, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

চাঁদাবাজি ও প্রতারণার অভিযোগে কারাগারে সুফি সাগর

  • প্রকাশের সময় : ০২:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৩০ পড়া হয়েছে

অনলাইন রবিবার,২৭সেপ্টেম্বর২০২৬,

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট নাজমিন আক্তারের আদালত শুনানি শেষে তাকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট রাওমান স্মিতা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সুফি সাগরের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন স্বনামধন্য ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছে চাঁদাবাজির অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া গত ১১ সেপ্টেম্বর রাজধানীর গুলশানে আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিলের পেছনে তার অর্থায়নের প্রমাণ পাওয়ার দাবি করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। ২০২৪ সালের জুলাইয়ে যাত্রাবাড়ীতে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের সঙ্গেও তার সংশ্লিষ্টতার তথ্য-প্রমাণ পাওয়ার দাবি করেছে পুলিশ।

এর আগে চাঁদাবাজির অভিযোগে ২০২৪ সালের ৩০ মার্চ রাজধানীর পল্টন এলাকায় অভিযান চালিয়ে সুফি সাগরকে গ্রেফতার করেছিল ডিবির সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (উত্তর) বিভাগ।

ডিবির ভাষ্য অনুযায়ী, সুফি সাগর নিজেকে মানবাধিকারকর্মী ও কথিত একটি মানবাধিকার সংগঠনের উপদেষ্টা পরিচয় দিয়ে অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজি করতেন। তার নামের সঙ্গে ‘ডক্টরেট’ ডিগ্রি ব্যবহারের বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি একটি সনদ দেখান। পরে সেটি ভুয়া বলে দাবি করে ডিবি। জিজ্ঞাসাবাদে ওই সনদ যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী এক ব্যক্তি তাকে সংগ্রহ করে দিয়েছেন বলেও তিনি স্বীকার করেন বলে জানিয়েছিল ডিবি।

গ্রেফতারের সময় তার কাছ থেকে একাধিক ভিজিটিং কার্ড ও একটি কথিত ডক্টরেট ডিগ্রির সনদ জব্দের কথা জানিয়েছিল ডিবি। তদন্তকারীদের দাবি, সুফি সাগর প্রাথমিক শিক্ষার গণ্ডিও পার হননি।

ডিবির অভিযোগ, ‘আইন ও মানবাধিকার সুরক্ষা ফাউন্ডেশন’ নামে একটি সংগঠনের আড়ালে সুফি সাগর একটি চক্র পরিচালনা করতেন। চক্রটি সমাজের ধনাঢ্য ব্যক্তি ও স্বনামধন্য বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে টার্গেট করে তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য দিয়ে বিভিন্ন সরকারি দপ্তর ও মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠাতো। পরে এসব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করা হতো।

চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে মানবাধিকার সংগঠনের ব্যানারে সংবাদ সম্মেলন করে সামাজিকভাবে হেয় করা এবং হয়রানির ভয় দেখানোর অভিযোগও রয়েছে। সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ন হওয়ার আশঙ্কায় অনেকে চাঁদা দিতে বাধ্য হতেন বলেও তদন্তে উঠে এসেছে বলে জানিয়েছে ডিবি।

এছাড়া মানব পাচারের অভিযোগে মার্কিন দূতাবাসের করা একটি মামলায় সুফি সাগরের প্রতিষ্ঠিত ওই সংগঠনের চেয়ারম্যান ও মহাসচিবকে ডিবি গ্রেফতার করেছিল। তাদের বিরুদ্ধে সংগঠনের নাম ব্যবহার করে জাতিসংঘের কথিত ভুয়া আমন্ত্রণপত্র দেখিয়ে সাধারণ মানুষকে যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানোর কথা বলে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

তদন্ত সংশ্লিষ্টদের দাবি, কথিত ও অনুমোদনহীন ওই সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে সুফি সাগর শামসের নাম ব্যবহার করা হতো

