, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

দরকার হলে হাজার জনের কাছে স্বেচ্ছায় ধর্ষিত হয়ে হলেও এই ফ্যাসিস্ট হাসিনাকে শেষ করবো।

  • প্রকাশের সময় : ০১:০৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৩৬ পড়া হয়েছে

অনলাইন শুক্রবার ২৫সেপ্টেম্বর ২০২৬

আসুন রাজাকারদের অনুসারী নাহিদার আমল নামাটা একটু দেখি… কষ্ট করে লেখাটা সব পড়বেন অনুরোধ রইলো…
গতকাল দুপুর থেকে রাত ৪ টা পর্যন্ত…
নাহিদা নাহিদের পোস্টগুলো পড়ে এখন সত্যিই ঘৃণা লাগছে।
আসেন বন্ধুরা জুলাই যুদ্ধা এই নাহিদা বেগমের স্বরুপটা একটু চেনার চেষ্টা করি, এনার লেখাগুলো পড়লে হতবাক হতে হয় যে ইনি আমাদেরই এক বিশ্ববিদ্যালয়ের তথাকথিত শিক্ষকঃ
জুলাই জ*ঙ্গি নাহিদা বেগমের ফেসবুক প্রোফাইল ঘুরে দেখলাম। তুমি বেশ প্রতিবাদী কন্ঠস্বর। জুলাইয়ে কোনো শিক্ষার্থীকে যেন আহত/নিহত না হতে হয়, সেজন্য তুমি অনেক পরিশ্রম করেছো। তাদের প্রতি সহানুভূতিশীল হয়ে তাদেরকে পরামর্শ দিয়েছো, জুলাই জ*ঙ্গি হামলার জন্য ছাত্রদের যেসব পরামর্শ দিয়েছো তা স্মরন কালের সেরা কাউন্সিলর তিনি।
আর বার বার পোস্ট দিয়েছে স্বজন হারার বেদনা চু’দি’না চু’দি’না! হাসিনা চু’দি’না, মুজিব চু দিনা, চেতনা চু’দিনা একাত্তর মানিনা, মুক্তিযোদ্ধা চু’দি’না!
হাসিনাকে উৎখাত করতে যা করা লাগে তা-ই করবো, যা দেওয়া লাগে তা-ই দেবো। আরেক পোস্টে বলেছে, হাসিনা-আমিলিগ’কে নিশ্চিহ্ন করার জন্য যে কোন ত্যাগ স্বীকার করতে রাজি, পোশাক খুলে রাস্তায় শুয়ে হলেও এর শেষ পরনতি দেখবো, দরকার হলে হাজার জনের কাছে স্বেচ্ছায় ধর্ষিত হয়ে হলেও এই ফ্যাসিস্ট হাসিনাকে শেষ করবো।
একাত্তরের যারা পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে আমার এতো মানুষকে মরতে দিলো তাদের সবার অর্থাৎ মুক্তিযোদ্ধাদের ধ্বংস দেখে ঘরে ফিরবো। ১৭ বছরের শোষন নিপিড়ন হ*ত্যা গুম খুনের বদলা কড়ায় গন্ডায় বুঝে নেবো।
ওই একই বছর অর্থাৎ ২৪ সালের ১৫ই ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে নিয়ে অত্যন্ত বাজে ভাষায় পোস্ট করেছেন। যেটা উচ্চারণ করার মত না।
আরেক পোস্টে বলেছে দরকার হলে আমাদের জুলাই যোদ্ধাদের (জুলাই জ*ঙ্গি) কিছু ছেলেদের বলি দেবো তবুও হাসিনা আর আমিলিগের একটা একটা করে শেষ করবো!!
