, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

শেখ হাসিনার পদত্যাগ প্রসঙ্গঃআবার আলোচনায়

  • প্রকাশের সময় : ০৯:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬
  • ১৩ পড়া হয়েছে

‎অনলাইন মঙ্গলবার ০৬ অক্টোবর ২০২৬

লোচনায় আবার কেন পদত্যাগ প্রসঙ্গঃ ফিরে আসছে। যদি ২০২৪ এর ৫ই আগস্ট থেকে সব ঘটনা কে স্বাভাবিক নিয়মে দাঁড় করানো যায় তাহলে শেখ হাসিনার পদত্যাগ পত্র প্রসঙ্গটি অবশ্যই আসে ।
এবার আসি, কেন এই প্রসঙ্গ আবার সামনে আসছে। গতকাল ভারতের রাষ্ট্রদূত দিনেশ ত্রিবেদী সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সম্পর্কে ভারতের অবস্থান কিছুটা পরিষ্কার করলেন। অর্থাৎ তিনি বুঝতে চাইলে – সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যখন দেশ ত্যাগ করেন তখন ভারত তাকে এসে নিয়ে যায়নি বরং বাংলাদেশের পরিস্থিতি তখন এমন ছিল যে, তখনকার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জীবন নাশের শঙ্কা ছিল। তাই প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তার কথা ভেবে বাংলাদেশের সেনা ,সেনাবাহিনীর বিমানে করে ভারতে নিরাপদে রেখে আসে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলে খুব অল্প সময়ের মধ্যে দেশে আবার ফিরিয়ে আনবে। ভারত সেই মোতাবেক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় রেখেছে।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘটনাটি এখানে এসেই সব পাল্টে যায়। ৫ই আগস্ট বিকেল তিনটার পর থেকে প্রধানমন্ত্রী থেকে ফ্যাসিস্ট হয়ে যায়। তারপর দলটি নিষিদ্ধ সংগঠনে পরিণত হয়। এমন কি দলীয় প্রধান শেখ হাসিনার ফাঁসির রায় হয়।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক জল অনেক দূর গড়িয়েছে। পার হয়ে গিয়েছে দুই বছরেরও বেশি সময়।
শেখ হাসিনা বিরোধীরা ধরে রাখতে পারছেনা ৫ই আগস্টের তাঁদের নিয়ন্ত্রণের সময় গুলো। সেখানে যদি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৫ই আগস্টের পরবর্তী সময় গুলো তার মতো করে ফিরে চায় বা সেই পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে তাহলে পদত্যাগ পত্র বিষয় টি অবশ্যই সামনে আসবে।
রাজনীতিতে কোন কিছুই অসম্ভব নয়। ঠিক সময় মতো ঠিক চালটি খেললেই হলো। সময় যে ভাবে গড়াচ্ছে তাতে রাজনৈতিক প্রতিকূল পরিবেশ শেখ হাসিনার দিকেই ধাবিত হচ্ছে। যদি তাই হয় তবে, এই “পদত্যাগ পত্র” ইস্যু সামনে বড়ো ইস্যু হয়ে দাঁড়াবে। এই একটি ইস্যু সাবেক থেকে বর্তমানে আনতে পারে শেখ হাসিনা কে।শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী পথ থেকে পদত্যাগ করেননি যেটা রাষ্ট্রপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদ চপ্পু ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দুজনেই বলেছেন।
তাই বর্তমানে তিনি সাবেক নয় বর্তমানে তিনি বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ২০২৮ সাল পর্যন্ত নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী।
\

Shahidullah Osmani’s Post

মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।

জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

শেখ হাসিনার পদত্যাগ প্রসঙ্গঃআবার আলোচনায়

প্রকাশের সময় : ০৯:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬

‎অনলাইন মঙ্গলবার ০৬ অক্টোবর ২০২৬

লোচনায় আবার কেন পদত্যাগ প্রসঙ্গঃ ফিরে আসছে। যদি ২০২৪ এর ৫ই আগস্ট থেকে সব ঘটনা কে স্বাভাবিক নিয়মে দাঁড় করানো যায় তাহলে শেখ হাসিনার পদত্যাগ পত্র প্রসঙ্গটি অবশ্যই আসে ।
এবার আসি, কেন এই প্রসঙ্গ আবার সামনে আসছে। গতকাল ভারতের রাষ্ট্রদূত দিনেশ ত্রিবেদী সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সম্পর্কে ভারতের অবস্থান কিছুটা পরিষ্কার করলেন। অর্থাৎ তিনি বুঝতে চাইলে – সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যখন দেশ ত্যাগ করেন তখন ভারত তাকে এসে নিয়ে যায়নি বরং বাংলাদেশের পরিস্থিতি তখন এমন ছিল যে, তখনকার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জীবন নাশের শঙ্কা ছিল। তাই প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তার কথা ভেবে বাংলাদেশের সেনা ,সেনাবাহিনীর বিমানে করে ভারতে নিরাপদে রেখে আসে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলে খুব অল্প সময়ের মধ্যে দেশে আবার ফিরিয়ে আনবে। ভারত সেই মোতাবেক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় রেখেছে।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘটনাটি এখানে এসেই সব পাল্টে যায়। ৫ই আগস্ট বিকেল তিনটার পর থেকে প্রধানমন্ত্রী থেকে ফ্যাসিস্ট হয়ে যায়। তারপর দলটি নিষিদ্ধ সংগঠনে পরিণত হয়। এমন কি দলীয় প্রধান শেখ হাসিনার ফাঁসির রায় হয়।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক জল অনেক দূর গড়িয়েছে। পার হয়ে গিয়েছে দুই বছরেরও বেশি সময়।
শেখ হাসিনা বিরোধীরা ধরে রাখতে পারছেনা ৫ই আগস্টের তাঁদের নিয়ন্ত্রণের সময় গুলো। সেখানে যদি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৫ই আগস্টের পরবর্তী সময় গুলো তার মতো করে ফিরে চায় বা সেই পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে তাহলে পদত্যাগ পত্র বিষয় টি অবশ্যই সামনে আসবে।
রাজনীতিতে কোন কিছুই অসম্ভব নয়। ঠিক সময় মতো ঠিক চালটি খেললেই হলো। সময় যে ভাবে গড়াচ্ছে তাতে রাজনৈতিক প্রতিকূল পরিবেশ শেখ হাসিনার দিকেই ধাবিত হচ্ছে। যদি তাই হয় তবে, এই “পদত্যাগ পত্র” ইস্যু সামনে বড়ো ইস্যু হয়ে দাঁড়াবে। এই একটি ইস্যু সাবেক থেকে বর্তমানে আনতে পারে শেখ হাসিনা কে।শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী পথ থেকে পদত্যাগ করেননি যেটা রাষ্ট্রপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদ চপ্পু ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দুজনেই বলেছেন।
তাই বর্তমানে তিনি সাবেক নয় বর্তমানে তিনি বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ২০২৮ সাল পর্যন্ত নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী।
\

Shahidullah Osmani’s Post

মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।