, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

শেখ হাসিনার পূর্ণ নিরাপত্তাসহ দেশে প্রত্যাবর্তনেররোডম্যাপ চূড়ান্ত হয়েছে

  • প্রকাশের সময় : ০৭:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬
  • ৩ পড়া হয়েছে
অনলাইন বৃহস্পতিবার ০৮ অক্টোবর ২০২৬
দিল্লিতে হাইকমিশনার ত্রিবেদীর আকস্মিক ছুট, তারেক রহমানের বিশেষ বার্তা নিয়ে মোদীর সঙ্গে বৈঠকের গুঞ্জন
কূটনৈতিক প্রতিবেদক | ঢাকা, ৬ অক্টোবর | Amader Khobor
বাংলাদেশের রাজনীতিতে বড় পটপরিবর্তনের আভাস। সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পূর্ণ নিরাপত্তাসহ দেশে প্রত্যাবর্তনের রোডম্যাপ চূড়ান্ত হয়েছে বলে প্রশাসনের অত্যন্ত প্রভাবশালী একাধিক সূত্র দাবি করেছে।
সূত্রগুলো জানিয়েছে, দীর্ঘ কয়েক মাসের গোপন আলোচনার পর বাংলাদেশ ও ভারতের ক্ষমতাধর মহলের মধ্যে এই সমঝোতা হয়েছে। নিরাপত্তার ছক এবং কোন মর্যাদায় তিনি ফিরবেন, তা চূড়ান্ত হলেও ফেরার তারিখ এখনো আলোচনাধীন।
হাসিনাকে ভারতীয় বিমান বাহিনী নিয়ে আসেনি। কোন দেশের বিমান তাঁকে নিয়ে গিয়েছিল? ৫ আগস্ট ২০২৪-এর ঘটনা সম্পর্কে ওয়াকিবহাল একজন কর্মকর্তা এমন মন্তব্য করে ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, সেদিন বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর একটি সি-১৩০জে বিমানেই তিনি দিল্লি গিয়েছিলেন। ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদীও দুই দিন আগে এক সেমিনারে বলেন, “যখন তিনি ভারতে যান, তখনও তিনি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।
সূত্রের দাবি, তার প্রত্যাবর্তনের পূর্ণ নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।
কূটনৈতিক ও সামরিক সূত্রগুলো বলছে, হাসিনার প্রত্যাবর্তনের আগে বিএনপি-আওয়ামী লীগের মধ্যে সমঝোতা প্রতিষ্ঠাকেই এখন প্রধান লক্ষ্য হিসেবে দেখা হচ্ছে। রাষ্ট্রের নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ে, বিশেষ করে জ্যেষ্ঠ সামরিক নেতৃত্বের মধ্যে এই ধারণা জোরালো হয়েছে যে, দুই প্রধান দলের সমঝোতা ছাড়া দেশে অন্তর্ভুক্তিমূলক স্থিতিশীলতা সম্ভব নয়।
সূত্রের মতে, সমঝোতা ব্যর্থ হলে দেশে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সামরিক হস্তক্ষেপের ঝুঁকি বাড়তে পারে।
এই প্রেক্ষাপটেই ৫ অক্টোবর সন্ধ্যায় ভারতীয় হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদীর আকস্মিক দিল্লি সফর অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানিয়েছে, তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে বৈঠক করবেন এবং তার সঙ্গে রয়েছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের একটি।
জানা গেছে, তারেক রহমানের বহুল আলোচিত ভারত সফর নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আলোচনা চললেও শেখ হাসিনার দিল্লিতে অবস্থানের কারণে তা আটকে ছিল। তবে এবার ঢাকা কোনো “শর্ত ছাড়াই” সফরে আগ্রহী।
অপরদিকে, নির্ভরযোগ্য সামরিক সূত্র দাবি করেছে, পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানসহ সরকারের একটি অংশ সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানকে অপসারণের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জেনারেল জামানকে কমফোর্টেবল মনে করেন এবং সেনাবাহিনীর ওপর তার পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ রয়েছে বলে সূত্রটি দাবি করেছে।
তবে ভারত এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তনকে আদালতের আইনি প্রক্রিয়ার বিষয় হিসেবে বর্ণনা করছে।