আবার লিখেছে আমার প্রিয় হাসনাত আব্দুল্লাহ তুমি ২৪ শের বীর মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম নেতা, তোমার দলবল নিয়ে আমিলিগের হাসিনার জাতিগোষ্ঠী শেষ করে দাও, জালিম বাল লিগের এই দেশে আর ঠাই নেই।
ভারতের চক্রান্তে সংঘটিত মুক্তিযুদ্ধ ও একাত্তরের ভারতের দালালদের একটা লোকও যেন বাঁচতে না পারে সেই ব্যবস্থা কর। আমরা তোমার জন্য সব করতে পারি। ২৪ জুলাই হবে সত্যিকারের মুক্তিযুদ্ধ, তুমিই হবে এই মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম নেতা। ভারতের তৈরি করে দেওয়া কথিত মুক্তিযুদ্ধ কে গুরিয়ে দাও ।
আরেক পোস্টে বলেছে জুলাইয়ে কাঁদানে গ্যাস থেকে জ*ঙ্গিদের বাঁচানোর জন্য রাস্তায় রাস্তায় টুথপেস্ট নিয়ে ঘুরেছে নাকি। সে হাসনাত আবদুল্লাহকে তরুণদের বিশাল বড় মাপের নেতা মেনে নিয়ে দেড় হাত লম্বা পোস্ট লিখেছো।
আবার উল্লেখ করেছে হাসনাতের পায়ের যোগ্যতা নাই শেখ মুজিব নামের ভারতের এক দাসের।
এছাড়াও, শেখ হাসিনার অবৈধ ফাঁ’সির রায় হয় যেদিন, সেদিন সে উল্লাস করে লিখেছিল, শেখ হাসিনার অহংকার, ক্ষমতার তেঁজ দেখে নাকি তার আত্মা ঘৃণায় রিরি করতো। সে নাকি গত সতের বছরে তাহাজ্জুদ নামাজ পড়ে শেখ হাসিনার ধ্বংস চেয়েছে।
কিছু ভাইবন্ধু জানালেন এই নাহিদা নাকি এম্বাসি ফান্ডেড ছিলো। আবার একজন জানালেন, সে বহুবার জুলাইয়ে “স্বজন হারানোর বেদনা চু*দি*না” টাইপের স্লোগান ও দিয়েছিলো। আমিও তার প্রোফাইল ঘুরে দেখলাম সে আসলেই বেশ বড় মাপের একজন কলামিস্ট। নাহিদা সাহিত্য,ভাষা নিয়ে অনেক কলাম লিখেছে। বুদ্ধিবৃত্তিক আলোচনা করে নিয়মিত। অথচ তার কোনো কন্সার্ন ছিলো না যে এই দেশ থেকে তার নেতারা ১৫,৬০০ শিশু নিখোঁজ হয়েছে বিগত ৬-৭ মাসে। হামে অফিসিয়ালি মৃত্যুর ঘোষণা দিয়েছে ১১৫০ জন অথচ, অন্যান্য সূত্রেঃ প্রাপ্ত টোটাল মুত্যু সংখ্যা ঢাকায় ৩৪০০+ ঢাকার বাহিরে আরো ৪০০ শত মৃত্যু।
এই ১৮০০০ প্রায় সিস্টেমেটিক হত্যার ব্যাপারেও তার কোনো ভ্রুক্ষেপ ছিলো না, ছিল না কোন প্রতিবাদ পোস্ট।
হাসিনা পতনের পর, একে একে মুক্তিযুদ্ধের সকল স্মৃতি মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর এবং অন্যান্য নেতা কর্মীদের ঘরবাড়ি ভেঙে দিয়েছে তখন সে উল্লাস করে বারবার পোস্ট করেছে। এবং বারবার বলেছে এখন থেকে আমাদের জন্য প্রতিদিন ঈদের দিন। ১৫ই আগস্ট গরু জবাই করে উল্লাস করে সবাইকে খাওয়াইছে।
যখন দেশের মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীনতা নিয়ে উপহাস করেছে যখন একের পর এক মাজার ভেঙ্গে দিয়েছে, গানের কনসার্ট বন্ধ হয়েছে, ফুটবল খেলা বন্ধ হয়েছে। তখন
একটি শব্দও দখলবাজদের বিরুদ্ধে লিখে ফেসবুকে পোস্ট দেওনি!
এই দুই বছরে হাজার হাজার শিশু কিশোরী কিশোর’কে ধর্ষণ করেছে, বিভৎসভাবে হত্যাও করেছে, তাদের বিষয়ে তার কোন পোস্টে প্রতিবাদ, বা স্লোগান, আফসোস কেউ দেখেনি।
আজ অপ্রতিম খুন হলো মাত্র তেরো বছর বয়সে। অথচ ৭৫ এর ১৫ই আগস্ট বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের এডাল্ট বাদেও দশ বছরের শিশু রাসেল সহ আরো চার শিশুকে নির্মমভাবে খু*ন করেছিলো। সুলতানা কামাল খুকুর গর্ভের শিশুসহ শেখ মনির স্ত্রী আরজু মনির গর্ভের শিশু সহ মোট ছয় শিশুকে তোমার বাবা,চাচা,শশুর’রা হত্যা করেছিলো (যেহেতু তোমার বাবা,চাচা,শশুর রাজাকার ছিলো) তাই হত্যায় তাদেরকে আমি দোষী করলাম।
এই নাহিদা, গত দুইটা ১৫আগস্টে শেখ রাসেল’দের হত্যাকে উচিত বিচার বলে উল্লাস করে তখনো একজন সমবয়সী সন্তানের মা হয়ে আসলে এই ধরণের স্লোগান কীভাবে দিতে পেরেছিলে!? আমি জানিনা! আমি এও জানিনা – এই নাহিদা এতো বড়মাপের ত্যাগি নেত্রী হয়েও কীভাবে চুপ ছিল ইউনুস-তারেক অবৈধ সরকার যখন হামের টিকা না দিয়ে শিশু গুলোকে মৃত্যুর হাতে তুলে দিয়েছিল !