 

জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

চাঁদাবাজি ও প্রতারণার অভিযোগে কারাগারে সুফি সাগর

প্রকাশের সময় : ০২:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

অনলাইন রবিবার,২৭সেপ্টেম্বর২০২৬,

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট নাজমিন আক্তারের আদালত শুনানি শেষে তাকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট রাওমান স্মিতা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সুফি সাগরের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন স্বনামধন্য ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছে চাঁদাবাজির অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া গত ১১ সেপ্টেম্বর রাজধানীর গুলশানে আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিলের পেছনে তার অর্থায়নের প্রমাণ পাওয়ার দাবি করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। ২০২৪ সালের জুলাইয়ে যাত্রাবাড়ীতে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের সঙ্গেও তার সংশ্লিষ্টতার তথ্য-প্রমাণ পাওয়ার দাবি করেছে পুলিশ।

এর আগে চাঁদাবাজির অভিযোগে ২০২৪ সালের ৩০ মার্চ রাজধানীর পল্টন এলাকায় অভিযান চালিয়ে সুফি সাগরকে গ্রেফতার করেছিল ডিবির সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (উত্তর) বিভাগ।

ডিবির ভাষ্য অনুযায়ী, সুফি সাগর নিজেকে মানবাধিকারকর্মী ও কথিত একটি মানবাধিকার সংগঠনের উপদেষ্টা পরিচয় দিয়ে অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজি করতেন। তার নামের সঙ্গে ‘ডক্টরেট’ ডিগ্রি ব্যবহারের বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি একটি সনদ দেখান। পরে সেটি ভুয়া বলে দাবি করে ডিবি। জিজ্ঞাসাবাদে ওই সনদ যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী এক ব্যক্তি তাকে সংগ্রহ করে দিয়েছেন বলেও তিনি স্বীকার করেন বলে জানিয়েছিল ডিবি।

গ্রেফতারের সময় তার কাছ থেকে একাধিক ভিজিটিং কার্ড ও একটি কথিত ডক্টরেট ডিগ্রির সনদ জব্দের কথা জানিয়েছিল ডিবি। তদন্তকারীদের দাবি, সুফি সাগর প্রাথমিক শিক্ষার গণ্ডিও পার হননি।

ডিবির অভিযোগ, ‘আইন ও মানবাধিকার সুরক্ষা ফাউন্ডেশন’ নামে একটি সংগঠনের আড়ালে সুফি সাগর একটি চক্র পরিচালনা করতেন। চক্রটি সমাজের ধনাঢ্য ব্যক্তি ও স্বনামধন্য বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে টার্গেট করে তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য দিয়ে বিভিন্ন সরকারি দপ্তর ও মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠাতো। পরে এসব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করা হতো।

চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে মানবাধিকার সংগঠনের ব্যানারে সংবাদ সম্মেলন করে সামাজিকভাবে হেয় করা এবং হয়রানির ভয় দেখানোর অভিযোগও রয়েছে। সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ন হওয়ার আশঙ্কায় অনেকে চাঁদা দিতে বাধ্য হতেন বলেও তদন্তে উঠে এসেছে বলে জানিয়েছে ডিবি।

এছাড়া মানব পাচারের অভিযোগে মার্কিন দূতাবাসের করা একটি মামলায় সুফি সাগরের প্রতিষ্ঠিত ওই সংগঠনের চেয়ারম্যান ও মহাসচিবকে ডিবি গ্রেফতার করেছিল। তাদের বিরুদ্ধে সংগঠনের নাম ব্যবহার করে জাতিসংঘের কথিত ভুয়া আমন্ত্রণপত্র দেখিয়ে সাধারণ মানুষকে যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানোর কথা বলে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

তদন্ত সংশ্লিষ্টদের দাবি, কথিত ও অনুমোদনহীন ওই সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে সুফি সাগর শামসের নাম ব্যবহার করা হতো