, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

·যে বাহিনীকে নিয়ে গৌরব করার মতো কোন অধ্যায় নেই।

  • প্রকাশের সময় : ০৩:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
  • ৫ পড়া হয়েছে

অনলাইন শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬

যে বাহিনীকে নিয়ে বাংলাদেশের মানুষ বরাবরই অহংকার করতো। অথচ ইতিহাস ঘেটে দেখেছি তাদেরকে নিয়ে গৌরব করার মতো কোন অধ্যায় নেই।
তারা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে স্বপরিবারে নির্মমভাবে হত্যা করেছে, জাতীয় চার নেতাকে বেয়োনেট দিয়ে খুঁচিয়ে ও গুলি করে নির্মমভাবে হত্যা করেছে ও প্রেসিডেন্ট মেজর জিয়াউর রহমানকেও। তাছাড়া অসংখ্য ক্যু করে নিজেদের সহকর্মীদেরকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে। অথচ রাষ্ট্রীয় বাজেটের বড়ো একটি অংশ তাদের পেছনে ব্যয় করা হয়। প্রতিবছরের ন্যায় ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার জাতীয় বাজেটে প্রতিরক্ষা খাতের জন্য মোট ৪২,২৯১ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব রাখা হয়েছে।
পাঠক বৃন্দ,,,
বিশ্বাস করেন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার পর তাদেরকে নিয়ে প্রশংসা করার মতো সত্যিই কিছু নেই। ২০২৪ এর ৫ আগষ্ট পরবর্তী যারা নিজেদের দেশ তথা বাংলাদেশের শান্তি রক্ষার সক্ষমতাই রাখতে পারেনি, তারা আবার জাতিসংঘ নামের শান্তি মিশনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য ঘটাং ঘটাং করতে যায়।
আসলে ‘শান্তি মিশন’ মূলত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অর্থ উপার্জনের একটি লোভী মাধ্যম ছাড়া আর কিছুই নয়। ইহুদীবাদী শয়তানবাদী পশ্চিমাদের পদলেহন করাই এদের সর্বোচ্চ প্রার্থনা।
তাদের মধ্যে দেশপ্রেমের লক্ষণ খুঁজে পাওয়া যায় না। যতদিন পর্যন্ত তাদের মধ্যে দেশপ্রেম পরিলক্ষিত না হয় ততোদিন পর্যন্ত তাদের প্রতি ঘৃণা,,,,,,
> সৈয়দ বোরহান কবিরও তাদের প্রতি দেশের মানুষের অনুভূতির তীব্র ঘৃণাটি উপস্থাপন করেছেন।

Azizul Kaisar’s Post

মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।

জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

·যে বাহিনীকে নিয়ে গৌরব করার মতো কোন অধ্যায় নেই।

প্রকাশের সময় : ০৩:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬

অনলাইন শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬

যে বাহিনীকে নিয়ে বাংলাদেশের মানুষ বরাবরই অহংকার করতো। অথচ ইতিহাস ঘেটে দেখেছি তাদেরকে নিয়ে গৌরব করার মতো কোন অধ্যায় নেই।
তারা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে স্বপরিবারে নির্মমভাবে হত্যা করেছে, জাতীয় চার নেতাকে বেয়োনেট দিয়ে খুঁচিয়ে ও গুলি করে নির্মমভাবে হত্যা করেছে ও প্রেসিডেন্ট মেজর জিয়াউর রহমানকেও। তাছাড়া অসংখ্য ক্যু করে নিজেদের সহকর্মীদেরকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে। অথচ রাষ্ট্রীয় বাজেটের বড়ো একটি অংশ তাদের পেছনে ব্যয় করা হয়। প্রতিবছরের ন্যায় ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার জাতীয় বাজেটে প্রতিরক্ষা খাতের জন্য মোট ৪২,২৯১ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব রাখা হয়েছে।
পাঠক বৃন্দ,,,
বিশ্বাস করেন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার পর তাদেরকে নিয়ে প্রশংসা করার মতো সত্যিই কিছু নেই। ২০২৪ এর ৫ আগষ্ট পরবর্তী যারা নিজেদের দেশ তথা বাংলাদেশের শান্তি রক্ষার সক্ষমতাই রাখতে পারেনি, তারা আবার জাতিসংঘ নামের শান্তি মিশনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য ঘটাং ঘটাং করতে যায়।
আসলে ‘শান্তি মিশন’ মূলত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অর্থ উপার্জনের একটি লোভী মাধ্যম ছাড়া আর কিছুই নয়। ইহুদীবাদী শয়তানবাদী পশ্চিমাদের পদলেহন করাই এদের সর্বোচ্চ প্রার্থনা।
তাদের মধ্যে দেশপ্রেমের লক্ষণ খুঁজে পাওয়া যায় না। যতদিন পর্যন্ত তাদের মধ্যে দেশপ্রেম পরিলক্ষিত না হয় ততোদিন পর্যন্ত তাদের প্রতি ঘৃণা,,,,,,
> সৈয়দ বোরহান কবিরও তাদের প্রতি দেশের মানুষের অনুভূতির তীব্র ঘৃণাটি উপস্থাপন করেছেন।

Azizul Kaisar’s Post

মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।