নাহিদা গর্ব করে এও বলেছিল, ইউনুস আমলের মব, আইনশৃঙ্খলার অবনতি নাকি খুবই স্বাভাবিক। আর তাদের হুকুমে মব’দের হাতে নিহতদের বিষয়ে বলেছিলে স্বজন হারার বেদনা চু*দি*না, আজ সেই স্বাভাবিক বিষয়টারই বলি হলো তার নিজের সন্তান, হায় আফসোস, হায় দূর্ভাগ্য!
আমার মনের এক কোণায় শুধু ক্ষোভ আর আক্ষেপের বিদ্রোহ আবিষ্কার করছি। অপ্রতিমের মুখখানা আমার চোখের সামনে ভাসছে শুধু। আমার মত ওভারথিংকার পার্সনদের জন্য এইসব ঘটনা বেশ ট্রমাটিক। তোফাজ্জল হ*ত্যাকান্ড, মাসুদ হ*ত্যা*কান্ড, রামিসা হ*ত্যাকান্ড, কি রবিদাস যেন? তাকে গাছে ঝুলিয়ে পুড়িয়ে হ*ত্যা*কান্ড, রংপুরের গণপতি স্যারের পরিবারের উপর হওয়া নৃশংসতা, এমন এমন অসংখ্য অগনিত হত্যা জাতীয় ঘটনাগুলোর পর আমি যে কত রাত ঘুমাতে পারি নাই, তার ইয়ত্তা নাই! এসব না নিতে পেরে আমি হতাশায় চুপচাপ ছিলাম অনেক দিন! তার পর থেকে প্রতিদিন সারাদেশে শত শত হ*ত্যা*কান্ড, এখনো আওয়ামী লীগের কোন লোক যদি নিহত হয় বা তাদের বাড়িতে হামলা করে এই নাহিদা গোষ্ঠী আনন্দ উল্লাস করে। কই তাদের জন্য প্রতিবাদ তো কখনো করে নাই। একটা কথাও তো বলতে পারে নাই যে যারা অন্যায় করেছে তাদের শাস্তি হোক তাদের বিচার হোক কিন্তু যারা করে নাই তাদের ব্যাপারে অন্যায় মেনে নিব না এতোটুকু তো বলতে পারে নাই। এমন প্রতিদিন হত্যাকান্ড ঘটতেছে প্রতিদিন ১৬ থেকে ১৭ জন মানুষ খুন হচ্ছে।
আজ আবার যোগ হইলো অপ্রতিম হত্যাকান্ড।
এই দেশটা যে কবে স্বাভাবিক হবে তাও জানিনা। শেখ হাসিনার উপর আপনার ক্ষোভ থাকতেই পারে,অন্যান্য রাজনৈতিক আলাপ বাদ দিলেও কিন্তু অন্তত উনার শাসনামলে আইনশৃঙ্খলার অবনতি ছিলো না। কোনো বিতর্ক বা নজির ছিলো না হ*ত্যাকান্ডের বিচার নিয়ে। মানুষ তার ঘরের তালা না লাগিয়ে ঘুরতে চলে গেছে রাত দুইটা হোক তিনটা হোক মানুষ মাওয়াতে খেতে গেছে। সারারাত জুড়ে ৩০০ ফিটে মানুষজন আনন্দ করেছে কোন ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। আবার মাঝে মাঝে কোন দুর্ঘটনা ঘটলেও ততক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
কিন্তু আপনার স্বাধীন করা এই নয়া বাংলাদেশে তো বিচারের দাবী দুরঅস্ত বিচারের কথা ভাবাও যায় না। প্রতিবাদ করলেই হ*ত্যা করা হয়।
যাকগে, আর বেশি কিছু লিখতে চেয়েও লিখছি না।
অপ্রতিমের সাথে আমার কোন শত্রুতা নেই, সে ছিলো নিষ্পাপ শিশু! কিন্তু তার এই হ*ত্যার দায় তোমার, তোমার স্বামীর, তোমাদের পুরো পরিবারের। তুমি এবং তোমরাই এই লাখে লাখে কিশোদের মব বানিয়েছো, হত্যাকারী, ধর্ষক বানিয়েছো। এমন দেশই তুমি বা তোমরা চেয়েছো, গত দু’বছরে যত শিশু কিশোর হ*ত্যার বলি হয়েছে তোমাদের হাতে, তাদের জন্য মনে আমার কষ্ট হয়েছে, খারাপ লেগেছে, অপ্রতিম তোমার সন্তানের জন্যও ততটুকুই কষ্ট হচ্ছে এবং খারাপ লাগছে।
