
অনলাইন বৃহস্পতিবার ০৮ অক্টোবর ২০২৬
ডিসেম্বর নিয়ে বিএনপির এত উত্তেজনা কেন?
আর এনসিপির ‘নীরবতা’ই বা এত রহস্যময় কেন?
একটা বিষয় কিন্তু চোখে পড়ার মতো—ডিসেম্বর নিয়ে সালাউদ্দিন, সাবেক ক’ষা জাহেদসহ বিএনপির নেতারা যতটা উত্তেজিত, এনসিপির হাসনাত–সার্জিস–নাহিদদের যেন ততটাই নীরবতা!
কথা বলছি সেই হাসনাত, সার্জিস ও নাহিদদের কথা—যারা একসময় কথার ফুলঝুরি আর চিৎকারে চারপাশ গরম করে রাখত। এখন যেন হঠাৎ করেই সাউন্ড সিস্টেম বন্ধ!
কারণটা কি খুব কঠিন?
সম্ভবত তারা বুঝে গেছে—
চিৎকার করে আর মার্কেট পাওয়া যাবে না।
সামনে সময় খুব বেশি নেই।
পরিস্থিতি কোন দিকে যাচ্ছে, সেটাও তারা বুঝতে শুরু করেছে।
আর শেখ হাসিনা ডিসেম্বর মাসে দেশে ফেরার কথা বলেছেন—তাঁর সমর্থকদের কাছে সেই প্রত্যাবর্তনের প্রত্যাশা এখনো অটুট।
তাই বিএনপি যদি পারে—আওয়ামী লীগকে ঠেকাক।
না পারলে সেটা তাদের ব্যাপার।
কিন্তু অযথা এত চিৎকার-চেঁচামেচি করে লাভটা কী?
কারণ রাজনীতিতে শেষ কথা বলে জনগণ—কোনো দলের হুঙ্কার নয়।
আর যারা আজ অনেক বড় বড় কথা বলছে, তাদেরও নিজেদের সামর্থ্য ও রাজনৈতিক বাস্তবতা সম্পর্কে ধারণা আছে। তাই হয়তো প্রকাশ্যে যতটা নয়, আড়ালে-আবডালে ততটাই হিসাব-নিকাশ চলছে। 
সময় কিন্তু থেমে নেই।
যে যার মতো করে নিজের রাজনৈতিক আখের গোছানোর চেষ্টা করছে—কারও মুখে বেশি শব্দ, কারও কৌশল নীরব।
কিন্তু একটা কথা মনে রাখা দরকার—
শেখ হাসিনাকে নিয়ে যতই ষড়যন্ত্র, বাধা কিংবা হুঙ্কার দেওয়া হোক—তাঁকে ভালোবাসা কোটি মানুষের রাজনৈতিক শক্তিকে চিৎকার করে মুছে ফেলা যায় না।
শেখ হাসিনা মানেই বাংলাদেশের রাজনীতির এক অনিবার্য বাস্তবতা।
কে থাকবে, কে থাকবে না—সেটার সিদ্ধান্ত ফেসবুকের স্ট্যাটাসে নয়, সময় ও জনগণই দেবে।
তাই এত বে’হুদা চি’ল্লাচিল্লি না করে বাস্তবতাটা বুঝুন।
ডিসেম্বর আসুক—তারপর দেখা যাবে, কার কতটা সামর্থ্য আর কার কতটা রাজনৈতিক ভিত্তি!
Din Mohammad’s Post
মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।





















