
অনলাইন শুক্রবার ২৫সেপ্টেম্বর ২০২৬
[] আওয়ামী লীগ সরকার আমলে অত্যন্ত সুকৌশলে সাবেক প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব হয়েছিলেন পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলার রাজাকার পুত্র তোফাজ্জল হোসেন রিপন মিয়া।
[] মুখ্য সচিব থাকাকালীন সময়ে পিরোজপুর জেলায় ব্যক্তিগত উদ্যোগে কোন উন্নয়ন বা পিরোজপুর জেলার কোন মানুষের উপকার করেছেন বলে কোন প্রমাণ নেই। অত্যন্ত প্রতিহিংসা পরায়ণ তোফাজ্জল হোসেন রিপন মিয়া নীরবে নিভৃতে পিরোজপুর জেলা সহ বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে তার প্রতিপক্ষ বিভিন্ন লোকজনকে ক্ষমতার অপব্যবহার করে ভয়াবহ ভাবে প্রতিশোধ মূলক আচরণ করে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।
[] তবে ভান্ডারিয়ার মহিউদ্দিন মহারাজ এবং মিরাজুল ইসলাম কে ব্যবহার করে ক্ষমতার প্রভাবট খাটিয়ে হাজার হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ করে নিয়ে গেছে এই তোফাজ্জল হোসেন রিপন মিয়া।
[] তোফাজ্জল হোসেন রিপন মিয়ার প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় পিরোজপুর স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের সাড়ে ছয় হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ এর সুযোগ তৈরি হয়েছিল।
[] অবৈধ সম্পদ ও ফ্ল্যাট: ঢাকার মিরপুর-২ এ ‘প্রত্যাশা ভবন’সহ একটি বাড়ি এবং দিয়াবাড়িতে সরকারি প্লট ও ফ্ল্যাট রয়েছে। এছাড়া পূর্বাচল ও বিসিএস প্রশাসন হাউজিং সোসাইটিতেও সম্পত্তি রয়েছে।
[] বিদেশী সম্পদ: দুবাইয়ে ৬ টি ফ্ল্যাট উপহার পাওয়ার অভিযোগ ছাড়াও কানাডা এবং অস্ট্রেলিয়ায় তাঁর ও তাঁর পরিবারের নামে সম্পদ অর্জনের তথ্য রয়েছে। এছাড়া ইউরোপ সহ বিভিন্ন দেশে হাজার হাজার কোটি টাকা বিভিন্ন ব্যাংকে গচ্ছিত রয়েছে যার মালিক তোফাজ্জল হোসেন রিপন মিয়া।
[] এতিমখানার নামে অর্থ আত্মসাৎ : পিতার নামে একটি এতিমখানার পরিচয়ে সরকারি অনুদান ও জনসাধারণের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে, যে এতিমখানাটি বরাদ্দের সময় কাগজপত্রে থাকলেও পরবর্তীতে তড়িঘড়ি করে নিবন্ধন করা হয়।
[] মামলা: আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর জুলাই ২০২৪-এর আন্দোলনে হতাহতের ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। এছাড়া পিরোজপুর স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের হাজার হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ এর দায় তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন মামলা দায়ের করেছে।
[] বর্তমানে কলকাতার অভিজাত এলাকায় পরিবারসহ অত্যন্ত বিলাসী জীবনযাপন করছে উল্লেখিত তোফাজ্জল হোসেন রিপন মিয়া।
Shahidullah Osmani’s Post
মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।





