কিন্তু, জনাবা নাহিদা বেগম কাউনসিলর, তোমার পোস্টগুলো দেখে, তোমার বিগত দুইবছরের স্বেচ্ছাচারিতা, বিপথগামীতা দেখে, লাখ লাখ ছাত্র কিশোরদের জ*ঙ্গিবাদ হতে উস্কানি দেখে, মব’দের জন্য শান্তির দুত হয়ে নিজেকে তাদের শরীরের নীচে খুলে দিতে, তাদের সারাদিনের জ*ঙ্গিপনা নাচন কুদন পরিশ্রমের পরে তাদেরকে খুশি করতে উজ্জীবিত করতে তাদের শিশ্ন তোমার জরায়ুতে ধারন করেছো সুখ দিয়েছো, সুখ নিয়েছো, (তোমার ফেসবুক স্ট্যাটমেন্ট অনুযায়ী) এতোকিছু দেখে ও জেনে, আজকের তোমার এই কান্না দেখে আহাজারি দেখে আমার বিন্দু মাত্র তোমার প্রতি কোন সহানুভূতি জাগেনি। এভাবে বিগত দুবছর যাবত এমন অসংখ্য মায়েরা তাদের সন্তান হারিয়ে আহাজারি করে চলছে, তখন তুমি,তোমরা খুশিতে উল্লাস করেছো, এখন কেমন লাগে মাত্র একটা সন্তান হারিয়ে নাহিদা বেগম?? এই তিনটা কিশোরের ছবি দেখো, তাদের মিষ্টি হাসিমুখ দেখো, তারা কি দুবচর আগেও ভেবেছিল যে তারা জঙ্গি হবে? মানুষ হত্যা করেবে? কারা জঙ্গি বানিয়েছে এই অবুঝ কিশোরদের? তুমি এবং তোমরা। মনে রেখো আল্লাহ কারো ভাত খায়না!!
তাই তোমার মত একটা খবিশ-পিশাচ-নির্লজ্জ-নিকৃষ্ট-স্বেচ্ছাচারী চরিত্রহীনা নারী রুপি ডাইনি জ*ঙ্গির জন্য প্রচন্ড ঘৃণাই হচ্ছে! এখন নাটক কম কর পিও। আমার ইচ্ছে করছে এখন তোমার পতি নামের ওই বাদাইম্মা নপুংসক শুয়োরটার সামনে তোমাকে সম্পুর্ন বিবস্র করে তোমার হাতে গড়া ওই তিন জ*ঙ্গি নামের কিশোরকে দিয়ে ধ*র্ষ*ণ করা*তে, আর ওই নপুংসক টার পে*নিস গোড়া থেকে কে*টে হিজড়া বানাতে। হারামজাদা একটা নারীকে সন্তুষ্ট করার মুরোদ নেই, তার বিষ চুষে নেওয়ার ক্ষমতা নেই, তাহলে বিয়ে করলি কেন সেই শাস্তি স্বরূপ। আজ যদি তুমি আমার পরিবারের কেউ হতে তবে আমি তা-ই করাতাম!! দেশবিরোধীতা করতে গিয়ে যে নারী স্বেচ্ছায় বে*শ্যা হয় সে বে*শ্যা*দের চেয়েও অধম, প*তিতা*দের কলঙ্ক! সত্যিকারের বে/শ্যা আর পতি*তা*দের আমি বে/শ্যা বলিনা, ঘৃণাও করিনা, আমি তাদের শ্রদ্ধা করি, তারা নিরুপায় হয়ে, পেটের তাগিদে, শরীরের খুধা মেটাতে তা করে। আর জুলাইয়ের তোরা? তোরা তো হইলি পাকিস্তান আমেরিকার বিজাতীয় দুষিত রক্তের ধারা, মিরজাফর, ডলারের বিনিময়ে নিজ দেশের পুটকি মেরে আলিশান জীবন যাপন করিস।
অতএব, তোদের মত জুলাইয়ের সকল নারী কিশোরী জ*ঙ্গি বে*শ্যা*দের জন্য – ওয়াক থুঃ!!
জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।

Shakhawat Hossain’s Post

মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।

জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

দরকার হলে হাজার জনের কাছে স্বেচ্ছায় ধর্ষিত হয়ে হলেও এই ফ্যাসিস্ট হাসিনাকে শেষ করবো।

প্রকাশের সময় : ০১:০৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

অনলাইন শুক্রবার ২৫সেপ্টেম্বর ২০২৬

আসুন রাজাকারদের অনুসারী নাহিদার আমল নামাটা একটু দেখি… কষ্ট করে লেখাটা সব পড়বেন অনুরোধ রইলো…
গতকাল দুপুর থেকে রাত ৪ টা পর্যন্ত…
নাহিদা নাহিদের পোস্টগুলো পড়ে এখন সত্যিই ঘৃণা লাগছে।
আসেন বন্ধুরা জুলাই যুদ্ধা এই নাহিদা বেগমের স্বরুপটা একটু চেনার চেষ্টা করি, এনার লেখাগুলো পড়লে হতবাক হতে হয় যে ইনি আমাদেরই এক বিশ্ববিদ্যালয়ের তথাকথিত শিক্ষকঃ
জুলাই জ*ঙ্গি নাহিদা বেগমের ফেসবুক প্রোফাইল ঘুরে দেখলাম। তুমি বেশ প্রতিবাদী কন্ঠস্বর। জুলাইয়ে কোনো শিক্ষার্থীকে যেন আহত/নিহত না হতে হয়, সেজন্য তুমি অনেক পরিশ্রম করেছো। তাদের প্রতি সহানুভূতিশীল হয়ে তাদেরকে পরামর্শ দিয়েছো, জুলাই জ*ঙ্গি হামলার জন্য ছাত্রদের যেসব পরামর্শ দিয়েছো তা স্মরন কালের সেরা কাউন্সিলর তিনি।
আর বার বার পোস্ট দিয়েছে স্বজন হারার বেদনা চু’দি’না চু’দি’না! হাসিনা চু’দি’না, মুজিব চু দিনা, চেতনা চু’দিনা একাত্তর মানিনা, মুক্তিযোদ্ধা চু’দি’না!
হাসিনাকে উৎখাত করতে যা করা লাগে তা-ই করবো, যা দেওয়া লাগে তা-ই দেবো। আরেক পোস্টে বলেছে, হাসিনা-আমিলিগ’কে নিশ্চিহ্ন করার জন্য যে কোন ত্যাগ স্বীকার করতে রাজি, পোশাক খুলে রাস্তায় শুয়ে হলেও এর শেষ পরনতি দেখবো, দরকার হলে হাজার জনের কাছে স্বেচ্ছায় ধর্ষিত হয়ে হলেও এই ফ্যাসিস্ট হাসিনাকে শেষ করবো।
একাত্তরের যারা পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে আমার এতো মানুষকে মরতে দিলো তাদের সবার অর্থাৎ মুক্তিযোদ্ধাদের ধ্বংস দেখে ঘরে ফিরবো। ১৭ বছরের শোষন নিপিড়ন হ*ত্যা গুম খুনের বদলা কড়ায় গন্ডায় বুঝে নেবো।
ওই একই বছর অর্থাৎ ২৪ সালের ১৫ই ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে নিয়ে অত্যন্ত বাজে ভাষায় পোস্ট করেছেন। যেটা উচ্চারণ করার মত না।
আরেক পোস্টে বলেছে দরকার হলে আমাদের জুলাই যোদ্ধাদের (জুলাই জ*ঙ্গি) কিছু ছেলেদের বলি দেবো তবুও হাসিনা আর আমিলিগের একটা একটা করে শেষ করবো!!
