হলে চীনের দক্ষিণাঞ্চলে বাংলাদেশের কূটনৈতিক যোগাযোগ বাড়ানোর পাশাপাশি বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও প্রবাসীসেবায় সরাসরি কার্যক্রম জোরদার করার সুযোগ তৈরি হবে।

জার্মানির ফ্রাঙ্কফুর্টে কনস্যুলেট স্থাপনের সিদ্ধান্তও বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক স্বার্থের সঙ্গে সম্পর্কিত। জার্মানি বাংলাদেশের অন্যতম বড় রপ্তানি বাজার এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি গন্তব্য।

২০২৪ সালে বাংলাদেশ ও জার্মানির পণ্য বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় ৯ বিলিয়ন ইউরো ছিল। জলবায়ু, জ্বালানি, সুশাসন, অভিবাসন, দক্ষতা উন্নয়ন ও টেকসই সরবরাহব্যবস্থাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রেও দুই দেশের সহযোগিতা রয়েছে।

ইউরোপের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক ও ব্যবসায়িক কেন্দ্র ফ্রাঙ্কফুর্টে কনস্যুলেট স্থাপনের মাধ্যমে বাংলাদেশের ব্যবসা ও বিনিয়োগের সুযোগ বাড়ানোর পাশাপাশি প্রবাসী বাংলাদেশিদের কনস্যুলার সেবা আরও সহজ করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

ব্রাজিলের সাও পাওলোতে কনস্যুলেট স্থাপনের উদ্যোগের মাধ্যমে লাতিন আমেরিকায় বাংলাদেশের কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক উপস্থিতি আরও জোরদার করার সুযোগ তৈরি হবে।

ব্রাজিল দক্ষিণ আমেরিকার অন্যতম বৃহৎ অর্থনীতি এবং ব্রিকসের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ ও ব্রাজিলের মধ্যে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক যোগাযোগও বেড়েছে।

সাও পাওলো ব্রাজিলের অন্যতম প্রধান শিল্প ও বাণিজ্যিক কেন্দ্র হওয়ায় সেখানে কনস্যুলেট চালু হলে লাতিন আমেরিকার বাজারে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক যোগাযোগ সম্প্রসারণ, বিনিয়োগের সুযোগ অনুসন্ধান এবং ব্রাজিলের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় সহযোগিতা বাড়ানোর ক্ষেত্রে নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে।

সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা জানান, গুয়াংজো, ফ্রাঙ্কফুর্ট ও সাও পাওলোতে কনস্যুলেট স্থাপনের মাধ্যমে এশিয়া, ইউরোপ ও লাতিন আমেরিকার তিনটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক অঞ্চলে বাংলাদেশের কূটনৈতিক উপস্থিতি আরও বিস্তৃত হবে। পাশাপাশি এসব অঞ্চলে বসবাসরত বাংলাদেশিদের কনস্যুলার সেবা দেওয়ার সক্ষমতাও বাড়বে।

সূত্র: টিবিএস

জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

গুয়াংজো, ফ্রাঙ্কফুর্ট ও সাও পাওলোতে কনস্যুলেট খুলবে বাংলাদেশ

প্রকাশের সময় : ০৩:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

অনলাইন সোমবার, ২১ ২০২৬

গত ৩১ আগস্ট পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নীতি ও সংগঠন শাখা থেকে দেওয়া এক চিঠিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। নতুন কনস্যুলেটগুলোর জন্য প্রয়োজনীয় জনবল, যানবাহন ও অফিস সরঞ্জাম সাংগঠনিক কাঠামোয় অন্তর্ভুক্ত করতে অর্থ মন্ত্রণালয়ের কাছে প্রস্তাব পাঠিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এ বিষয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রয়োজনীয় অনুমোদনও পাওয়া গেছে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের চিঠিতে বলা হয়েছে, গুয়াংজো, ফ্রাঙ্কফুর্ট ও সাও পাওলো—তিন শহরই বাংলাদেশের কূটনৈতিক, বাণিজ্যিক ও কনস্যুলার স্বার্থের দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমান ভূরাজনৈতিক বাস্তবতায় এসব অঞ্চলে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব বাড়িয়ে জাতীয় স্বার্থ সংরক্ষণ, দেশের ভাবমূর্তি সমুন্নত রাখা এবং অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও জোরদার করাই এ উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য।

