, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মর্যাদা রক্ষায় ছয় দফা দাবি ‘৭১-এর বীর মুক্তিযোদ্ধা সমন্বয়পরিষদ

  • প্রকাশের সময় : ০৫:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৩০ পড়া হয়েছে
অনলাইন রবিবার,২৭সেপ্টেম্বর২০২৬,
মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও ঐতিহাসিক দলিল সংরক্ষণ, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মর্যাদা ও অধিকার রক্ষা এবং মুক্তিযুদ্ধের মূল্যবোধ সমুন্নত রাখার আহ্বান জানিয়ে আত্মপ্রকাশ করেছে ‘৭১-এর বীর মুক্তিযোদ্ধা সমন্বয় পরিষদ’। সংগঠনটি রাজনৈতিক দলীয় মতাদর্শের ঊর্ধ্বে থেকে মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার ইতিহাসের সুরক্ষায় কাজ করার ঘোষণা দিয়েছে।

শনিবার এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে সংগঠনটির কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়। এর আগে ১৫ জুন ২০২৬ তারিখে সংগঠনটি গঠন করা হয় বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের নেতারা বলেন, বর্তমান সময়ে ১৯৭১ সালের রণাঙ্গনের বীর মুক্তিযোদ্ধারা পরিচয়, মর্যাদা ও অধিকার নিয়ে সংকটের মুখোমুখি হচ্ছেন। তাঁদের অভিযোগ, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর বিভিন্ন স্থানে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ওপর অত্যাচার, নির্যাতন ও লাঞ্ছনার ঘটনা ঘটেছে এবং তাঁদের অধিকার অস্বীকারের নানা উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে। এসব বিষয়ে প্রশাসনের কাছে আবেদন-নিবেদন করা হলেও অনেক ক্ষেত্রে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে তাঁরা দাবি করেন।

বক্তারা বলেন, সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক আলোচনায় ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নসহ বিভিন্ন দাবি সামনে এসেছে। তাঁদের মতে, কোনোভাবেই ১৯৭১ সালের বীর মুক্তিযোদ্ধা ও জুলাই আন্দোলনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের পরস্পরের প্রতিপক্ষ হিসেবে দাঁড় করানো উচিত নয়। দুই প্রজন্মের ঐতিহাসিক ভূমিকা নিয়ে বিভাজন তৈরি না করে বিষয়গুলোকে নিজ নিজ ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে মূল্যায়ন করার আহ্বান জানান তাঁরা।

মুক্তিযুদ্ধের ঐতিহাসিক ভিত্তি সংরক্ষণের আহ্বান

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ দলিল ও ঘটনাবলির যথাযথ মর্যাদা নিশ্চিত করা জরুরি। এ ক্ষেত্রে ৭ মার্চের ভাষণ, ২৬ মার্চের স্বাধীনতা দিবস, ১০ এপ্রিল ঘোষিত স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র, ১৭ এপ্রিল মুজিবনগর সরকারের শপথ, জাতীয় সংগীত এবং ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসসহ মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ঐতিহাসিক অধ্যায়গুলো সংরক্ষণ ও মর্যাদার সঙ্গে উপস্থাপনের দাবি জানানো হয়।

সংগঠনের নেতারা আরও বলেন, ১৯৭২ সালের সংবিধানের মূলনীতি ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দেশের সাংবিধানিক ও নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করা প্রয়োজন। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও ঐতিহাসিক দলিলকে রাজনৈতিক বিতর্কের বাইরে রেখে জাতীয় ঐতিহ্য হিসেবে সংরক্ষণের ওপরও গুরুত্ব দেন তাঁরা।

ছয় দফা দাবিনামা

সংবাদ সম্মেলনে ‘৭১-এর বীর মুক্তিযোদ্ধা সমন্বয় পরিষদ’ ছয় দফা দাবিনামা উপস্থাপন করে। দাবিগুলো হলো—

১. মুক্তিযুদ্ধের ঐতিহ্য ও ঐতিহাসিক ভিত্তি সুরক্ষা

১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, ঐতিহাসিক দলিল, স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র ও সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাবলির যথাযথ সংরক্ষণ ও মর্যাদা নিশ্চিত করা।

২. সাংবিধানিক মূলনীতি, সুশাসন ও নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করা

আইনের শাসন, সুশাসন, সাংবিধানিক মূলনীতি ও নাগরিকের অধিকার সমুন্নত রাখা।

৩. বীর মুক্তিযোদ্ধাদের স্বীকৃতি ও সমতা প্রতিষ্ঠা

বীর মুক্তিযোদ্ধাদের স্বীকৃতি, মর্যাদা ও অধিকার অক্ষুণ্ন রাখা এবং তাঁদের প্রতি যেকোনো বৈষম্য বা অধিকার খর্বের উদ্যোগ প্রতিরোধ করা।