আবার লিখেছে আমার প্রিয় হাসনাত আব্দুল্লাহ তুমি ২৪ শের বীর মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম নেতা, তোমার দলবল নিয়ে আমিলিগের হাসিনার জাতিগোষ্ঠী শেষ করে দাও, জালিম বাল লিগের এই দেশে আর ঠাই নেই।
ভারতের চক্রান্তে সংঘটিত মুক্তিযুদ্ধ ও একাত্তরের ভারতের দালালদের একটা লোকও যেন বাঁচতে না পারে সেই ব্যবস্থা কর। আমরা তোমার জন্য সব করতে পারি। ২৪ জুলাই হবে সত্যিকারের মুক্তিযুদ্ধ, তুমিই হবে এই মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম নেতা। ভারতের তৈরি করে দেওয়া কথিত মুক্তিযুদ্ধ কে গুরিয়ে দাও ।
আরেক পোস্টে বলেছে জুলাইয়ে কাঁদানে গ্যাস থেকে জ*ঙ্গিদের বাঁচানোর জন্য রাস্তায় রাস্তায় টুথপেস্ট নিয়ে ঘুরেছে নাকি। সে হাসনাত আবদুল্লাহকে তরুণদের বিশাল বড় মাপের নেতা মেনে নিয়ে দেড় হাত লম্বা পোস্ট লিখেছো।
আবার উল্লেখ করেছে হাসনাতের পায়ের যোগ্যতা নাই শেখ মুজিব নামের ভারতের এক দাসের।
এছাড়াও, শেখ হাসিনার অবৈধ ফাঁ’সির রায় হয় যেদিন, সেদিন সে উল্লাস করে লিখেছিল, শেখ হাসিনার অহংকার, ক্ষমতার তেঁজ দেখে নাকি তার আত্মা ঘৃণায় রিরি করতো। সে নাকি গত সতের বছরে তাহাজ্জুদ নামাজ পড়ে শেখ হাসিনার ধ্বংস চেয়েছে।
কিছু ভাইবন্ধু জানালেন এই নাহিদা নাকি এম্বাসি ফান্ডেড ছিলো। আবার একজন জানালেন, সে বহুবার জুলাইয়ে “স্বজন হারানোর বেদনা চু*দি*না” টাইপের স্লোগান ও দিয়েছিলো। আমিও তার প্রোফাইল ঘুরে দেখলাম সে আসলেই বেশ বড় মাপের একজন কলামিস্ট। নাহিদা সাহিত্য,ভাষা নিয়ে অনেক কলাম লিখেছে। বুদ্ধিবৃত্তিক আলোচনা করে নিয়মিত। অথচ তার কোনো কন্সার্ন ছিলো না যে এই দেশ থেকে তার নেতারা ১৫,৬০০ শিশু নিখোঁজ হয়েছে বিগত ৬-৭ মাসে। হামে অফিসিয়ালি মৃত্যুর ঘোষণা দিয়েছে ১১৫০ জন অথচ, অন্যান্য সূত্রেঃ প্রাপ্ত টোটাল মুত্যু সংখ্যা ঢাকায় ৩৪০০+ ঢাকার বাহিরে আরো ৪০০ শত মৃত্যু।
এই ১৮০০০ প্রায় সিস্টেমেটিক হত্যার ব্যাপারেও তার কোনো ভ্রুক্ষেপ ছিলো না, ছিল না কোন প্রতিবাদ পোস্ট।
হাসিনা পতনের পর, একে একে মুক্তিযুদ্ধের সকল স্মৃতি মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর এবং অন্যান্য নেতা কর্মীদের ঘরবাড়ি ভেঙে দিয়েছে তখন সে উল্লাস করে বারবার পোস্ট করেছে। এবং বারবার বলেছে এখন থেকে আমাদের জন্য প্রতিদিন ঈদের দিন। ১৫ই আগস্ট গরু জবাই করে উল্লাস করে সবাইকে খাওয়াইছে।
যখন দেশের মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীনতা নিয়ে উপহাস করেছে যখন একের পর এক মাজার ভেঙ্গে দিয়েছে, গানের কনসার্ট বন্ধ হয়েছে, ফুটবল খেলা বন্ধ হয়েছে। তখন
একটি শব্দও দখলবাজদের বিরুদ্ধে লিখে ফেসবুকে পোস্ট দেওনি!
এই দুই বছরে হাজার হাজার শিশু কিশোরী কিশোর’কে ধর্ষণ করেছে, বিভৎসভাবে হত্যাও করেছে, তাদের বিষয়ে তার কোন পোস্টে প্রতিবাদ, বা স্লোগান, আফসোস কেউ দেখেনি।
আজ অপ্রতিম খুন হলো মাত্র তেরো বছর বয়সে। অথচ ৭৫ এর ১৫ই আগস্ট বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের এডাল্ট বাদেও দশ বছরের শিশু রাসেল সহ আরো চার শিশুকে নির্মমভাবে খু*ন করেছিলো। সুলতানা কামাল খুকুর গর্ভের শিশুসহ শেখ মনির স্ত্রী আরজু মনির গর্ভের শিশু সহ মোট ছয় শিশুকে তোমার বাবা,চাচা,শশুর’রা হত্যা করেছিলো (যেহেতু তোমার বাবা,চাচা,শশুর রাজাকার ছিলো) তাই হত্যায় তাদেরকে আমি দোষী করলাম।
এই নাহিদা, গত দুইটা ১৫আগস্টে শেখ রাসেল’দের হত্যাকে উচিত বিচার বলে উল্লাস করে তখনো একজন সমবয়সী সন্তানের মা হয়ে আসলে এই ধরণের স্লোগান কীভাবে দিতে পেরেছিলে!? আমি জানিনা! আমি এও জানিনা – এই নাহিদা এতো বড়মাপের ত্যাগি নেত্রী হয়েও কীভাবে চুপ ছিল ইউনুস-তারেক অবৈধ সরকার যখন হামের টিকা না দিয়ে শিশু গুলোকে মৃত্যুর হাতে তুলে দিয়েছিল !
