, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিশ্ব-দানবের মুখোশ খুললেন জয়শঙ্কর

  • প্রকাশের সময় : ১২:১২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬
  • ৪৬ পড়া হয়েছে

Omar Faruk Tuhin

এতদিনে ভারতেরও হুঁশ ফিরেছে। বিপদটা কেবল বাংলাদেশেরই ছিল না তা বুঝতে তাদের দুই বছরের অধিক সময় লেগে গেল!👎
বিশ্ব-দানবের মুখোশ খুললেন জয়শঙ্কর: মোদীকে ধ্বংসের আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র এক্সপোজড!
পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস. জয়শঙ্কর এবার বিশ্বমঞ্চে এক অভাবনীয় কূটনৈতিক পারমাণবিক বোমা ফাটালেন। কোনো রকম ধোঁয়াশা বা কূটনৈতিক গোলকধাঁধা নয়—সরাসরি আঙুল তুলেছেন আন্তর্জাতিক অর্থলগ্নিকারী এবং কুখ্যাত বিলিয়নেয়ার জর্জ সোরোসের (George Soros) দিকে। জয়শঙ্করের ভাষায়, এই ব্যক্তি কেবল “বয়স্ক, ধনী, একগুঁয়ে এবং বিপজ্জনকই” নন, বরং তিনি ভারতের সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে এক গভীর ছায়াযুদ্ধের মূল হোতা।
🔴 নিউইয়র্কের বিলাসবহুল পেন্টহাউসে বসে কয়েক বিলিয়ন ডলার, তথাকথিত মানবাধিকার সংস্থা (NGO), আন্তর্জাতিক মিডিয়া এবং কৃত্রিম ন্যারেটিভের অপব্যবহার করে ভারতের গণতান্ত্রিক কাঠামোকে ভেতর থেকে ছিন্নভিন্ন করার ব্লু-প্রিন্ট তৈরি করা হয়েছে।
⚫এই আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের সুতো বাঁধা রয়েছে ভারতের ভেতরের কিছু রাজনৈতিক শক্তি ও নি রাহুল গান্ধী, অরবিন্দ কেজরিওয়াল, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় থেকে শুরু করে হালের থালাপথি বিজয়ের মতো রাজনৈতিক চরিত্রদের একাংশ এবং কিছু নির্দিষ্ট মিডিয়া গোষ্ঠী একযোগে “গণতন্ত্র বিপন্ন” এবং “সংখ্যালঘুরা বিপদে”—এই সাজানো প্রোপাগান্ডা ছড়াচ্ছে।
🔴টুলকিট স্ট্র্যাটেজি: বিদেশি অর্থায়নে পুষ্ট এনজিওগুলোর মাধ্যমে দেশের ভেতরে কৃত্রিম ক্ষোভ ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা।
শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের (Regime Change)
⚫চক্রান্ত: দেশের যেকোনো অস্থিরতার দায় সরাসরি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ওপর চাপিয়ে দেওয়া এবং বিশ্বমঞ্চে ভারতের ভাবমূর্তি নষ্ট করা। এদের অভ্যন্তরীণ লক্ষ্য অত্যন্ত পরিষ্কার—”৬ মাসের মধ্যে মোদীকে ধ্বংস করা।”
🔴 মাথা নত না করার নতুন ভারত
বিগত কয়েক দশক ধরে পশ্চিমা দুনিয়ার অর্থায়নে পুষ্ট এই ছায়াযুদ্ধ ভারতে অবাধে চলেছে। কিন্তু সোরোসরা ভুলে গেছেন, এটা ১৯৪৫ বা ১৯৯১ সালের দুর্বল ভারত নয়। এটা ২০২৬ সালের মোদীর নেতৃত্বাধীন এক আত্মনির্ভরশীল, শক্তিশালী এবং স্বাধীন ভারত।
⚫ভারত স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে
দেশের সরকার ঠিক করবে ভারতের আমজনতা এবং ভোটাররা, নিউইয়র্ক বা ইউরোপের কোনো বিলিয়নেয়ারের ডলারে কেনা এজেন্ডা নয়।
বিদেশি শক্তির ইশারায় ভারতের নীতি নির্ধারিত হওয়ার দিন বহু আগেই শেষ হয়ে গেছে।
🎯 ২০২৬: চূড়ান্ত লড়াইয়ের বছর?
জর্জ সোরোস এবং তার ভারতীয় দালাল গুলো গোয়েন্দা এবং কূটনৈতিক নজরদারিতে, উপমহাদেশের বিদেশি দানব ও মীরজাফরদের ষড়যন্ত্র রুখে দেবে ভারত। বাংলার ২৪ এর মীরজাফর বিশ্ব বাটপার ডঃ ইউনূসগং দের বাংলাদেশ বিক্রির ষড়যন্ত্রের বিচার এই বাংলার মাটিতে হবে ইতিহাস কখনো কোনো ষড়যন্ত্রকারীকে ছেড়ে দেয়নি, কোন বিদেশি শক্তি তাদেরকে রক্ষা করতে পারবে না ইনশাল্লাহ
জনপ্রিয়