৪. ঐতিহাসিক স্মৃতি, স্মারক ও রাষ্ট্রীয় প্রতীক সংরক্ষণ

মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত স্থান, স্মারক, ঐতিহাসিক নিদর্শন ও রাষ্ট্রীয় প্রতীক যথাযথভাবে সংরক্ষণ করা।

৫. বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অধিকার, সম্মানী ভাতা ও প্রাপ্য সুযোগ-সুবিধা রক্ষা

রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে স্বীকৃত সম্মানী ভাতা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা যথাযথভাবে নিশ্চিত করা এবং তাঁদের অধিকার সুরক্ষা করা।

৬. সাংগঠনিক নির্বাচন

গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সংগঠনের সাংগঠনিক নির্বাচন সম্পন্ন করে কার্যকর ও জবাবদিহিমূলক সাংগঠনিক কাঠামো গড়ে তোলা।

‘মুক্তিযুদ্ধ কোনো দলের একক সম্পত্তি নয়’

সংবাদ সম্মেলনে নেতারা বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধ বাংলাদেশের জাতীয় ইতিহাসের অংশ এবং এর গৌরব কোনো একক রাজনৈতিক দল বা গোষ্ঠীর সম্পত্তি নয়। রাজনৈতিক মতাদর্শের ভিন্নতা থাকলেও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, স্বাধীনতার ঐতিহাসিক দলিল এবং বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মর্যাদা রক্ষায় জাতীয় ঐকমত্য গড়ে তোলা প্রয়োজন।

তাঁরা বলেন, ‘৭১-এর বীর মুক্তিযোদ্ধা সমন্বয় পরিষদ’ কোনো রাজনৈতিক দলের পক্ষে বা বিপক্ষে অবস্থান না নিয়ে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র, দেশের সার্বভৌমত্ব, স্বাধীনতা, মুক্তিযুদ্ধের মূল্যবোধ ও আদর্শের অস্তিত্ব রক্ষায় কাজ করবে।

একই সঙ্গে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিত করা, তাঁদের অভিযোগের বিষয়ে প্রশাসনিকভাবে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া এবং মুক্তিযুদ্ধের ঐতিহাসিক স্মৃতি ও দলিল সংরক্ষণে রাষ্ট্রের আরও সক্রিয় ভূমিকার দাবি জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনের মধ্য দিয়ে সংগঠনটি তাদের ঘোষিত ছয় দফা দাবি বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে এবং মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মর্যাদা রক্ষায় দেশবাসীর সহযোগিতা কামনা করে।

জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মর্যাদা রক্ষায় ছয় দফা দাবি ‘৭১-এর বীর মুক্তিযোদ্ধা সমন্বয়পরিষদ

প্রকাশের সময় : ০৫:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
অনলাইন রবিবার,২৭সেপ্টেম্বর২০২৬,
মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও ঐতিহাসিক দলিল সংরক্ষণ, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মর্যাদা ও অধিকার রক্ষা এবং মুক্তিযুদ্ধের মূল্যবোধ সমুন্নত রাখার আহ্বান জানিয়ে আত্মপ্রকাশ করেছে ‘৭১-এর বীর মুক্তিযোদ্ধা সমন্বয় পরিষদ’। সংগঠনটি রাজনৈতিক দলীয় মতাদর্শের ঊর্ধ্বে থেকে মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার ইতিহাসের সুরক্ষায় কাজ করার ঘোষণা দিয়েছে।

শনিবার এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে সংগঠনটির কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়। এর আগে ১৫ জুন ২০২৬ তারিখে সংগঠনটি গঠন করা হয় বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের নেতারা বলেন, বর্তমান সময়ে ১৯৭১ সালের রণাঙ্গনের বীর মুক্তিযোদ্ধারা পরিচয়, মর্যাদা ও অধিকার নিয়ে সংকটের মুখোমুখি হচ্ছেন। তাঁদের অভিযোগ, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর বিভিন্ন স্থানে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ওপর অত্যাচার, নির্যাতন ও লাঞ্ছনার ঘটনা ঘটেছে এবং তাঁদের অধিকার অস্বীকারের নানা উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে। এসব বিষয়ে প্রশাসনের কাছে আবেদন-নিবেদন করা হলেও অনেক ক্ষেত্রে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে তাঁরা দাবি করেন।

বক্তারা বলেন, সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক আলোচনায় ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নসহ বিভিন্ন দাবি সামনে এসেছে। তাঁদের মতে, কোনোভাবেই ১৯৭১ সালের বীর মুক্তিযোদ্ধা ও জুলাই আন্দোলনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের পরস্পরের প্রতিপক্ষ হিসেবে দাঁড় করানো উচিত নয়। দুই প্রজন্মের ঐতিহাসিক ভূমিকা নিয়ে বিভাজন তৈরি না করে বিষয়গুলোকে নিজ নিজ ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে মূল্যায়ন করার আহ্বান জানান তাঁরা।

