, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

বিক্ষোভকারীদের বেআইনিভাবে আটক করা যাবে না: ভারতের সুপ্রিম কোর্ট

  • প্রকাশের সময় : ১৪ ঘন্টা আগে
  • ১ পড়া হয়েছে

নয়াদিল্লিতে ককরোচ জনতা পার্টির বিক্ষোভ থেকে একজনকে আটক করে পুলিশ। ছবি:

শান্তিপূর্ণ ও নিরস্ত্র বিক্ষোভকারীদের বেআইনিভাবে আটক করা যাবে না বলে নির্দেশ দিয়েছেন ভারতের সুপ্রিম কোর্ট। একই সঙ্গে দিল্লি মেট্রো ও রেল পরিষেবা যেন স্বাভাবিক থাকে, ইন্টারনেট সংযোগ ব্যাহত না হয় এবং জনসাধারণের অবাধ চলাচল বাধাগ্রস্ত না হয় সেই নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।

রোববার (১১ অক্টোবর) সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি জয়মাল্য বাগচি ও বিচারপতি ভি মোহনার বিশেষ বেঞ্চ এ আদেশ দেয়। খবর হিন্দুস্তান টাইমসের।

বিচারপ্রার্থীদের ন্যায়বিচারের সুযোগ নিশ্চিত করতে সুপ্রিম কোর্ট এবং অন্য আদালত চত্বরের আশপাশে জারি করা বিধিনিষেধমূলক নোটিশ প্রত্যাহারে কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে শনিবারের বিক্ষোভের আগে গণ-আটক, চলাচলে বিধিনিষেধ, ইন্টারনেট পরিষেবা স্থগিত রাখা এবং পরিবহন সংক্রান্ত বিধিনিষেধ নিয়ে আদালতের ৯ অক্টোবরের নির্দেশ অমান্য করার অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে জরুরি শুনানির পর এসব আদেশ দেওয়া হয়।

সুপ্রিম কোর্টের বিশেষ বেঞ্চ নির্দেশ দেয়, সংবিধানের ১৯(২) অনুচ্ছেদের আওতায় জনশৃঙ্খলা রক্ষার প্রয়োজনে বিধিনিষেধ আরোপের প্রয়োজন না হলে মেট্রো ও রেল পরিষেবা স্বাভাবিকভাবে চলতে হবে। আইন মেনে শহরে মানুষের অবাধ চলাচলের অনুমতি দিতে হবে, আইন অনুযায়ী ইন্টারনেট পরিষেবা অব্যাহত রাখতে হবে এবং আইন পদ্ধতি ছাড়া কাউকে আটক করা যাবে না; বিশেষ করে ‘ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার’ ১৬৩ ধারার অধীনে জারি করা নিষেধাজ্ঞার আওতাবহির্ভূত এলাকায় শান্তিপূর্ণ ও নিরস্ত্র সমাবেশের ক্ষেত্রে।

আদালত অবমাননার অভিযোগে দিল্লি মেট্রো রেল করপোরেশন, সংশ্লিষ্ট রেল কর্তৃপক্ষ এবং দিল্লি পুলিশকে নোটিশ দেওয়া হয়েছে। গত ৯ অক্টোবরের নির্দেশ অমান্য করার অভিযোগের বিষয়ে তাদের তলব করা হয়েছে।

সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা অভিযোগগুলো অস্বীকার করে দাবি করেন, শনিবার মেট্রো পরিষেবা স্বাভাবিকভাবেই চলেছে; যদিও নেটওয়ার্কের ৩০৩টি স্টেশনের মধ্যে ৪৫টিতে প্রবেশ ও প্রস্থানের ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছিল। আদালতের বেঞ্চ ক্ষতিগ্রস্ত স্টেশনগুলোর বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য চেয়েছে এবং কর্তৃপক্ষকে মঙ্গলবারের মধ্যে তাদের জবাব দাখিলের নির্দেশ দিয়েছে। পাশাপাশি মামলাটি ১৩ অক্টোবর শুনানির জন্য তালিকাভুক্ত করেছে।

সুপ্রিম কোর্ট বা অন্য কোনো আদালতে যাতায়াত নিয়ে যাতে কোনো সংশয় বা ভীতি না থাকে, তা নিশ্চিত করতে আদালত কর্তৃপক্ষকে সুপ্রিম কোর্ট চত্বর ও এর আশপাশের এলাকা থেকে বিধিনিষেধ প্রত্যাহার করার নির্দেশ দিয়েছে।

জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

বিক্ষোভকারীদের বেআইনিভাবে আটক করা যাবে না: ভারতের সুপ্রিম কোর্ট

প্রকাশের সময় : ১৪ ঘন্টা আগে

নয়াদিল্লিতে ককরোচ জনতা পার্টির বিক্ষোভ থেকে একজনকে আটক করে পুলিশ। ছবি:

শান্তিপূর্ণ ও নিরস্ত্র বিক্ষোভকারীদের বেআইনিভাবে আটক করা যাবে না বলে নির্দেশ দিয়েছেন ভারতের সুপ্রিম কোর্ট। একই সঙ্গে দিল্লি মেট্রো ও রেল পরিষেবা যেন স্বাভাবিক থাকে, ইন্টারনেট সংযোগ ব্যাহত না হয় এবং জনসাধারণের অবাধ চলাচল বাধাগ্রস্ত না হয় সেই নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।

রোববার (১১ অক্টোবর) সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি জয়মাল্য বাগচি ও বিচারপতি ভি মোহনার বিশেষ বেঞ্চ এ আদেশ দেয়। খবর হিন্দুস্তান টাইমসের।

বিচারপ্রার্থীদের ন্যায়বিচারের সুযোগ নিশ্চিত করতে সুপ্রিম কোর্ট এবং অন্য আদালত চত্বরের আশপাশে জারি করা বিধিনিষেধমূলক নোটিশ প্রত্যাহারে কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে শনিবারের বিক্ষোভের আগে গণ-আটক, চলাচলে বিধিনিষেধ, ইন্টারনেট পরিষেবা স্থগিত রাখা এবং পরিবহন সংক্রান্ত বিধিনিষেধ নিয়ে আদালতের ৯ অক্টোবরের নির্দেশ অমান্য করার অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে জরুরি শুনানির পর এসব আদেশ দেওয়া হয়।

সুপ্রিম কোর্টের বিশেষ বেঞ্চ নির্দেশ দেয়, সংবিধানের ১৯(২) অনুচ্ছেদের আওতায় জনশৃঙ্খলা রক্ষার প্রয়োজনে বিধিনিষেধ আরোপের প্রয়োজন না হলে মেট্রো ও রেল পরিষেবা স্বাভাবিকভাবে চলতে হবে। আইন মেনে শহরে মানুষের অবাধ চলাচলের অনুমতি দিতে হবে, আইন অনুযায়ী ইন্টারনেট পরিষেবা অব্যাহত রাখতে হবে এবং আইন পদ্ধতি ছাড়া কাউকে আটক করা যাবে না; বিশেষ করে ‘ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার’ ১৬৩ ধারার অধীনে জারি করা নিষেধাজ্ঞার আওতাবহির্ভূত এলাকায় শান্তিপূর্ণ ও নিরস্ত্র সমাবেশের ক্ষেত্রে।

আদালত অবমাননার অভিযোগে দিল্লি মেট্রো রেল করপোরেশন, সংশ্লিষ্ট রেল কর্তৃপক্ষ এবং দিল্লি পুলিশকে নোটিশ দেওয়া হয়েছে। গত ৯ অক্টোবরের নির্দেশ অমান্য করার অভিযোগের বিষয়ে তাদের তলব করা হয়েছে।

সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা অভিযোগগুলো অস্বীকার করে দাবি করেন, শনিবার মেট্রো পরিষেবা স্বাভাবিকভাবেই চলেছে; যদিও নেটওয়ার্কের ৩০৩টি স্টেশনের মধ্যে ৪৫টিতে প্রবেশ ও প্রস্থানের ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছিল। আদালতের বেঞ্চ ক্ষতিগ্রস্ত স্টেশনগুলোর বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য চেয়েছে এবং কর্তৃপক্ষকে মঙ্গলবারের মধ্যে তাদের জবাব দাখিলের নির্দেশ দিয়েছে। পাশাপাশি মামলাটি ১৩ অক্টোবর শুনানির জন্য তালিকাভুক্ত করেছে।

সুপ্রিম কোর্ট বা অন্য কোনো আদালতে যাতায়াত নিয়ে যাতে কোনো সংশয় বা ভীতি না থাকে, তা নিশ্চিত করতে আদালত কর্তৃপক্ষকে সুপ্রিম কোর্ট চত্বর ও এর আশপাশের এলাকা থেকে বিধিনিষেধ প্রত্যাহার করার নির্দেশ দিয়েছে।