SK Tutul’s Post

মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।

জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

শেখ হাসিনার পূর্ণ নিরাপত্তাসহ দেশে প্রত্যাবর্তনেররোডম্যাপ চূড়ান্ত হয়েছে

প্রকাশের সময় : ০৭:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬
অনলাইন বৃহস্পতিবার ০৮ অক্টোবর ২০২৬
দিল্লিতে হাইকমিশনার ত্রিবেদীর আকস্মিক ছুট, তারেক রহমানের বিশেষ বার্তা নিয়ে মোদীর সঙ্গে বৈঠকের গুঞ্জন
কূটনৈতিক প্রতিবেদক | ঢাকা, ৬ অক্টোবর | Amader Khobor
বাংলাদেশের রাজনীতিতে বড় পটপরিবর্তনের আভাস। সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পূর্ণ নিরাপত্তাসহ দেশে প্রত্যাবর্তনের রোডম্যাপ চূড়ান্ত হয়েছে বলে প্রশাসনের অত্যন্ত প্রভাবশালী একাধিক সূত্র দাবি করেছে।
সূত্রগুলো জানিয়েছে, দীর্ঘ কয়েক মাসের গোপন আলোচনার পর বাংলাদেশ ও ভারতের ক্ষমতাধর মহলের মধ্যে এই সমঝোতা হয়েছে। নিরাপত্তার ছক এবং কোন মর্যাদায় তিনি ফিরবেন, তা চূড়ান্ত হলেও ফেরার তারিখ এখনো আলোচনাধীন।
হাসিনাকে ভারতীয় বিমান বাহিনী নিয়ে আসেনি। কোন দেশের বিমান তাঁকে নিয়ে গিয়েছিল? ৫ আগস্ট ২০২৪-এর ঘটনা সম্পর্কে ওয়াকিবহাল একজন কর্মকর্তা এমন মন্তব্য করে ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, সেদিন বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর একটি সি-১৩০জে বিমানেই তিনি দিল্লি গিয়েছিলেন। ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদীও দুই দিন আগে এক সেমিনারে বলেন, “যখন তিনি ভারতে যান, তখনও তিনি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।
সূত্রের দাবি, তার প্রত্যাবর্তনের পূর্ণ নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।
কূটনৈতিক ও সামরিক সূত্রগুলো বলছে, হাসিনার প্রত্যাবর্তনের আগে বিএনপি-আওয়ামী লীগের মধ্যে সমঝোতা প্রতিষ্ঠাকেই এখন প্রধান লক্ষ্য হিসেবে দেখা হচ্ছে। রাষ্ট্রের নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ে, বিশেষ করে জ্যেষ্ঠ সামরিক নেতৃত্বের মধ্যে এই ধারণা জোরালো হয়েছে যে, দুই প্রধান দলের সমঝোতা ছাড়া দেশে অন্তর্ভুক্তিমূলক স্থিতিশীলতা সম্ভব নয়।
সূত্রের মতে, সমঝোতা ব্যর্থ হলে দেশে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সামরিক হস্তক্ষেপের ঝুঁকি বাড়তে পারে।
এই প্রেক্ষাপটেই ৫ অক্টোবর সন্ধ্যায় ভারতীয় হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদীর আকস্মিক দিল্লি সফর অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানিয়েছে, তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে বৈঠক করবেন এবং তার সঙ্গে রয়েছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের একটি।
জানা গেছে, তারেক রহমানের বহুল আলোচিত ভারত সফর নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আলোচনা চললেও শেখ হাসিনার দিল্লিতে অবস্থানের কারণে তা আটকে ছিল। তবে এবার ঢাকা কোনো “শর্ত ছাড়াই” সফরে আগ্রহী।
অপরদিকে, নির্ভরযোগ্য সামরিক সূত্র দাবি করেছে, পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানসহ সরকারের একটি অংশ সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানকে অপসারণের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জেনারেল জামানকে কমফোর্টেবল মনে করেন এবং সেনাবাহিনীর ওপর তার পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ রয়েছে বলে সূত্রটি দাবি করেছে।
তবে ভারত এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তনকে আদালতের আইনি প্রক্রিয়ার বিষয় হিসেবে বর্ণনা করছে।

SK Tutul’s Post

মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।