প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে গতকাল জানানো হয়, এ অর্থ স্থানীয় শিক্ষা, কর্মদক্ষতা প্রশিক্ষণ, সাশ্রয়ী বিদ্যুৎ এবং পানি ও জ্বালানি সংরক্ষণে ব্যয় করা হবে। মূলত ডেটা সেন্টারের কারণে স্থানীয়ভাবে বিদ্যুৎ ও পানির ব্যবহার বাড়ায় যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে, তা মোকাবেলায় এ পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।
অ্যামাজন জানিয়েছে, ২০১১-২৫ সালের মধ্যে ডেটা সেন্টারে ২৭ হাজার ৬০০ কোটি ডলার বিনিয়োগ করেছে তারা। ২০৩০ সালের মধ্যে ডেটা সেন্টারগুলোয় যত পানি ব্যবহার হবে, তার চেয়ে বেশি পানি পরিবেশে ফিরিয়ে দেয়ার লক্ষ্য নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। খবর রয়টার্স






