নাহিদা গর্ব করে এও বলেছিল, ইউনুস আমলের মব, আইনশৃঙ্খলার অবনতি নাকি খুবই স্বাভাবিক। আর তাদের হুকুমে মব’দের হাতে নিহতদের বিষয়ে বলেছিলে স্বজন হারার বেদনা চু*দি*না, আজ সেই স্বাভাবিক বিষয়টারই বলি হলো তার নিজের সন্তান, হায় আফসোস, হায় দূর্ভাগ্য!
আমার মনের এক কোণায় শুধু ক্ষোভ আর আক্ষেপের বিদ্রোহ আবিষ্কার করছি। অপ্রতিমের মুখখানা আমার চোখের সামনে ভাসছে শুধু। আমার মত ওভারথিংকার পার্সনদের জন্য এইসব ঘটনা বেশ ট্রমাটিক। তোফাজ্জল হ*ত্যাকান্ড, মাসুদ হ*ত্যা*কান্ড, রামিসা হ*ত্যাকান্ড, কি রবিদাস যেন? তাকে গাছে ঝুলিয়ে পুড়িয়ে হ*ত্যা*কান্ড, রংপুরের গণপতি স্যারের পরিবারের উপর হওয়া নৃশংসতা, এমন এমন অসংখ্য অগনিত হত্যা জাতীয় ঘটনাগুলোর পর আমি যে কত রাত ঘুমাতে পারি নাই, তার ইয়ত্তা নাই! এসব না নিতে পেরে আমি হতাশায় চুপচাপ ছিলাম অনেক দিন! তার পর থেকে প্রতিদিন সারাদেশে শত শত হ*ত্যা*কান্ড, এখনো আওয়ামী লীগের কোন লোক যদি নিহত হয় বা তাদের বাড়িতে হামলা করে এই নাহিদা গোষ্ঠী আনন্দ উল্লাস করে। কই তাদের জন্য প্রতিবাদ তো কখনো করে নাই। একটা কথাও তো বলতে পারে নাই যে যারা অন্যায় করেছে তাদের শাস্তি হোক তাদের বিচার হোক কিন্তু যারা করে নাই তাদের ব্যাপারে অন্যায় মেনে নিব না এতোটুকু তো বলতে পারে নাই। এমন প্রতিদিন হত্যাকান্ড ঘটতেছে প্রতিদিন ১৬ থেকে ১৭ জন মানুষ খুন হচ্ছে।
আজ আবার যোগ হইলো অপ্রতিম হত্যাকান্ড।
এই দেশটা যে কবে স্বাভাবিক হবে তাও জানিনা। শেখ হাসিনার উপর আপনার ক্ষোভ থাকতেই পারে,অন্যান্য রাজনৈতিক আলাপ বাদ দিলেও কিন্তু অন্তত উনার শাসনামলে আইনশৃঙ্খলার অবনতি ছিলো না। কোনো বিতর্ক বা নজির ছিলো না হ*ত্যাকান্ডের বিচার নিয়ে। মানুষ তার ঘরের তালা না লাগিয়ে ঘুরতে চলে গেছে রাত দুইটা হোক তিনটা হোক মানুষ মাওয়াতে খেতে গেছে। সারারাত জুড়ে ৩০০ ফিটে মানুষজন আনন্দ করেছে কোন ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। আবার মাঝে মাঝে কোন দুর্ঘটনা ঘটলেও ততক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
কিন্তু আপনার স্বাধীন করা এই নয়া বাংলাদেশে তো বিচারের দাবী দুরঅস্ত বিচারের কথা ভাবাও যায় না। প্রতিবাদ করলেই হ*ত্যা করা হয়।
যাকগে, আর বেশি কিছু লিখতে চেয়েও লিখছি না।
অপ্রতিমের সাথে আমার কোন শত্রুতা নেই, সে ছিলো নিষ্পাপ শিশু! কিন্তু তার এই হ*ত্যার দায় তোমার, তোমার স্বামীর, তোমাদের পুরো পরিবারের। তুমি এবং তোমরাই এই লাখে লাখে কিশোদের মব বানিয়েছো, হত্যাকারী, ধর্ষক বানিয়েছো। এমন দেশই তুমি বা তোমরা চেয়েছো, গত দু’বছরে যত শিশু কিশোর হ*ত্যার বলি হয়েছে তোমাদের হাতে, তাদের জন্য মনে আমার কষ্ট হয়েছে, খারাপ লেগেছে, অপ্রতিম তোমার সন্তানের জন্যও ততটুকুই কষ্ট হচ্ছে এবং খারাপ লাগছে।