দক্ষিণ চীনের অন্যতম প্রধান বন্দর ও বাণিজ্যিক কেন্দ্র গুয়াংজোতে বাংলাদেশি ব্যবসায়ী, শিক্ষার্থী ও প্রবাসীদের উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি রয়েছে। বাংলাদেশের তৈরি পোশাকসহ বিভিন্ন পণ্যের সঙ্গেও এ অঞ্চলের বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে।

নতুন কনস্যুলেট চালু হলে চীনের দক্ষিণাঞ্চলে বাংলাদেশের কূটনৈতিক যোগাযোগ বাড়ানোর পাশাপাশি বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও প্রবাসীসেবায় সরাসরি কার্যক্রম জোরদার করার সুযোগ তৈরি হবে।

জার্মানির ফ্রাঙ্কফুর্টে কনস্যুলেট স্থাপনের সিদ্ধান্তও বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক স্বার্থের সঙ্গে সম্পর্কিত। জার্মানি বাংলাদেশের অন্যতম বড় রপ্তানি বাজার এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি গন্তব্য।

২০২৪ সালে বাংলাদেশ ও জার্মানির পণ্য বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় ৯ বিলিয়ন ইউরো ছিল। জলবায়ু, জ্বালানি, সুশাসন, অভিবাসন, দক্ষতা উন্নয়ন ও টেকসই সরবরাহব্যবস্থাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রেও দুই দেশের সহযোগিতা রয়েছে।

ইউরোপের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক ও ব্যবসায়িক কেন্দ্র ফ্রাঙ্কফুর্টে কনস্যুলেট স্থাপনের মাধ্যমে বাংলাদেশের ব্যবসা ও বিনিয়োগের সুযোগ বাড়ানোর পাশাপাশি প্রবাসী বাংলাদেশিদের কনস্যুলার সেবা আরও সহজ করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

ব্রাজিলের সাও পাওলোতে কনস্যুলেট স্থাপনের উদ্যোগের মাধ্যমে লাতিন আমেরিকায় বাংলাদেশের কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক উপস্থিতি আরও জোরদার করার সুযোগ তৈরি হবে।

ব্রাজিল দক্ষিণ আমেরিকার অন্যতম বৃহৎ অর্থনীতি এবং ব্রিকসের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ ও ব্রাজিলের মধ্যে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক যোগাযোগও বেড়েছে।

সাও পাওলো ব্রাজিলের অন্যতম প্রধান শিল্প ও বাণিজ্যিক কেন্দ্র হওয়ায় সেখানে কনস্যুলেট চালু হলে লাতিন আমেরিকার বাজারে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক যোগাযোগ সম্প্রসারণ, বিনিয়োগের সুযোগ অনুসন্ধান এবং ব্রাজিলের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় সহযোগিতা বাড়ানোর ক্ষেত্রে নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে।

সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা জানান, গুয়াংজো, ফ্রাঙ্কফুর্ট ও সাও পাওলোতে কনস্যুলেট স্থাপনের মাধ্যমে এশিয়া, ইউরোপ ও লাতিন আমেরিকার তিনটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক অঞ্চলে বাংলাদেশের কূটনৈতিক উপস্থিতি আরও বিস্তৃত হবে। পাশাপাশি এসব অঞ্চলে বসবাসরত বাংলাদেশিদের কনস্যুলার সেবা দেওয়ার সক্ষমতাও বাড়বে।

সূত্র: টিবিএস