, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

কমিশনার হারুন ও বিপ্লব কুমারের বিরুদ্ধেজয়নুল আবদিন ফারুক মামলা দায়ের করেন।

  • প্রকাশের সময় : ১১:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
  • ৬ পড়া হয়েছে

অনলাইন শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬

বিপ্লব সরকার তুমি কোথায় হারালে আস। জয়নুল আবদিনরা আমৃত্যু থাকবে তোমাদের মতো পাচাটা কুত্তারা অপকর্ম করে পালিয়ে বেড়াবে। তোমার গোস্ত কেটে কেটে কুকুর কে খাওয়ানো হবে।
“২০১১ সালের ৬ই জুলাইর ঘটনা” তৎকালীন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ জয়নুল আবদিন ফারুকের নেতৃত্বে বিএনপির সংসদ সদস্যরা সংসদ ভবনের সামনে থেকে একটি মিছিল বের করার চেষ্টা করলে পুলিশ তাতে বাধা দেয়। সেখানে উপস্থিত তৎকালীন সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) হারুন অর রশীদ এবং তেজগাঁও জোনের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) বিপ্লব কুমার সরকারের সঙ্গে তাঁর প্রথমে কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে পুলিশ সদস্যরা তাঁর ওপর চড়াও হন এবং লাঠিপেটা করেন।
পুলিশের এই নির্মম হামলায় জয়নুল আবদিন ফারুকের মাথা ফেটে যায় এবং তিনি গুরুতর আহত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরবর্তীতে তাঁকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। গণমাধ্যমে তাঁর ওপর হামলার ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে তীব্র সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
ঘটনাটি ঘটার দীর্ঘ ১৩ বছর পর, ২০২৪ সালের ১৯ আগস্ট, জয়নুল আবদিন ফারুক বাদী হয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক অতিরিক্ত কমিশনার হারুন অর রশীদ এবং সাবেক যুগ্ম কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকারের বিরুদ্ধে রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় একটি হত্যাচেষ্টা মামলা দায়ের করেন।

Hedayetul Khondaker’s Post

মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।

জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

কমিশনার হারুন ও বিপ্লব কুমারের বিরুদ্ধেজয়নুল আবদিন ফারুক মামলা দায়ের করেন।

প্রকাশের সময় : ১১:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬

অনলাইন শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬

বিপ্লব সরকার তুমি কোথায় হারালে আস। জয়নুল আবদিনরা আমৃত্যু থাকবে তোমাদের মতো পাচাটা কুত্তারা অপকর্ম করে পালিয়ে বেড়াবে। তোমার গোস্ত কেটে কেটে কুকুর কে খাওয়ানো হবে।
“২০১১ সালের ৬ই জুলাইর ঘটনা” তৎকালীন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ জয়নুল আবদিন ফারুকের নেতৃত্বে বিএনপির সংসদ সদস্যরা সংসদ ভবনের সামনে থেকে একটি মিছিল বের করার চেষ্টা করলে পুলিশ তাতে বাধা দেয়। সেখানে উপস্থিত তৎকালীন সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) হারুন অর রশীদ এবং তেজগাঁও জোনের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) বিপ্লব কুমার সরকারের সঙ্গে তাঁর প্রথমে কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে পুলিশ সদস্যরা তাঁর ওপর চড়াও হন এবং লাঠিপেটা করেন।
পুলিশের এই নির্মম হামলায় জয়নুল আবদিন ফারুকের মাথা ফেটে যায় এবং তিনি গুরুতর আহত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরবর্তীতে তাঁকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। গণমাধ্যমে তাঁর ওপর হামলার ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে তীব্র সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
ঘটনাটি ঘটার দীর্ঘ ১৩ বছর পর, ২০২৪ সালের ১৯ আগস্ট, জয়নুল আবদিন ফারুক বাদী হয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক অতিরিক্ত কমিশনার হারুন অর রশীদ এবং সাবেক যুগ্ম কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকারের বিরুদ্ধে রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় একটি হত্যাচেষ্টা মামলা দায়ের করেন।

Hedayetul Khondaker’s Post

মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।