, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

অবৈধভাবে চলছে একাধিক ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিক সেন্টার, নিরাপত্তার শঙ্কা

  • প্রকাশের সময় : ০১:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২০ পড়া হয়েছে
অনলাইন বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কেরানীগঞ্জে সরকারি অনুমোদন ছাড়াই চলছে ২০টির বেশি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার। প্রয়োজনীয় লাইসেন্স ও অনুমোদন না থাকলেও এসব প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত রোগী দেখা, পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও চিকিৎসাসেবা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
বেস্টলাইফ ডায়াগনস্টি সেন্টারের পরিচালক ফরহাদউজ্জামন বলেন, আমরা মাত্র শুরু করেছি।
দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের আব্দুল্লাহপুর বাজারে অবস্থিত নারী শিশু হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার। বেশি কিছু দিন চিকিৎসাসেবা দেওয়ার পর একদিন ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে বন্ধ করা হয় হাসপাতালটি। এরপর কেরানীগঞ্জের ঘাটারচরের ‘বিডি হেল’ পৌঁছায়। এখানে অনুমোদন ছাড়া বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের চলছে ফিজিওথেরাপি। এখানেও যিনি ম্যনেজার তিনিই রিসিপশনিস্ট। আর ফিজিওথেরাপি অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে আছে দশম শ্রেণির একজন শিক্ষার্থী। পূর্র মতোই মিলল না কোনো ডাক্তার। নিবন্ধনের বিষয়ে জানেন না ম্যানেজার।প্রতিষ্ঠানটিতে আবার স্যাম্পল কালেক্ট করে দেওয়া হয় পরীক্ষা। কিভাবে পরীক্ষা করা হয় সে বিষয়ে কোনো সদুত্তর দিতে পারেনি ম্যানেজার পরিচয় দেওয়া রবিন শেখ। এদিকে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে অনুমোদন ছাড়াই তিন বছর ধরে চলেছে ঝিলমিল হাসপাতাল। নিবন্ধন নবায়নের কথা বলতেই খেপে যান তিনি।

ঝিলমিল ছাড়াও নবায়ন করেনি এমন বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এসপিবিকে হসপিটাল অ্যান্ড ডায়গনস্টিক সেন্টার সবশেষ নবায়ন করা হয় ২০২১ সালে, নয়নতার আই হাসপাতাল সর্বশেষ নবায়ন করেছিল ২০২২ সালে, শান্তা ডায়গনস্টিক অ্যান্ড কনসুলেশন সেন্টার সবশেষ নবায়ন করেছিল ২৩ সালে,জামিল হসপিটাল সবশেষ নবায়ন করেছিল ২০২৪ সালে, জামিল ডায়াগনস্টিক সেন্টারস সর্বশেষ নবায়ন করেছিল ২০২৫ সালে এবং ইরাজি হাসপাতাল সর্বশেষ নবায়ন করা হয়েছিল ২০২৬ সালে। এ ছাড়া বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান রয়েছে যারা নতুন বছরে নবায়ন করেনি তাদের লাইসেন্স।

প্রশাসনের নাকের ডগায় কিভাবে চলছে প্রতিষ্ঠানগুলো। আসলেই কি তদারকির প্রভাব নাকি নিয়মনীতিকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখানোদের নেই কোনো ভয়। প্রশ্ন ছিল ঢাকা জেলা সিভিল সার্জনের কাছে। এত কিছুর পরেও তিনি বললেন এই প্রথম শুনছেন তিনি এমন অভিযোগ।

ঢাকা জেলার সিভিল সার্জন ডা. মো. জাকারিয়া মাহমুদ বলেন, এখনো পর্যন্ত এমন অভিযোগ প্রথম শুনলাম। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

লাইসেন্সবিহীন প্রতিষ্ঠনগুলের কারণে বাড়ছে ভেজাল ওষুধের সরবরাহ। কারনে তাদের তদারকি করার মতে কেউ থাকে না। তারা কী চিকিৎসা দিচ্ছে, কী ওষুধ দিচ্ছে তার থাকে না কোনো ঠিকঠিকানা নেই। কারণে তারা অবৈধ কারো কাছে দায়বব্ধ নয়। এমনটাই মনে করেন ওষুধ নিয়ে দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করা এই অধ্যক্ষ।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ফার্মাসিউটিক্যাল কেমিস্ট্রি বিভাগের অধ্যাপক ডা. ফিরোজ আহমেদ বলেন, অনুমোদন ছাড়া এসব ক্লিনিকে তারা যেভাবে ইচ্ছা সেভাবে কাজ করতে পারে। কারণ তাদের জবাবদিহি নেই।

জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

অবৈধভাবে চলছে একাধিক ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিক সেন্টার, নিরাপত্তার শঙ্কা

প্রকাশের সময় : ০১:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
অনলাইন বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কেরানীগঞ্জে সরকারি অনুমোদন ছাড়াই চলছে ২০টির বেশি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার। প্রয়োজনীয় লাইসেন্স ও অনুমোদন না থাকলেও এসব প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত রোগী দেখা, পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও চিকিৎসাসেবা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
বেস্টলাইফ ডায়াগনস্টি সেন্টারের পরিচালক ফরহাদউজ্জামন বলেন, আমরা মাত্র শুরু করেছি।
দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের আব্দুল্লাহপুর বাজারে অবস্থিত নারী শিশু হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার। বেশি কিছু দিন চিকিৎসাসেবা দেওয়ার পর একদিন ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে বন্ধ করা হয় হাসপাতালটি। এরপর কেরানীগঞ্জের ঘাটারচরের ‘বিডি হেল’ পৌঁছায়। এখানে অনুমোদন ছাড়া বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের চলছে ফিজিওথেরাপি। এখানেও যিনি ম্যনেজার তিনিই রিসিপশনিস্ট। আর ফিজিওথেরাপি অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে আছে দশম শ্রেণির একজন শিক্ষার্থী। পূর্র মতোই মিলল না কোনো ডাক্তার। নিবন্ধনের বিষয়ে জানেন না ম্যানেজার।প্রতিষ্ঠানটিতে আবার স্যাম্পল কালেক্ট করে দেওয়া হয় পরীক্ষা। কিভাবে পরীক্ষা করা হয় সে বিষয়ে কোনো সদুত্তর দিতে পারেনি ম্যানেজার পরিচয় দেওয়া রবিন শেখ। এদিকে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে অনুমোদন ছাড়াই তিন বছর ধরে চলেছে ঝিলমিল হাসপাতাল। নিবন্ধন নবায়নের কথা বলতেই খেপে যান তিনি।

ঝিলমিল ছাড়াও নবায়ন করেনি এমন বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এসপিবিকে হসপিটাল অ্যান্ড ডায়গনস্টিক সেন্টার সবশেষ নবায়ন করা হয় ২০২১ সালে, নয়নতার আই হাসপাতাল সর্বশেষ নবায়ন করেছিল ২০২২ সালে, শান্তা ডায়গনস্টিক অ্যান্ড কনসুলেশন সেন্টার সবশেষ নবায়ন করেছিল ২৩ সালে,জামিল হসপিটাল সবশেষ নবায়ন করেছিল ২০২৪ সালে, জামিল ডায়াগনস্টিক সেন্টারস সর্বশেষ নবায়ন করেছিল ২০২৫ সালে এবং ইরাজি হাসপাতাল সর্বশেষ নবায়ন করা হয়েছিল ২০২৬ সালে। এ ছাড়া বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান রয়েছে যারা নতুন বছরে নবায়ন করেনি তাদের লাইসেন্স।

প্রশাসনের নাকের ডগায় কিভাবে চলছে প্রতিষ্ঠানগুলো। আসলেই কি তদারকির প্রভাব নাকি নিয়মনীতিকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখানোদের নেই কোনো ভয়। প্রশ্ন ছিল ঢাকা জেলা সিভিল সার্জনের কাছে। এত কিছুর পরেও তিনি বললেন এই প্রথম শুনছেন তিনি এমন অভিযোগ।

ঢাকা জেলার সিভিল সার্জন ডা. মো. জাকারিয়া মাহমুদ বলেন, এখনো পর্যন্ত এমন অভিযোগ প্রথম শুনলাম। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

লাইসেন্সবিহীন প্রতিষ্ঠনগুলের কারণে বাড়ছে ভেজাল ওষুধের সরবরাহ। কারনে তাদের তদারকি করার মতে কেউ থাকে না। তারা কী চিকিৎসা দিচ্ছে, কী ওষুধ দিচ্ছে তার থাকে না কোনো ঠিকঠিকানা নেই। কারণে তারা অবৈধ কারো কাছে দায়বব্ধ নয়। এমনটাই মনে করেন ওষুধ নিয়ে দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করা এই অধ্যক্ষ।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ফার্মাসিউটিক্যাল কেমিস্ট্রি বিভাগের অধ্যাপক ডা. ফিরোজ আহমেদ বলেন, অনুমোদন ছাড়া এসব ক্লিনিকে তারা যেভাবে ইচ্ছা সেভাবে কাজ করতে পারে। কারণ তাদের জবাবদিহি নেই।