কিন্তু, জনাবা নাহিদা বেগম কাউনসিলর, তোমার পোস্টগুলো দেখে, তোমার বিগত দুইবছরের স্বেচ্ছাচারিতা, বিপথগামীতা দেখে, লাখ লাখ ছাত্র কিশোরদের জ*ঙ্গিবাদ হতে উস্কানি দেখে, মব’দের জন্য শান্তির দুত হয়ে নিজেকে তাদের শরীরের নীচে খুলে দিতে, তাদের সারাদিনের জ*ঙ্গিপনা নাচন কুদন পরিশ্রমের পরে তাদেরকে খুশি করতে উজ্জীবিত করতে তাদের শিশ্ন তোমার জরায়ুতে ধারন করেছো সুখ দিয়েছো, সুখ নিয়েছো, (তোমার ফেসবুক স্ট্যাটমেন্ট অনুযায়ী) এতোকিছু দেখে ও জেনে, আজকের তোমার এই কান্না দেখে আহাজারি দেখে আমার বিন্দু মাত্র তোমার প্রতি কোন সহানুভূতি জাগেনি। এভাবে বিগত দুবছর যাবত এমন অসংখ্য মায়েরা তাদের সন্তান হারিয়ে আহাজারি করে চলছে, তখন তুমি,তোমরা খুশিতে উল্লাস করেছো, এখন কেমন লাগে মাত্র একটা সন্তান হারিয়ে নাহিদা বেগম?? এই তিনটা কিশোরের ছবি দেখো, তাদের মিষ্টি হাসিমুখ দেখো, তারা কি দুবচর আগেও ভেবেছিল যে তারা জঙ্গি হবে? মানুষ হত্যা করেবে? কারা জঙ্গি বানিয়েছে এই অবুঝ কিশোরদের? তুমি এবং তোমরা। মনে রেখো আল্লাহ কারো ভাত খায়না!!
তাই তোমার মত একটা খবিশ-পিশাচ-নির্লজ্জ-নিকৃষ্ট-স্বেচ্ছাচারী চরিত্রহীনা নারী রুপি ডাইনি জ*ঙ্গির জন্য প্রচন্ড ঘৃণাই হচ্ছে! এখন নাটক কম কর পিও। আমার ইচ্ছে করছে এখন তোমার পতি নামের ওই বাদাইম্মা নপুংসক শুয়োরটার সামনে তোমাকে সম্পুর্ন বিবস্র করে তোমার হাতে গড়া ওই তিন জ*ঙ্গি নামের কিশোরকে দিয়ে ধ*র্ষ*ণ করা*তে, আর ওই নপুংসক টার পে*নিস গোড়া থেকে কে*টে হিজড়া বানাতে। হারামজাদা একটা নারীকে সন্তুষ্ট করার মুরোদ নেই, তার বিষ চুষে নেওয়ার ক্ষমতা নেই, তাহলে বিয়ে করলি কেন সেই শাস্তি স্বরূপ। আজ যদি তুমি আমার পরিবারের কেউ হতে তবে আমি তা-ই করাতাম!! দেশবিরোধীতা করতে গিয়ে যে নারী স্বেচ্ছায় বে*শ্যা হয় সে বে*শ্যা*দের চেয়েও অধম, প*তিতা*দের কলঙ্ক! সত্যিকারের বে/শ্যা আর পতি*তা*দের আমি বে/শ্যা বলিনা, ঘৃণাও করিনা, আমি তাদের শ্রদ্ধা করি, তারা নিরুপায় হয়ে, পেটের তাগিদে, শরীরের খুধা মেটাতে তা করে। আর জুলাইয়ের তোরা? তোরা তো হইলি পাকিস্তান আমেরিকার বিজাতীয় দুষিত রক্তের ধারা, মিরজাফর, ডলারের বিনিময়ে নিজ দেশের পুটকি মেরে আলিশান জীবন যাপন করিস।
অতএব, তোদের মত জুলাইয়ের সকল নারী কিশোরী জ*ঙ্গি বে*শ্যা*দের জন্য – ওয়াক থুঃ!!
জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।

Shakhawat Hossain’s Post

মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।