বিশ্ব-দানবের মুখোশ খুললেন জয়শঙ্কর

প্রকাশের সময় : ১২:১২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬

Omar Faruk Tuhin

এতদিনে ভারতেরও হুঁশ ফিরেছে। বিপদটা কেবল বাংলাদেশেরই ছিল না তা বুঝতে তাদের দুই বছরের অধিক সময় লেগে গেল!👎
বিশ্ব-দানবের মুখোশ খুললেন জয়শঙ্কর: মোদীকে ধ্বংসের আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র এক্সপোজড!
পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস. জয়শঙ্কর এবার বিশ্বমঞ্চে এক অভাবনীয় কূটনৈতিক পারমাণবিক বোমা ফাটালেন। কোনো রকম ধোঁয়াশা বা কূটনৈতিক গোলকধাঁধা নয়—সরাসরি আঙুল তুলেছেন আন্তর্জাতিক অর্থলগ্নিকারী এবং কুখ্যাত বিলিয়নেয়ার জর্জ সোরোসের (George Soros) দিকে। জয়শঙ্করের ভাষায়, এই ব্যক্তি কেবল “বয়স্ক, ধনী, একগুঁয়ে এবং বিপজ্জনকই” নন, বরং তিনি ভারতের সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে এক গভীর ছায়াযুদ্ধের মূল হোতা।
🔴 নিউইয়র্কের বিলাসবহুল পেন্টহাউসে বসে কয়েক বিলিয়ন ডলার, তথাকথিত মানবাধিকার সংস্থা (NGO), আন্তর্জাতিক মিডিয়া এবং কৃত্রিম ন্যারেটিভের অপব্যবহার করে ভারতের গণতান্ত্রিক কাঠামোকে ভেতর থেকে ছিন্নভিন্ন করার ব্লু-প্রিন্ট তৈরি করা হয়েছে।
⚫এই আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের সুতো বাঁধা রয়েছে ভারতের ভেতরের কিছু রাজনৈতিক শক্তি ও নি রাহুল গান্ধী, অরবিন্দ কেজরিওয়াল, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় থেকে শুরু করে হালের থালাপথি বিজয়ের মতো রাজনৈতিক চরিত্রদের একাংশ এবং কিছু নির্দিষ্ট মিডিয়া গোষ্ঠী একযোগে “গণতন্ত্র বিপন্ন” এবং “সংখ্যালঘুরা বিপদে”—এই সাজানো প্রোপাগান্ডা ছড়াচ্ছে।
🔴টুলকিট স্ট্র্যাটেজি: বিদেশি অর্থায়নে পুষ্ট এনজিওগুলোর মাধ্যমে দেশের ভেতরে কৃত্রিম ক্ষোভ ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা।
শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের (Regime Change)
⚫চক্রান্ত: দেশের যেকোনো অস্থিরতার দায় সরাসরি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ওপর চাপিয়ে দেওয়া এবং বিশ্বমঞ্চে ভারতের ভাবমূর্তি নষ্ট করা। এদের অভ্যন্তরীণ লক্ষ্য অত্যন্ত পরিষ্কার—”৬ মাসের মধ্যে মোদীকে ধ্বংস করা।”
🔴 মাথা নত না করার নতুন ভারত
বিগত কয়েক দশক ধরে পশ্চিমা দুনিয়ার অর্থায়নে পুষ্ট এই ছায়াযুদ্ধ ভারতে অবাধে চলেছে। কিন্তু সোরোসরা ভুলে গেছেন, এটা ১৯৪৫ বা ১৯৯১ সালের দুর্বল ভারত নয়। এটা ২০২৬ সালের মোদীর নেতৃত্বাধীন এক আত্মনির্ভরশীল, শক্তিশালী এবং স্বাধীন ভারত।
⚫ভারত স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে
দেশের সরকার ঠিক করবে ভারতের আমজনতা এবং ভোটাররা, নিউইয়র্ক বা ইউরোপের কোনো বিলিয়নেয়ারের ডলারে কেনা এজেন্ডা নয়।
বিদেশি শক্তির ইশারায় ভারতের নীতি নির্ধারিত হওয়ার দিন বহু আগেই শেষ হয়ে গেছে।
🎯 ২০২৬: চূড়ান্ত লড়াইয়ের বছর?
জর্জ সোরোস এবং তার ভারতীয় দালাল গুলো গোয়েন্দা এবং কূটনৈতিক নজরদারিতে, উপমহাদেশের বিদেশি দানব ও মীরজাফরদের ষড়যন্ত্র রুখে দেবে ভারত। বাংলার ২৪ এর মীরজাফর বিশ্ব বাটপার ডঃ ইউনূসগং দের বাংলাদেশ বিক্রির ষড়যন্ত্রের বিচার এই বাংলার মাটিতে হবে ইতিহাস কখনো কোনো ষড়যন্ত্রকারীকে ছেড়ে দেয়নি, কোন বিদেশি শক্তি তাদেরকে রক্ষা করতে পারবে না ইনশাল্লাহ