বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট নাজমিন আক্তারের আদালত শুনানি শেষে তাকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট রাওমান স্মিতা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে চাঁদাবাজির অভিযোগে ২০২৪ সালের ৩০ মার্চ রাজধানীর পল্টন এলাকায় অভিযান চালিয়ে সুফি সাগরকে গ্রেফতার করেছিল ডিবির সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (উত্তর) বিভাগ।
গ্রেফতারের সময় তার কাছ থেকে একাধিক ভিজিটিং কার্ড ও একটি কথিত ডক্টরেট ডিগ্রির সনদ জব্দের কথা জানিয়েছিল ডিবি। তদন্তকারীদের দাবি, সুফি সাগর প্রাথমিক শিক্ষার গণ্ডিও পার হননি।
ডিবির অভিযোগ, ‘আইন ও মানবাধিকার সুরক্ষা ফাউন্ডেশন’ নামে একটি সংগঠনের আড়ালে সুফি সাগর একটি চক্র পরিচালনা করতেন। চক্রটি সমাজের ধনাঢ্য ব্যক্তি ও স্বনামধন্য বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে টার্গেট করে তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য দিয়ে বিভিন্ন সরকারি দপ্তর ও মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠাতো। পরে এসব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করা হতো।
চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে মানবাধিকার সংগঠনের ব্যানারে সংবাদ সম্মেলন করে সামাজিকভাবে হেয় করা এবং হয়রানির ভয় দেখানোর অভিযোগও রয়েছে। সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ন হওয়ার আশঙ্কায় অনেকে চাঁদা দিতে বাধ্য হতেন বলেও তদন্তে উঠে এসেছে বলে জানিয়েছে ডিবি।
এছাড়া মানব পাচারের অভিযোগে মার্কিন দূতাবাসের করা একটি মামলায় সুফি সাগরের প্রতিষ্ঠিত ওই সংগঠনের চেয়ারম্যান ও মহাসচিবকে ডিবি গ্রেফতার করেছিল। তাদের বিরুদ্ধে সংগঠনের নাম ব্যবহার করে জাতিসংঘের কথিত ভুয়া আমন্ত্রণপত্র দেখিয়ে সাধারণ মানুষকে যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানোর কথা বলে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
তদন্ত সংশ্লিষ্টদের দাবি, কথিত ও অনুমোদনহীন ওই সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে সুফি সাগর শামসের নাম ব্যবহার করা হতো






