মুক্তিযুদ্ধের ঐতিহাসিক ভিত্তি সংরক্ষণের আহ্বান

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ দলিল ও ঘটনাবলির যথাযথ মর্যাদা নিশ্চিত করা জরুরি। এ ক্ষেত্রে ৭ মার্চের ভাষণ, ২৬ মার্চের স্বাধীনতা দিবস, ১০ এপ্রিল ঘোষিত স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র, ১৭ এপ্রিল মুজিবনগর সরকারের শপথ, জাতীয় সংগীত এবং ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসসহ মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ঐতিহাসিক অধ্যায়গুলো সংরক্ষণ ও মর্যাদার সঙ্গে উপস্থাপনের দাবি জানানো হয়।

সংগঠনের নেতারা আরও বলেন, ১৯৭২ সালের সংবিধানের মূলনীতি ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দেশের সাংবিধানিক ও নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করা প্রয়োজন। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও ঐতিহাসিক দলিলকে রাজনৈতিক বিতর্কের বাইরে রেখে জাতীয় ঐতিহ্য হিসেবে সংরক্ষণের ওপরও গুরুত্ব দেন তাঁরা।

ছয় দফা দাবিনামা

সংবাদ সম্মেলনে ‘৭১-এর বীর মুক্তিযোদ্ধা সমন্বয় পরিষদ’ ছয় দফা দাবিনামা উপস্থাপন করে। দাবিগুলো হলো—

১. মুক্তিযুদ্ধের ঐতিহ্য ও ঐতিহাসিক ভিত্তি সুরক্ষা

১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, ঐতিহাসিক দলিল, স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র ও সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাবলির যথাযথ সংরক্ষণ ও মর্যাদা নিশ্চিত করা।

২. সাংবিধানিক মূলনীতি, সুশাসন ও নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করা

আইনের শাসন, সুশাসন, সাংবিধানিক মূলনীতি ও নাগরিকের অধিকার সমুন্নত রাখা।

৩. বীর মুক্তিযোদ্ধাদের স্বীকৃতি ও সমতা প্রতিষ্ঠা

বীর মুক্তিযোদ্ধাদের স্বীকৃতি, মর্যাদা ও অধিকার অক্ষুণ্ন রাখা এবং তাঁদের প্রতি যেকোনো বৈষম্য বা অধিকার খর্বের উদ্যোগ প্রতিরোধ করা।

৪. ঐতিহাসিক স্মৃতি, স্মারক ও রাষ্ট্রীয় প্রতীক সংরক্ষণ

মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত স্থান, স্মারক, ঐতিহাসিক নিদর্শন ও রাষ্ট্রীয় প্রতীক যথাযথভাবে সংরক্ষণ করা।

৫. বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অধিকার, সম্মানী ভাতা ও প্রাপ্য সুযোগ-সুবিধা রক্ষা

রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে স্বীকৃত সম্মানী ভাতা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা যথাযথভাবে নিশ্চিত করা এবং তাঁদের অধিকার সুরক্ষা করা।

৬. সাংগঠনিক নির্বাচন

গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সংগঠনের সাংগঠনিক নির্বাচন সম্পন্ন করে কার্যকর ও জবাবদিহিমূলক সাংগঠনিক কাঠামো গড়ে তোলা।

‘মুক্তিযুদ্ধ কোনো দলের একক সম্পত্তি নয়’

সংবাদ সম্মেলনে নেতারা বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধ বাংলাদেশের জাতীয় ইতিহাসের অংশ এবং এর গৌরব কোনো একক রাজনৈতিক দল বা গোষ্ঠীর সম্পত্তি নয়। রাজনৈতিক মতাদর্শের ভিন্নতা থাকলেও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, স্বাধীনতার ঐতিহাসিক দলিল এবং বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মর্যাদা রক্ষায় জাতীয় ঐকমত্য গড়ে তোলা প্রয়োজন।

তাঁরা বলেন, ‘৭১-এর বীর মুক্তিযোদ্ধা সমন্বয় পরিষদ’ কোনো রাজনৈতিক দলের পক্ষে বা বিপক্ষে অবস্থান না নিয়ে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র, দেশের সার্বভৌমত্ব, স্বাধীনতা, মুক্তিযুদ্ধের মূল্যবোধ ও আদর্শের অস্তিত্ব রক্ষায় কাজ করবে।

একই সঙ্গে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিত করা, তাঁদের অভিযোগের বিষয়ে প্রশাসনিকভাবে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া এবং মুক্তিযুদ্ধের ঐতিহাসিক স্মৃতি ও দলিল সংরক্ষণে রাষ্ট্রের আরও সক্রিয় ভূমিকার দাবি জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনের মধ্য দিয়ে সংগঠনটি তাদের ঘোষিত ছয় দফা দাবি বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে এবং মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মর্যাদা রক্ষায় দেশবাসীর সহযোগিতা কামনা করে।