, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

পরপারে ভালো থাকুন বাংলার এই সূর্যসন্তানরা..

  • প্রকাশের সময় : ০৯:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২৪ পড়া হয়েছে

অনলাইন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

পরপারে ভালো থাকুন বাংলার এই সূর্যসন্তানরা…
একটি ছবিতে বাংলাদেশের রাজনীতির ভিন্ন ভিন্ন ধারার পাঁচজন প্রভাবশালী মানুষ। আজ তাঁরা কেউই আমাদের মাঝে নেই, কিন্তু বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতি, সংসদ, সরকার ও রাষ্ট্র পরিচালনার ইতিহাসে তাঁদের প্রত্যেকেরই আলাদা একটি অধ্যায় রয়েছে।
ছবির বাঁ দিক থেকে মরহুম আব্দুল মান্নান ভূঁইয়া। বিএনপির সাবেক মহাসচিব। দীর্ঘদিন দলটির সাংগঠনিক নেতৃত্বে থাকার পাশাপাশি তিনি মন্ত্রী হিসেবে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেন।
এরপর মরহুম এম. কে. আনোয়ার। সাবেক আমলা, পাঁচবারের সংসদ সদস্য এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য। তিনি শিল্প ও কৃষিমন্ত্রীসহ সরকারের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন।
মাঝে মরহুম হুমায়ূন রশীদ চৌধুরী। বাংলাদেশের কূটনৈতিক অঙ্গনের এক উজ্জ্বল নাম। তিনি পররাষ্ট্র মন্ত্রী, বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার এবং জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৪১তম অধিবেশনের সভাপতি ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় দিল্লিতে বাংলাদেশের পক্ষে কূটনৈতিক তৎপরতায়ও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
এরপর মরহুম এম. সাইফুর রহমান। অর্থনীতিবিদ, চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট ও বিএনপির অন্যতম শীর্ষ নেতা। তিনি বাংলাদেশের দীর্ঘতম সময় দায়িত্ব পালনকারী অর্থমন্ত্রীদের একজন এবং বিভিন্ন মেয়াদে ১২টি জাতীয় বাজেট উপস্থাপন করেন। অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি দেশের অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারণে তাঁর দীর্ঘ প্রভাব ছিল।
আর ডান পাশে প্রয়াত সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত। বৃহত্তর সিলেটের দিরাইয়ের সন্তান, আইনজীবী, সংসদ সদস্য ও জাতীয় রাজনীতির অন্যতম পরিচিত বক্তা। তিনি স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নের প্রথম কমিটির সদস্য ছিলেন এবং পরবর্তী সময়ে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। রেলমন্ত্রীসহ সরকারের বিভিন্ন দায়িত্বও পালন করেন।
রাজনৈতিক মতাদর্শে তাঁরা এক ছিলেন না। তাঁদের দলও ছিল ভিন্ন। কিন্তু একটি জায়গায় তাঁদের মিল ছিল, তাঁরা প্রত্যেকেই নিজ নিজ সময়ে বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিলেন এবং রাষ্ট্রের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে দায়িত্ব পালন করেছেন।
সময়ের স্রোতে মানুষ চলে যায়, পদ-পদবি হারিয়ে যায়, রাজনৈতিক সমীকরণ বদলে যায়। কিন্তু ইতিহাসে কিছু মানুষ থেকে যান তাঁদের কর্ম, বিতর্ক, সিদ্ধান্ত, সাফল্য ও সীমাবদ্ধতা নিয়ে।
এই ছবিটি তাই শুধু নস্টালজিয়া নয়। এটি বাংলাদেশের রাজনীতির একটি হারিয়ে যাওয়া অধ্যায়ের দৃশ্যমান দলিল।
ছবি- সংগ্রহ

মুজাহিদ সর্দার তালহা’s Post

মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।

জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

পরপারে ভালো থাকুন বাংলার এই সূর্যসন্তানরা..

প্রকাশের সময় : ০৯:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

অনলাইন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

পরপারে ভালো থাকুন বাংলার এই সূর্যসন্তানরা…
একটি ছবিতে বাংলাদেশের রাজনীতির ভিন্ন ভিন্ন ধারার পাঁচজন প্রভাবশালী মানুষ। আজ তাঁরা কেউই আমাদের মাঝে নেই, কিন্তু বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতি, সংসদ, সরকার ও রাষ্ট্র পরিচালনার ইতিহাসে তাঁদের প্রত্যেকেরই আলাদা একটি অধ্যায় রয়েছে।
ছবির বাঁ দিক থেকে মরহুম আব্দুল মান্নান ভূঁইয়া। বিএনপির সাবেক মহাসচিব। দীর্ঘদিন দলটির সাংগঠনিক নেতৃত্বে থাকার পাশাপাশি তিনি মন্ত্রী হিসেবে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেন।
এরপর মরহুম এম. কে. আনোয়ার। সাবেক আমলা, পাঁচবারের সংসদ সদস্য এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য। তিনি শিল্প ও কৃষিমন্ত্রীসহ সরকারের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন।
মাঝে মরহুম হুমায়ূন রশীদ চৌধুরী। বাংলাদেশের কূটনৈতিক অঙ্গনের এক উজ্জ্বল নাম। তিনি পররাষ্ট্র মন্ত্রী, বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার এবং জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৪১তম অধিবেশনের সভাপতি ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় দিল্লিতে বাংলাদেশের পক্ষে কূটনৈতিক তৎপরতায়ও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
এরপর মরহুম এম. সাইফুর রহমান। অর্থনীতিবিদ, চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট ও বিএনপির অন্যতম শীর্ষ নেতা। তিনি বাংলাদেশের দীর্ঘতম সময় দায়িত্ব পালনকারী অর্থমন্ত্রীদের একজন এবং বিভিন্ন মেয়াদে ১২টি জাতীয় বাজেট উপস্থাপন করেন। অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি দেশের অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারণে তাঁর দীর্ঘ প্রভাব ছিল।
আর ডান পাশে প্রয়াত সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত। বৃহত্তর সিলেটের দিরাইয়ের সন্তান, আইনজীবী, সংসদ সদস্য ও জাতীয় রাজনীতির অন্যতম পরিচিত বক্তা। তিনি স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নের প্রথম কমিটির সদস্য ছিলেন এবং পরবর্তী সময়ে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। রেলমন্ত্রীসহ সরকারের বিভিন্ন দায়িত্বও পালন করেন।
রাজনৈতিক মতাদর্শে তাঁরা এক ছিলেন না। তাঁদের দলও ছিল ভিন্ন। কিন্তু একটি জায়গায় তাঁদের মিল ছিল, তাঁরা প্রত্যেকেই নিজ নিজ সময়ে বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিলেন এবং রাষ্ট্রের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে দায়িত্ব পালন করেছেন।
সময়ের স্রোতে মানুষ চলে যায়, পদ-পদবি হারিয়ে যায়, রাজনৈতিক সমীকরণ বদলে যায়। কিন্তু ইতিহাসে কিছু মানুষ থেকে যান তাঁদের কর্ম, বিতর্ক, সিদ্ধান্ত, সাফল্য ও সীমাবদ্ধতা নিয়ে।
এই ছবিটি তাই শুধু নস্টালজিয়া নয়। এটি বাংলাদেশের রাজনীতির একটি হারিয়ে যাওয়া অধ্যায়ের দৃশ্যমান দলিল।
ছবি- সংগ্রহ

মুজাহিদ সর্দার তালহা’s Post

মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।