, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

হাতকড়া পরে মায়ের জানাজায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতা, বললেন ‘ক্ষমাও চাইতে পারিনি’ 

  • প্রকাশের সময় : ১১:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬
  • ১৮ পড়া হয়েছে

অনলাইন শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৫টায় সদর উপজেলার লাহিড়িপাড়া ইউনিয়নের ভবানীগঞ্জ জাহানাবাদ গ্রামে এ জানাজা
অনুষ্ঠিত হয়। মায়ের মৃত্যুর পর তাকে প্যারোলে মুক্তি দেওয়া হলে তিনি হাতকড়া পরে পুলিশি পাহারায় জানাজায় অংশ নেন।

জানাজার আগে মাশরাফি হিরো বলেন, ‘আমি জানি না আমার মা কখন মারা গেছেন। আমি হয়তো তাকে দেখতে পারলাম, কিন্তু তিনি তো আমাকে দেখত পারলেন না। সন্তান মাকে না ভালোবাসলেও মা কিন্তু সন্তানকে ঠিকই ভালোবাসে।’

তিনি বলেন, ‘আমি আমার দায়িত্ব হয়তো সঠিকভাবে পালন করতে পারিনি। এজন্য আমি আমার মার কাছে ক্ষমাও চাইতে পারলাম না। আমার মা অনেক দিন আগে থেকেই বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত ছিলেন। ওষুধ আর হাসপাতাল করতে করতে তার জীবনটা শেষ হয়ে গেছে। খুব কষ্টের জীবন তিনি পার করেছেন।’

জানাজা শেষে তাকে পুনরায় কারাগারে নেয়া হয় বলে জানান বগুড়া জেলা কারাগারের সুপার আসাদুর রহমান।

 

জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

হাতকড়া পরে মায়ের জানাজায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতা, বললেন ‘ক্ষমাও চাইতে পারিনি’ 

প্রকাশের সময় : ১১:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬

অনলাইন শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৫টায় সদর উপজেলার লাহিড়িপাড়া ইউনিয়নের ভবানীগঞ্জ জাহানাবাদ গ্রামে এ জানাজা
অনুষ্ঠিত হয়। মায়ের মৃত্যুর পর তাকে প্যারোলে মুক্তি দেওয়া হলে তিনি হাতকড়া পরে পুলিশি পাহারায় জানাজায় অংশ নেন।

জানাজার আগে মাশরাফি হিরো বলেন, ‘আমি জানি না আমার মা কখন মারা গেছেন। আমি হয়তো তাকে দেখতে পারলাম, কিন্তু তিনি তো আমাকে দেখত পারলেন না। সন্তান মাকে না ভালোবাসলেও মা কিন্তু সন্তানকে ঠিকই ভালোবাসে।’

তিনি বলেন, ‘আমি আমার দায়িত্ব হয়তো সঠিকভাবে পালন করতে পারিনি। এজন্য আমি আমার মার কাছে ক্ষমাও চাইতে পারলাম না। আমার মা অনেক দিন আগে থেকেই বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত ছিলেন। ওষুধ আর হাসপাতাল করতে করতে তার জীবনটা শেষ হয়ে গেছে। খুব কষ্টের জীবন তিনি পার করেছেন।’

জানাজা শেষে তাকে পুনরায় কারাগারে নেয়া হয় বলে জানান বগুড়া জেলা কারাগারের সুপার আসাদুর রহমান।